Somoy News BD

২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

রাসুল (সা) এর সীরাত চর্চা মানবজাতির জন্য অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে                         -ধর্ম উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, বর্তমান বিশ্বে বিজ্ঞানের অগ্রগতি, প্রযুক্তির বিকাশ ও বিশ্বায়নের কারণে মানুষের জীবন যেমন সহজতর হয়েছে, তেমনি নৈতিক অবক্ষয়, পারিবারিক সংকট, সামাজিক বৈষম্য, সন্ত্রাসবাদ ও ধর্মীয় দ্বন্দ্বও তীব্রতর হয়েছে। এ বাস্তবতায় রাসুল (সা) এর সীরাত চর্চা মানবজাতির জন্য অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আজ বিকালে রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি মিলনায়তনে হাসানাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে  সীরাত অলিম্পিয়াড- ২০২৫ প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠান প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ধর্ম উপদেষ্টা বলেন,  ধর্মীয় সংঘাত আজকের পৃথিবীর অন্যতম বড় সমস্যা। রাসুল (সা) মদিনায় ইহুদি, খ্রিষ্টান ও মুসলমানদের নিয়ে মদিনা সনদ প্রণয়ন করেছিলেন। এ সনদে সবার ধর্মীয় স্বাধীনতা স্বীকৃত হয়েছিল। রাসুল (সা) এর শিক্ষাই আন্তঃধর্মীয় সহাবস্থান ও সহনশীলতার প্রকৃত ভিত্তি।

হাসানাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান আজহারীর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে শাইখ মুখতার আহমাদ (হাফি.), শাইখ রেজাউল করিম আবার (হাফি.), শাইখ সিফাত হাসান (হাফি.), শাইখ মুহাদ্দিস মাহমুদুল হাসান (হাফি.),শাইখ ড. আবুল কালাম আজাদ বাশার (হাফি),শাইখ ফখরুদ্দিন আহমাদ (হাফি.), শাইখ নাসিরুদ্দিন হেলালী (হাফি.), শাইখ মুফতি সাইফুল ইসলাম (হাফি.),শাইখ আব্দুল হাই সাইফুল্লাহ (হাফি.) প্রমূখ বক্তৃতা করেন।

পরে উপদেষ্টা সীরাত অলিম্পিয়াড বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও নগদ অর্থ তুলে দেন।

উল্লেখ্য, এ সীরাত অলিম্পিয়াডে প্রায় ২০ হাজার প্রতিযোগীর মধ্য থেকে তিনটি গ্রুপে সিলেকশন রাউন্ড, সেমিফাইনাল ও ফাইনাল শেষে প্রতিটি গ্রুপে ১০ জন করে মোট ৩০ জনকে চূড়ান্ত বিজয়ী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। পুরস্কার হিসেবে প্রত্যেক গ্রুপে ১ম স্থান অর্জনকারীকে উমরাহ্ প্যাকেজ, ফার্স্ট রানার-আপকে ল্যাপটপ, সেকেন্ড রানার-আপকে ট্যাবলেটে, ৪র্থ ও ৫ম স্থান অধিকারীকে যথাক্রমে ২০ হাজার ও  ১০ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। এছাড়া, ৬ষ্ঠ থেকে দশম স্থান বিজয়ীদেরকে নগদ পাঁচ হাজার টাকা পুরস্কার দেয়া হয়েছে।

হাসানাহ ফাউন্ডেশন শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন, ও প্রজন্মকে রাসূল (সা)এর আদর্শে গড়ে তোলার মাধ্যমে নীতি-নৈতিকতাভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছে।

Related Articles

স্কুলে সংস্কৃতিচর্চা নিশ্চিত হলে দেশে উগ্রবাদের স্থান হবে না: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, এমপি বলেছেন স্কুল পর্যায়ে সংস্কৃতিচর্চা নিশ্চিত হলে দেশে উগ্রবাদের স্থান হবে না। রবিবার (১৯ এপ্রিল) সকালে

আরও পড়ুন

বৃত্তি পরীক্ষায় বেসরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের প্রতি কোনো বৈষম্য নেই: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় বেসরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের প্রতি কোনো বৈষম্য নেই বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, এমপি। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল)

আরও পড়ুন

সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেনের সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সঙ্গে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ওয়ার্ল্ড

আরও পড়ুন

বাহরাইনে নিহত প্রবাসী গিরিশ চন্দ্র সূত্রধরের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে, পরিবারের কাছে হস্তান্তর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাহরাইনে নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি গিরিশ চন্দ্র সূত্রধরের মরদেহ আজ বুধবার সকালে দেশে পৌঁছেছে। এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট যোগে সকাল সাড়ে ৮টায় মরদেহ হযরত শাহজালাল

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman