Somoy News BD

২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , রবিবার
ব্রেকিং নিউজ

প্রসঙ্গ: পরিশুদ্ধ রাজনীতিতে নতুনদের আগমন গ্রহনীয়

বিশেষ প্রতিবেদন:
বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী শিল্প ও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক যাত্রা সংগঠন।
বাংলাদেশ যাত্রাশিল্প উন্নয়ন সোসাইটি-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সাম্প্রতিক এক সভায় জাতীয় রাজনীতিতে তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণ, নেতৃত্বের বিকাশ এবং প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নে একটি বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় সংগঠনের সভাপতি নটরাজ এন এ পলাশ সমসাময়িক রাজনৈতিক বাস্তবতায় শিক্ষাগত প্রস্তুতি, পেশাগত দক্ষতা এবং প্রজন্মগত ভারসাম্যের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে নেতৃত্বের ধারণা কেবল রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়: বরং আধুনিক শিক্ষা, আইনগত জ্ঞান, নীতিনির্ভর চিন্তাভাবনা এবং বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গিও গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।
সভায় অংশগ্রহণকারী নেতৃবৃন্দের আলোচনায় দেশের ঐতিহ্যবাহী ও প্রতীকী নির্বাচনী এলাকাগুলোর প্রসঙ্গও উঠে আসে। বিশেষ করে বগুড়া-৬ আসনকে কেন্দ্র করে তরুণ নেতৃত্বের সম্ভাবনা নিয়ে মতামত ব্যক্ত করা হয়। বক্তারা উল্লেখ করেন, বগুড়া দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ ভূখণ্ড হিসেবে পরিচিত।
এই অঞ্চলে প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নে জনগণের প্রত্যাশা সাধারণত উন্নয়ন, সুশাসন এবং আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত।
এই প্রেক্ষাপটে আলোচনায় জাইমা রহমান-এর শিক্ষাগত পটভূমি ও পেশাগত প্রশিক্ষণের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। সভায় উপস্থিত বক্তারা অভিমত ব্যক্ত করেন যে, আইনশাস্ত্রে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব সংসদীয় কার্যক্রম, আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো বোঝার ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রার্থিতা বা প্রতিনিধিত্ব নির্ধারণের ক্ষেত্রে দলীয় কাঠামো, স্থানীয় সংগঠন, রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং জনসমর্থন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একই সঙ্গে যোগ্যতা, দক্ষতা এবং প্রজন্মগত প্রতিনিধিত্বও আধুনিক রাজনীতিতে একটি প্রাসঙ্গিক আলোচ্য বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সভায় আলোচনার সারাংশে বলা হয়, দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণ গণতান্ত্রিক চর্চাকে আরও গতিশীল করতে সহায়ক হতে পারে। এ ধরনের আলোচনাকে একটি বৃহত্তর সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক চিন্তাভাবনার অংশ হিসেবে দেখা উচিত বলে মতামত ব্যক্ত করা হয়।
সভা শেষে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা সাংস্কৃতিক ও সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে নেতৃত্ব, মূল্যবোধ এবং রাষ্ট্রচিন্তার বিষয়গুলো নিয়ে ভবিষ্যতেও আলোচনা অব্যাহত রাখবে।অনুষ্ঠান সঞ্চালনায়:টিমুনী খান রীনো

Related Articles

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘ছোটদের পত্রিকা কানামাছি’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

উৎসবমুখর পরিবেশ ও শিশুনন্দিত আবহে উদযাপিত হলো ছোটদের জনপ্রিয় পত্রিকা ‘কানামাছি’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষ্যে ২৫ জুলাই (শনিবার) বিকেল ৪টায় রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে এক

আরও পড়ুন

গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণ ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

মোঃআশরাফুল আলমঃ বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শোষণমুক্ত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা

আরও পড়ুন

বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনে দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ সকাল ১১ টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনের প্রস্তুতিগ্রহণ ও বিস্তারিত কর্মসূচি প্রণয়নের লক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন

নারীর ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড,মোঃরফিকুল ইসলাম

গৌরনদী উপজেলার ছোট্ট একটি গ্রামের নাম বাটাজোর। নদীর কাছাকাছি মাটির ঘরে থাকত পারুল আখতার। তার স্বামী রহিম মিয়া দিনমজুর। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাঠে-ঘাটে কাজ

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman