Somoy News BD

২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , রবিবার
ব্রেকিং নিউজ

চীনের অন্যতম বৃহত্তম প্রদর্শনী “The 10th China-South Asia Expo and the 30th China Kunming Import and Export Fair-2026” এর থিম কান্ট্রি হিসেবে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম বৃহত্তম মেলা ও প্রদর্শনী “The 10th China-South Asia Expo and the 30th China Kunming Import and Export Fair-2026” আগামীকাল চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিং এ শুরু হচ্ছে। এমেলা আগামী ১৬ জুন পর্যন্ত চলবে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ব্যবস্থাপনায় এবং কনস্যুলেট জেনারেল, কুনমিং এর সহযোগিতায় এবছর বাংলাদেশের রেকর্ডসংখ্যক ১০১টি প্রতিষ্ঠানের ১৭৫ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করছে।
কুনমিং এর Dianchi International Convention & Exhibition Centre এ মেলা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ মেলায় বিশ্বের ৬৮ টি দেশ হতে ২৩০০ এক্সিবিটর অংশগ্রহণ করবে।

এ বছর মেলায় বাংলাদেশ থিম কান্ট্রি হিসেবে অংশগ্রহণ করছে। ০৬ (ছয়) দিন ব্যাপী আয়োজিত The 10th China-South Asia Expo and the 30th China Kunming Import and Export Fair-2026” মেলার উদ্বোধনী দিনে থিম কান্ট্রি হিসেবে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের উদ্বোধন এবং মূল মেলার উদ্বোধন হবে। মেলার দ্বিতীয় দিন Bangladesh Day পালন করা হবে। উক্ত অনুষ্ঠানসমূহে প্রধান অতিথি হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় বাণিজ্যমন্ত্রী জনাব খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া ইউনান প্রদেশের গভর্নর ও অন্যান্য দেশের গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। বাংলাদেশ ডে তে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এর ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী জনাব মোহাম্মদ হাসান আরিফ কি নোট স্পীকার হিসেবে বক্তব্য প্রদান করবেন। বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে টেক্সটাইল, রেডিম্যাড গার্মেন্টস, ফার্মাসিউটিক্যালস, সিরামিকস, হস্তশিল্প, পাটজাত পণ্য, লেদার গুডস সেক্টরের পণ্যাদি প্রদর্শিত হচ্ছে।
প্যাভিলিয়নে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠানসমূহ সারা বিশ্ব হতে মেলায় আগত আগ্রহী দশনার্থী/ক্রেতা/বিপণনকারী এবং পাইকারী-খুচরা ব্যবসায়ী প্রতিনিধিগণের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন এবং B2B নেটওয়াকিং -এর মাধ্যমে ব্যবসায়িক সম্পক গড়ে তুলবেন। ছয় দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক মেলায় বাংলাদেশের উদ্যমী উৎপাদক, রপ্তানিকারক ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ অংশগ্রহণ এবং B2B নেটওয়াকিং-এর মাধ্যমে চীনের বাজারে-বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুসংহত করবে এবং পণ্যাদি রপ্তানিতে নতুন নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিনিধিগণ দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Related Articles

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘ছোটদের পত্রিকা কানামাছি’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

উৎসবমুখর পরিবেশ ও শিশুনন্দিত আবহে উদযাপিত হলো ছোটদের জনপ্রিয় পত্রিকা ‘কানামাছি’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষ্যে ২৫ জুলাই (শনিবার) বিকেল ৪টায় রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে এক

আরও পড়ুন

গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণ ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

মোঃআশরাফুল আলমঃ বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শোষণমুক্ত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা

আরও পড়ুন

বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনে দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ সকাল ১১ টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনের প্রস্তুতিগ্রহণ ও বিস্তারিত কর্মসূচি প্রণয়নের লক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন

নারীর ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড,মোঃরফিকুল ইসলাম

গৌরনদী উপজেলার ছোট্ট একটি গ্রামের নাম বাটাজোর। নদীর কাছাকাছি মাটির ঘরে থাকত পারুল আখতার। তার স্বামী রহিম মিয়া দিনমজুর। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাঠে-ঘাটে কাজ

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman