Somoy News BD

২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , রবিবার
ব্রেকিং নিউজ

অনুষ্ঠিত হলো ত্রয়োবিংশ ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
আজ বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) ঢাকা ক্লাবের স্যামসন লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো  ২৩ তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সংবাদ সম্মেলন। নান্দনিক চলচ্চিত্র, মননশীল দর্শক, আলোকিত সমাজ (Better Film, Better Audience, Better Society) স্লোগানে ৭৫ টি দেশের ২২০ টি সিনেমা নিয়ে পর্দা উঠবে ২৩ তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের আগামী ১১ জানুয়ারি, শনিবার, জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে। রাজধানী ঢাকার ৬ টি ভেন্যুতে ৯ দিন ব্যাপী এই উৎসব দেশী বিদেশী অনেক চলচ্চিত্র কলাকুশলীদের মিলনমেলায় পরিণত হবে। ১২ এবং ১৩ জানুয়ারি ঢাকা ক্লাবের স্যামসন লাউঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে ১১ তম উইমেন ইন সিনেমা কনফারেন্স। ১৯ জানুয়ারী পর্দা নামবে ২৩ তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের। এছাড়া আলিয়স ফ্রঁসেজ ঢাকার লা আর্ট গ্যালারিতে উদ্বোধন হচ্ছে উৎসবের তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ গ্রুপ আর্ট এক্সিবিশন ”পার্সপেকটিভ, অ্যা কনটেম্পোরারি গ্রুপ আর্ট এক্সিবিশন”। আজ ৯ তারিখ, বৃহস্পতিবার, সন্ধ্যা ৬ টায় এক্সিবিশনের পর্দা উঠছে।

সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন উৎসব পরিচালক জনাব আহমেদ মুজতবা জামাল, উৎসব কমিটির চেয়ারপার্সন কিশওয়ার কামাল,
এশিয়ান কম্পিটিশন সেকশনের জুরি বোর্ডের সদস্য অভিনেতা জনাব ইলিয়াস কাঞ্চন, উৎসব কমিটির নির্বাহী সদস্য এবং বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান জনাব জালাল আহমেদ, উৎসব কমিটির সদস্য সাংবাদিক জনাব রফিকুজ্জামান, মাস্টারক্লাস কো-অর্ডিনেটর, ফেস্টিভ্যাল মিডিয়া ইনচার্জ বিধান রিবেরু এবং উইমেন ইন সিনেমা কনফারেন্সের কনফারেন্স ডিরেক্টর সাদিয়া খালিদ রিতি। প্রথমেই উৎসব পরিচালক আহমেদ মুজতবা জামাল প্রেস রিলিজ পাঠ করেন, এরপর উইমেন ইন সিনেমা কনফারেন্স এর কনফারেন্স ডিরেক্টর সাদিয়া খালিদ রীতি কনফারেন্স সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য প্রদান করে বক্তব্য রাখেন। মাস্টারক্লাস এবং মিডিয়া ইনচার্জ বিধান রিবেরু মাস্টারক্লাস নিয়ে বলেন, ১৭ এবং ১৮ জানুয়ারির মাস্টারক্লাস সেশন প্ল্যান এবং মাস্টারক্লাসে অংশগ্রহণের জন্য নিয়মাবলি গুলো সম্পর্কে বলেন। ফেস্টিভ্যালে মিডিয়া প্রেজেন্স সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যাবলিগুলো প্রদান করেন তিনি।

এরপর জনাব জালাল আহমেদ তার বক্তব্য রাখেন; তিনি উৎসব আয়োজনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কথা তার বক্তব্যে তুলে ধরেন। এশিয়ান কম্পিটিশন সেকশনের জুরি, অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন এবং উৎসব কমিটির সদস্য রফিকুজ্জামান তাদের বক্তব্য রাখেন। সবশেষে উৎসব কমিটির চেয়ারপার্সন কিশওয়ার কামাল সভাপতির বক্তব্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

Related Articles

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘ছোটদের পত্রিকা কানামাছি’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

উৎসবমুখর পরিবেশ ও শিশুনন্দিত আবহে উদযাপিত হলো ছোটদের জনপ্রিয় পত্রিকা ‘কানামাছি’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষ্যে ২৫ জুলাই (শনিবার) বিকেল ৪টায় রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে এক

আরও পড়ুন

গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণ ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

মোঃআশরাফুল আলমঃ বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শোষণমুক্ত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা

আরও পড়ুন

বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনে দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ সকাল ১১ টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনের প্রস্তুতিগ্রহণ ও বিস্তারিত কর্মসূচি প্রণয়নের লক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন

নারীর ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড,মোঃরফিকুল ইসলাম

গৌরনদী উপজেলার ছোট্ট একটি গ্রামের নাম বাটাজোর। নদীর কাছাকাছি মাটির ঘরে থাকত পারুল আখতার। তার স্বামী রহিম মিয়া দিনমজুর। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাঠে-ঘাটে কাজ

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman