Somoy News BD

২২শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

পরিবেশের উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গবেষণা ও উদ্ভাবনের চর্চা বাড়ানো জরুরি। – পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

নিজস্ব প্রতিবেদক:
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও পরিবেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে গবেষণার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, আমাদের গবেষণা যেন কেবল একাডেমিক চর্চায় সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং তা বাস্তবসম্মত ও জনসম্পৃক্ত হতে হবে। গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে যদি পরিবেশবান্ধব নীতি গ্রহণ করা যায়, তবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

পরিবেশ উপদেষ্টা আজ (বুধবার) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরে আয়োজিত ‘গবেষণা উদ্ভাবনা ও প্রকাশনা মেলা ২০২৫’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক সম্পদের সুষম ব্যবহারের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে গবেষণা আরও জোরদার করতে হবে। গবেষণার মাধ্যমে মানবাধিকার, পরিবেশ ও জনসম্পৃক্ততার উন্নয়ন ঘটানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গবেষণা হবে বিজ্ঞানভিত্তিক, বস্তুনিষ্ঠ এবং মানুষের কল্যাণে নিবেদিত। টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে আমাদের পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও গবেষণার প্রতি অধিক মনোযোগী হতে হবে।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘সিঙ্গেল-ইউজ প্লাস্টিক এবং শব্দদূষণমুক্ত ক্যাম্পাস’ ঘোষণা দেওয়ার আহ্বান জানান।

বিজ্ঞানী ও গবেষক জামাল নজরুল ইসলামের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে উপদেষ্টা ‘গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রকাশনা মেলা ২০২৫’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। পরে উপদেষ্টা স্টল ঘুরে দেখেন।

গবেষণা মেলায় এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার;  উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোঃ কামাল উদ্দিন, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমিন, এ এফ মুজিবুর রহমান ফাউন্ডেশন এর ট্রাস্টি জনাব এম নুরুল আলম এবং জামাল নজরুল গবেষণা কেন্দ্র পরিচালনা পরিষদের সদস্য সাদাফ সাজ সিদ্দিকী।

উল্লেখ্য, ‘গবেষণা মেলায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ চট্টগ্রাম বিভাগের ভেতরে ও বাইরে প্রায় শতাধিক স্টলে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগ, গবেষণাগার এবং গবেষণা ইনস্টিটিউট তাদের গবেষণাকর্ম ও বিগত বছরের গবেষণায় অবদান সমূহ তুলে ধরেন।

Related Articles

পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন করলেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ পিলখানাস্থ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন। আজ সকাল ১১টায় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিবি

আরও পড়ুন

তরুণ ছেলে-মেয়েদের চরিত্র গঠন ও শারীরিক বিকাশে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের মূল লক্ষ্য ও

আরও পড়ুন

সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফলভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে আজ বিকেল ৪টায় সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে এক জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের

আরও পড়ুন

সমাজসেবা কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দীকের মৃত্যুতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর শোক

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, নীলফামারীর উপপরিচালক জনাব মোঃ আবু বক্কর সিদ্দীক ১৮জুলাই সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে দিনাজপুরের জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman