Somoy News BD

২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , রবিবার
ব্রেকিং নিউজ

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে নিহত প্রবাসী এস এম তারেকের মরদেহ দেশে প্রত্যাবর্তন: শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে বাহরাইনে নিহত বাংলাদেশি কর্মী এস এম তারেকের মরদেহ আজ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছে। সৌদি আরবের দাম্মাম থেকে আগত গালফ এয়ারের ফ্লাইট নং GF-2250 যোগে মরদেহটি দেশে আনা হয়। বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে মরদেহটি গ্রহণ করেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

মরদেহ গ্রহণের পর প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী গভীর শোক প্রকাশ করে জানান, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে এখন পর্যন্ত মোট ৬ জন বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রবাসী কল্যাণ, পররাষ্ট্র এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় অত্যন্ত সমন্বিতভাবে নিহতদের পরিবার এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে মরদেহ আনার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার চেষ্টা করছে।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, নিহতের পরিবারকে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের পক্ষ থেকে দাফনকার্যের জন্য ৩৫,০০০ টাকা এবং নগদ ৫০,০০০ টাকা তাৎক্ষণিকভাবে প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া আর্থিক সহায়তা হিসেবে ৩,০০,০০০ টাকা এবং বিমার ১০,০০,০০০ টাকা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি নিহতের এলাকার সংসদ সদস্যের সাথে সমন্বয় করে পরিবারটিকে দীর্ঘমেয়াদী সহায়তার আশ্বাস দেন তিনি।

প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক জানান, এ পর্যন্ত ৩ জন প্রবাসী বাংলাদেশির মরদেহ দেশে এসে পৌঁছেছে। তিনি নিহতদের প্রতিটি পরিবারের সাথে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখার বিষয়ে আশ্বস্ত করেন। একই সাথে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার জন্য মন্ত্রণালয় থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে বলেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রবাসীদের ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর লক্ষ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যারা মানব পাচারের সাথে জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এছাড়া গ্রিসের ক্যাম্পে বন্দী অবস্থায় থাকা বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোখতার আহমেদ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (কনস্যুলার এবং ওয়েলফেয়ার) দেওয়ান আলী আশরাফ এবং ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. এ.টি.এম. মাহবুব-উল করিম।

Related Articles

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘ছোটদের পত্রিকা কানামাছি’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

উৎসবমুখর পরিবেশ ও শিশুনন্দিত আবহে উদযাপিত হলো ছোটদের জনপ্রিয় পত্রিকা ‘কানামাছি’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষ্যে ২৫ জুলাই (শনিবার) বিকেল ৪টায় রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে এক

আরও পড়ুন

গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণ ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

মোঃআশরাফুল আলমঃ বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শোষণমুক্ত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা

আরও পড়ুন

বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনে দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ সকাল ১১ টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনের প্রস্তুতিগ্রহণ ও বিস্তারিত কর্মসূচি প্রণয়নের লক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন

নারীর ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড,মোঃরফিকুল ইসলাম

গৌরনদী উপজেলার ছোট্ট একটি গ্রামের নাম বাটাজোর। নদীর কাছাকাছি মাটির ঘরে থাকত পারুল আখতার। তার স্বামী রহিম মিয়া দিনমজুর। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাঠে-ঘাটে কাজ

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman