Somoy News BD

২১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

চীনের অন্যতম বৃহত্তম প্রদর্শনী “The 10th China-South Asia Expo and the 30th China Kunming Import and Export Fair-2026” এর থিম কান্ট্রি হিসেবে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম বৃহত্তম মেলা ও প্রদর্শনী “The 10th China-South Asia Expo and the 30th China Kunming Import and Export Fair-2026” আগামীকাল চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিং এ শুরু হচ্ছে। এমেলা আগামী ১৬ জুন পর্যন্ত চলবে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ব্যবস্থাপনায় এবং কনস্যুলেট জেনারেল, কুনমিং এর সহযোগিতায় এবছর বাংলাদেশের রেকর্ডসংখ্যক ১০১টি প্রতিষ্ঠানের ১৭৫ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করছে।
কুনমিং এর Dianchi International Convention & Exhibition Centre এ মেলা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ মেলায় বিশ্বের ৬৮ টি দেশ হতে ২৩০০ এক্সিবিটর অংশগ্রহণ করবে।

এ বছর মেলায় বাংলাদেশ থিম কান্ট্রি হিসেবে অংশগ্রহণ করছে। ০৬ (ছয়) দিন ব্যাপী আয়োজিত The 10th China-South Asia Expo and the 30th China Kunming Import and Export Fair-2026” মেলার উদ্বোধনী দিনে থিম কান্ট্রি হিসেবে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের উদ্বোধন এবং মূল মেলার উদ্বোধন হবে। মেলার দ্বিতীয় দিন Bangladesh Day পালন করা হবে। উক্ত অনুষ্ঠানসমূহে প্রধান অতিথি হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় বাণিজ্যমন্ত্রী জনাব খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া ইউনান প্রদেশের গভর্নর ও অন্যান্য দেশের গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। বাংলাদেশ ডে তে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এর ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী জনাব মোহাম্মদ হাসান আরিফ কি নোট স্পীকার হিসেবে বক্তব্য প্রদান করবেন। বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে টেক্সটাইল, রেডিম্যাড গার্মেন্টস, ফার্মাসিউটিক্যালস, সিরামিকস, হস্তশিল্প, পাটজাত পণ্য, লেদার গুডস সেক্টরের পণ্যাদি প্রদর্শিত হচ্ছে।
প্যাভিলিয়নে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠানসমূহ সারা বিশ্ব হতে মেলায় আগত আগ্রহী দশনার্থী/ক্রেতা/বিপণনকারী এবং পাইকারী-খুচরা ব্যবসায়ী প্রতিনিধিগণের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন এবং B2B নেটওয়াকিং -এর মাধ্যমে ব্যবসায়িক সম্পক গড়ে তুলবেন। ছয় দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক মেলায় বাংলাদেশের উদ্যমী উৎপাদক, রপ্তানিকারক ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ অংশগ্রহণ এবং B2B নেটওয়াকিং-এর মাধ্যমে চীনের বাজারে-বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুসংহত করবে এবং পণ্যাদি রপ্তানিতে নতুন নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিনিধিগণ দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Related Articles

পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন করলেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ পিলখানাস্থ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন। আজ সকাল ১১টায় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিবি

আরও পড়ুন

তরুণ ছেলে-মেয়েদের চরিত্র গঠন ও শারীরিক বিকাশে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের মূল লক্ষ্য ও

আরও পড়ুন

সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফলভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে আজ বিকেল ৪টায় সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে এক জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের

আরও পড়ুন

সমাজসেবা কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দীকের মৃত্যুতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর শোক

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, নীলফামারীর উপপরিচালক জনাব মোঃ আবু বক্কর সিদ্দীক ১৮জুলাই সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে দিনাজপুরের জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman