Somoy News BD

২১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

পরিবেশ রক্ষায় পাটকেন্দ্রিক শিল্প-সংস্কৃতির প্রসার ও উদ্ভাবন জরুরি। – পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

নিজস্ব প্রতিবেদক: পরিবেশ, বন এবং জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, পরিবেশ রক্ষায় দেশের পাটকেন্দ্রিক শিল্প, সংস্কৃতি, পর্যটন ও উদ্ভাবনকে আরও বিস্তৃত করতে হবে। তিনি বলেন, পরিবেশবান্ধব ও দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহারযোগ্য নতুন নতুন পাটপণ্য উদ্ভাবনের পাশাপাশি আধুনিক গৃহ ও কর্মস্থলে পাটের নান্দনিক প্রয়োগ বাড়াতে হবে। ডেকোরেটিভ আর্টসেও পাটের সৃজনশীল উপস্থাপন বাড়ানো সময়ের দাবি। পাটের বহুমুখী ব্যবহার বৃদ্ধি পেলে কর্মসংস্থান, অর্থনীতি ও স্থানীয় শিল্পের বিকাশে বড় অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

আজ সোমবার রাজধানীর অ্যালায়েন্স ফ্রাঁসেজ দে ঢাকায় তিন দিনব্যাপী (১৭–১৯ নভেম্বর) ‘দ্য সোল অব জুট: ক্রাফট, কালচার, ট্যুরিজম অ্যান্ড ইনোভেশন’ শীর্ষক পাটপণ্য প্রদর্শনীর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পরিবেশ উপদেষ্টা জানান, কৃষকদের পাট চাষে উদ্বুদ্ধ করা এবং পাটপণ্যের বাজার সম্প্রসারণে সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, পাটচাষিদের প্রণোদনা দিতে হবে এবং পলিথিন শপিং ব্যাগের বিকল্প হিসেবে পাটের ব্যাগের ব্যবহার বাড়াতে পরিবেশ ও পাট মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, সুইজারল্যান্ডসহ উন্নত দেশের শপিং মলে ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের পাটের ব্যাগ ব্যবহার হচ্ছে, অথচ দেশে এখনো পাটের ব্যাগের প্রচলন কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছেনি।পলিথিন বর্জন করে পাটের ব্যাগের ব্যবহার বৃদ্ধিতে ভোক্তাদেরও দায়িত্ব নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, সরকার জুট ডাইভার্সিফিকেশন প্রমোশন সেন্টারের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে। তিনি বলেন, পাটপণ্য পরিবেশবান্ধব ও নান্দনিক; পরিবেশের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে উদ্যোক্তাদের পাটপণ্য প্রসারে আরও উদ্যমী হয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

এসময় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, জুট ডাইভার্সিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার (JDPC)–এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (যুগ্মসচিব) মো. জাহিদ হোসেন, অ্যালায়েন্স ফ্রাঁসেজ দে ঢাকার পরিচালক ফ্রাঁসোয়া শমব্রো এবং বাংলাদেশ বহুমুখী পাটপণ্য উৎপাদক ও রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ রাশেদুল করিম প্রমুখ বক্তব্য দেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পরে অতিথিগণ পাটপণ্য প্রদর্শনীর বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। এবং শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
উল্লেখ্য, অ্যালায়েন্স ফ্রাঁসেজ দে ঢাকা, ২৬ মিরপুর রোড, ধানমন্ডিতে আয়োজিত এ প্রদর্শনী ১৭–১৯ নভেম্বর প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

Related Articles

পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন করলেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ পিলখানাস্থ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন। আজ সকাল ১১টায় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিবি

আরও পড়ুন

তরুণ ছেলে-মেয়েদের চরিত্র গঠন ও শারীরিক বিকাশে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের মূল লক্ষ্য ও

আরও পড়ুন

সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফলভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে আজ বিকেল ৪টায় সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে এক জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের

আরও পড়ুন

সমাজসেবা কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দীকের মৃত্যুতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর শোক

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, নীলফামারীর উপপরিচালক জনাব মোঃ আবু বক্কর সিদ্দীক ১৮জুলাই সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে দিনাজপুরের জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman