Somoy News BD

ব্রেকিং নিউজ

ই ক্লাব ফ্যামিলি নাইট ২০২৫ – উদ্যোক্তা, বিনোদন ও পারিবারিক বন্ধনের এক  মহোৎসব

মঞ্জুর:

মঙ্গলবার ১১ নভেম্বর ২০২৫ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে ই ক্লাব ফ্যামিলি নাইট ২০২৫ উদ্যোক্তা, বিনোদন ও পারিবারিক বন্ধনের এক মহোৎসব উপলক্ষ্যে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কামরুল হাসান প্রেসিডেন্ট অন্ট্রাপ্রেনিওরস ক্লাব অব বাংলাদেশ, ভাইস প্রেসিডেন্ট ফাহমিদা আহম্মেদ,কনভেনর,ই ক্লাব ফ্যামিলি নাইট, শারমিন সাত্তার অবনী, সোলেমান আহম্মেদ জিসান, মাহমুদ শরাফত প্রমুখ।বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় নিবন্ধিত  উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্ম Entrepreneurs Club of Bangladesh (E-Club) তাদের সকল সদস্য, উদ্যোক্তা ও  পরিবারকে নিয়ে এক অনন্য মিলনমেলা ওআনন্দ-উৎসবের আয়োজন করতে যাচ্ছে  আগামী ১৪ নভেম্বর ২০২৫, রাজধানীর  গুলশান সেলিব্রিটি হলে। এটি শুধু একটি  অনুষ্ঠান নয় –এটি উদ্যোক্তা সমাজের এক উজ্জ্বল উদযাপন, যেখানে থাকবে  হাসি, আনন্দ, শিল্প, সঙ্গীত ও সম্পর্কের  বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার প্রতিশ্রুতি।এই মহোৎসবে অংশ নিচ্ছেন দেশের ৫০০-এরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য, স্বনামধন্য  ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, শিল্পী, অভিনেতা-অভিনেত্রী, জাতীয় ক্রিকেট ও ফুটবল  দলের খেলোয়াড়বৃন্দ।সংস্কৃতি সন্ধ্যার মূল আকর্ষণ থাকবে বাঁশির জাদু ও  ফ্যাশন র‍্যাম্প শো যার কোরিও গ্রাফিতে  থাকছেন জনপ্রিয় ফ্যাশন ডিরেক্টর বলুবলু টুম্পা ও তার টিম।আর সঙ্গীত পরিবেশনায় থাকছেন দেশের অন্যতম প্রিয় কণ্ঠশিল্পী দিলশাদ নাহার  কণা, যিনি তার সুর ও গানে মাতিয়ে তুলবেন পুরো আসরকে। অতিথি ও সদস্যদের জন্য থাকছে ঐতিহ্যবাহী মেজবান ডিনারের বিশেষ আয়োজন, যা সন্ধ্যার আনন্দকে আরও বাড়িয়ে তুলবে।এই আয়োজনের টাইটেল স্পনসর হিসেবে থাকছে Sky Tech Solution এবং Powered by: Event City এছাড়াও Platinum Sponsors হিসেবে Interior Studio, Nex Real Estate 3 iFix Fast  সহযোগিতা করছে।তাদের সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতায় “ই-ক্লাব ফ্যামিলি নাইট ২০২৫ ” হয়ে উঠবে  আরও বর্ণিল,প্রাণবন্ত ও সফল এক  উদ্যোক্তা উৎসব।

উল্লেখ্য,প্রায় ৭০০ নিবন্ধিত উদ্যোক্তার  সমন্বয়ে গঠিত “ই-ক্লাব” ২০১৭ সাল থেকে  উদ্যোক্তাদের ভিন্নতা প্রসার,ইনভেস্টমেন্ট  নেস্ট বন্ধন প্রজেক্টের মাধ্যমে কাজ করে  যাচ্ছে – ট্রেনিং, নেটওয়ার্কিং, ব্র্যান্ডিং, মেন্টরশিপ, বিনিয়োগ, বিজনেস কনসালটেশন, মার্কেট এক্সপোজার, রিসার্চ ও পলিসি অ্যাডভোকেসি, নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ইয়ুথ লিডারশিপ, কর্পোরেট কলাবোরেশন কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট,সোশ্যাল  ইম্প্যাক্ট, গ্লোবাল কানেকশন ও ইন্টারন্যাশনাল পার্টনারশিপ-এই বহুমাত্রিক  কার্যক্রমের মাধ্যমে।যেখানে প্রতিটি  স্বপ্নবাজ মানুষ নিজের জায়গা খুঁজে নিচ্ছে, আর প্রতিটি  উদ্যোগ পরিণত হচ্ছে এক একটি পরিবর্তনের গল্পে।তাদেরকেই নিয়েই ই-ক্লাব ফ্যামিলি নাইট  ২০২৫ এক নতুন অধ্যায় যেখানে  উদ্যোক্তারা একত্রিত হবেন  সাফল্য,  বন্ধুত্ব ও পরিবারের গল্পে।

 

Related Articles

বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউএবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশন এর সংবাদ সম্মেলন

মঞ্জুর: জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭-এ নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে কর ও শুল্ক সুবিধার ঘোষণা দেওয়া হলেও বাস্তবে তা সীমিত কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউএবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআরইএ)। সংগঠনটির দাবি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জারিকৃত এসআরও সংশোধন করে কর-সুবিধা সব অংশীজনের জন্য উন্মুক্ত না করলে দেশেরসৌরবিদ্যুৎ খাতের সম্প্রসারণ বাধাগ্রস্ত হবে এবং ২০৩০সালের নবায়নযোগ্য জ্বালানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।রবিবার ১৪ জুন ২০২৬ রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদসম্মেলনে বিএসআরইএর নেতারা এসব কথা বলেন।সংগঠনটির সভাপতি মোস্তফা আল মাহমুদ লিখিত বক্তব্যে  জানান, বাজেট-পরবর্তী এসআরও বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঘোষিত কর ও শুল্ক সুবিধা মূলত নির্দিষ্ট কিছু সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এবং রেসকো মডেলে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী কোম্পানিগুলোরজন্য প্রযোজ্য করা হয়েছে।ফলে আবাসিক, কৃষি, ক্ষুদ্র বাণিজ্যিক গ্রাহক এবং খাতসংশ্লিষ্ট অধিকাংশ ব্যবসায়ী এ সুবিধার বাইরে থেকে যাচ্ছেন।তিনি বলেন, দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের বড় অংশ গড়ে উঠেছে আমদানিকারক, পরিবেশক, ডিলার, খুচরা ব্যবসায়ী এবং ইপিসি (ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন) প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। অথচ বর্তমান প্রণোদনা কাঠামোয় তাদের জন্য কার্যকর কোনো সুবিধা রাখা হয়নি।এতে খাতসংশ্লিষ্ট হাজারো প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা ও কর্মসংস্থান ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। বিএসআরইএর মতে, বর্তমান এসআরও দেশের মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীর মাত্র ২০ থেকে ২২ শতাংশকে লক্ষ্য করে প্রণয়ন করা হয়েছে। অন্যদিকে রেসকো মডেল বড় শিল্প গ্রাহকদের জন্য উপযোগী হলেও আবাসিক, কৃষি ও গ্রামীণ গ্রাহকদের জন্য তা কার্যকর নয়। সংগঠনটি বলছে, সাধারণ মানুষের মধ্যে এমন ধারণা তৈরি হয়েছে যে সৌর প্যানেল ও সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতির ওপর শুল্ক পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং বাজারে দাম কমেছে। কিন্তু বাস্তবে অধিকাংশ সৌর পণ্যের ক্ষেত্রে কর ও শুল্ক কাঠামোয় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি। এতে বাজারে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে এবং ব্যবসায়ীরা অযৌক্তিক চাপের মুখে পড়ছেন। সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, চলতি বাজেট ও সংশ্লিষ্ট এসআরওতে সোলার ইরিগেশন, সোলার স্ট্রিট লাইট এবং ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম (বিইএসএস) খাতের জন্য কার্যকর নতুন কোনো প্রণোদনা রাখা হয়নি। দেশে প্রায় ১৭ লাখ ডিজেলচালিত সেচ পাম্প থাকলেও সেগুলোকে সৌরচালিত ব্যবস্থায় রূপান্তরের জন্য বাজেটে সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা বা আর্থিক সহায়তার প্রতিফলন নেই। একই সঙ্গে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরঞ্জামের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের ‘ওয়েট-বেইজড অ্যাসেসমেন্ট’ পদ্ধতির পরিবর্তে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ‘ট্রানজ্যাকশন ভ্যালু’ ভিত্তিক মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ না থাকায় প্রকল্প ব্যয় অযৌক্তিকভাবে বাড়ছে বলে অভিযোগ করে সংগঠনটি। মাউন্টিং স্ট্রাকচার, লিথিয়াম সেল, ব্যাটারি প্যাক ও বিইএসএসের জন্য শুল্ক সুবিধা ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সীমিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিএসআরইএ। তাদের মতে, দেশে এখনো এসব পণ্যের পর্যাপ্ত উৎপাদন সক্ষমতা গড়ে ওঠেনি। ফলে আগেভাগে সুবিধা প্রত্যাহার করা হলে বিনিয়োগ ও বাজার সম্প্রসারণ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। সংগঠনটির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, দেশের মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীর ৬৩ শতাংশই আবাসিক, কৃষি ও ক্ষুদ্র বাণিজ্যিক গ্রাহক। অথচ বর্তমান প্রণোদনা কাঠামোয় তাদের জন্য কোনো প্রত্যক্ষ সুবিধা নেই। পাশাপাশি স্বল্পসুদে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন, পেমেন্ট সিকিউরিটি এবং বিনিয়োগ সুরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বাজেটে নতুন কোনো উদ্যোগও দেখা যায়নি। বিএসআরইএ সতর্ক করে বলেছে, বর্তমান এসআরও বহাল থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট পিক সৌরবিদ্যুৎ সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্য পূরণ হবে না; বরং সক্ষমতা ২ থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াট পিকে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে। তবে সব আমদানিকারক, ইপিসি প্রতিষ্ঠান, ডিস্ট্রিবিউটর এবং খাতসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের জন্য শূন্য শতাংশ কাস্টমস ডিউটি ও কর সুবিধা উন্মুক্ত করা হলে ঢাকা ও বিভাগীয় শহরগুলোর মাত্র ২৫ শতাংশ ছাদ ব্যবহার করেই ২০৩০ সালের মধ্যে ৬ থেকে ৮ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি সোলার মডিউল, ইনভার্টার, ব্যাটারি স্টোরেজ, মাউন্টিং স্ট্রাকচার, ডিসি কেবল, কানেক্টর ও স্মার্ট মিটারসহ সব নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরঞ্জামের ক্ষেত্রে সমান শুল্ক সুবিধা কার্যকর, অন্তত ১০ বছরের ট্যাক্স হলিডে ও আয়কর অব্যাহতি এবং আবাসিক ও কৃষি গ্রাহকদের জন্য কর-সুবিধা উন্মুক্ত করার দাবি জানায়।  সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, সুপার স্টার সোলার এর সিইও  শেখ তোফায়েল আহমেদ, বিএসআরইএ

আরও পড়ুন

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করতে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল সম্প্রসারণ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, দেশের প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র খামারিদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে বিশুদ্ধ জাতের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল ও

আরও পড়ুন

চীনের অন্যতম বৃহত্তম প্রদর্শনী “The 10th China-South Asia Expo and the 30th China Kunming Import and Export Fair-2026” এর থিম কান্ট্রি হিসেবে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম বৃহত্তম মেলা ও প্রদর্শনী “The 10th China-South Asia Expo and the 30th China Kunming Import and Export Fair-2026” আগামীকাল চীনের

আরও পড়ুন

২০২৭ সালের হজের রোডম্যাপ প্রকাশ,  চলতি বছরের ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে হজযাত্রী নিবন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ২০২৭ সালের (হিজরি ১৪৪৮) হজের রোডম্যাপ প্রকাশ করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। রবিবার (৭ জুন) মন্ত্রণালয়ের হজ-১ শাখা হতে এ রোডম্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman