Somoy News BD

২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , রবিবার
ব্রেকিং নিউজ

১৯ বছর পর বাবার কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

স্টাফ রিপোর্টার : সাইমুল রাজু
দীর্ঘ ১৯ বছর পর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ নির্বাসনের অবসান ঘটিয়ে দেশে ফেরার একদিন পর শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) জুমার নামাজ শেষে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জিয়া উদ্যানের মাজারে শ্রদ্ধা জানান তিনি।জুমার নামাজ শেষে গুলশানের বাসভবন থেকে সরাসরি শেরেবাংলা নগরে যান তারেক রহমান। সেখানে পিতার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাতে অংশ নেন তিনি।

এর আগে সর্বশেষ ২০০৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শহীদ জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমান। এরপর দীর্ঘ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও নির্বাসনের কারণে আর দেশে ফেরা হয়নি তার।

কবর জিয়ারত শেষে লাল-সবুজ রঙের বুলেটপ্রুফ বাসে করে তিনি সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশ্যে রওনা হন। সেখানে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর কথা রয়েছে তার।
তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকায় সকাল থেকেই নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে আসা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা স্মৃতিসৌধ ও আশপাশের এলাকায় জড়ো হতে থাকেন।

তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জিয়া উদ্যান, জাতীয় স্মৃতিসৌধ এবং ঢাকা–আরিচা মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবির পাশাপাশি সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
সাভার গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন খান আনু জানান, তারেক রহমানের শ্রদ্ধা নিবেদন উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম বলেন, “তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে যেন কোনো ধরনের নিরাপত্তা বিঘ্ন না ঘটে, সেজন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।”
স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাদের দাবি, শুক্রবার সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকায় ৫০ হাজারের বেশি মানুষের গণজমায়েত হতে পারে।
উল্লেখ্য, গত ২৫ ডিসেম্বর দীর্ঘ ১৭ বছর পর লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

তাকে অভ্যর্থনা জানাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে (৩০০ ফিট) এলাকায় নজিরবিহীন জনসমাগম ঘটে।
সেদিন বিকেলে আয়োজিত বিশাল গণসংবর্ধনায় তারেক রহমান একটি নিরাপদ, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্ন তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মপরিকল্পনার কথা জানান।

Related Articles

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘ছোটদের পত্রিকা কানামাছি’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

উৎসবমুখর পরিবেশ ও শিশুনন্দিত আবহে উদযাপিত হলো ছোটদের জনপ্রিয় পত্রিকা ‘কানামাছি’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষ্যে ২৫ জুলাই (শনিবার) বিকেল ৪টায় রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে এক

আরও পড়ুন

গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণ ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

মোঃআশরাফুল আলমঃ বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শোষণমুক্ত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা

আরও পড়ুন

বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনে দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ সকাল ১১ টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনের প্রস্তুতিগ্রহণ ও বিস্তারিত কর্মসূচি প্রণয়নের লক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন

নারীর ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড,মোঃরফিকুল ইসলাম

গৌরনদী উপজেলার ছোট্ট একটি গ্রামের নাম বাটাজোর। নদীর কাছাকাছি মাটির ঘরে থাকত পারুল আখতার। তার স্বামী রহিম মিয়া দিনমজুর। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাঠে-ঘাটে কাজ

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman