Somoy News BD

১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , রবিবার
ব্রেকিং নিউজ

আন্তর্জাতিক ইকোনমিক্স অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশ দল

মঞ্জুর: 

আগামী ২০ থেকে ২৯ জুলাই আজারবাইজানের বাকু শহরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১০ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক ইকোনমিক্স অলিম্পিয়াড (আইইও) ২০২৫। যেখানে বাংলাদেশের হয়ে অংশগ্রহণ করবেন পাঁচ প্রতিযোগী।

বুধবার ১৬ জুলাই ২০২৫ জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ইকোনমিক্স অলিম্পিয়াডের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর মানসুরুল হক বলেন, এ বছর প্রায় সহস্রাধিক প্রতিযোগীদের মধ্যে থেকে মেধার সর্বোচ্চ যাচাই বাছাইয়ের মাধ্যমে সেরা পাঁচজন নির্বাচিত হয়েছে। আমরা আশা করছি তারা প্রতিবছরের মতো এ বছরও আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করবে।  বিশ্বের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বৈশ্বিক অর্থনীতি সম্পর্কে ধারণা তৈরি, অর্থনৈতিক সমস্যার সমাধান ও দক্ষ নেতৃত্ব গঠনের উদ্বুদ্ধ করাসহ অর্থনীতির নানা বিষয়ে নিয়ে এ অলিম্পিয়াড আয়োজন করা হয়।  

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশ ইকোনমিক্স অলিম্পিয়াড ফাউন্ডেশন এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে। বিগত বছরগুলোতে পৃষ্ঠপোষকতায় সিটি ব্যাংক টাইটেল স্পন্সর হিসেবে এবং ঢাকা ব্যাংক ও পূবালী ব্যাংক সহযোগী স্পন্সর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর ২০২৫ সালের জাতীয় দল ও কার্যনির্বাহী কমিটিকে দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন।

এ সময় বাংলাদেশ ইকোনমিক্স অলিম্পিয়াডের চেয়ারম্যান ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ইকোনমিক্স অলিম্পিয়াড শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়, এটি একটি আন্দোলন। এর মাধ্যমে আমরা তরুণ প্রজন্মের মধ্যে অর্থনৈতিক সচেতনতা, দায়িত্বশীল সিদ্ধান্তগ্রহণ এবং নেতৃত্ব গঠনের মূল্যবোধ ছড়িয়ে দিতে চাই।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ইকোনমিক্স অলিম্পিয়াডের প্রেসিডেন্ট আল আমিন পারভেজ বলেন, প্রতিযোগী ছেলের মধ্য থেকে আশা করা যায় বেশ কয়েকজন গোল্ড মেডেল অর্জন করবে। আর তা সত্যি হলে ইকোনমিক্স অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো গোল্ড মেডেল অর্জন করবে। আমরা প্রতিযোগীদের সেভাবেই তৈরি করেছি। এ আশা নিয়েই আমরা এগোচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মানসুরুল হক বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন আনাচে-কানাচে থেকে ধাপে ধাপে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আমরা এ পাঁচজন বিজয়ীকে নির্বাচিত করেছি। তারা হচ্ছে বাংলাদেশের টপ ফাইভ। এ টপ ফাইভ থেকে ইন্টারন্যাশনালি টপ ওয়ানে যাবে, তারা বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করবে। তাদের মাধ্যমে বাংলাদেশ সারা বিশ্বকে দেখিয়ে দিবে, বাংলাদেশও কিছু অর্জন করতে পারে।

Related Articles

স্কুলে সংস্কৃতিচর্চা নিশ্চিত হলে দেশে উগ্রবাদের স্থান হবে না: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, এমপি বলেছেন স্কুল পর্যায়ে সংস্কৃতিচর্চা নিশ্চিত হলে দেশে উগ্রবাদের স্থান হবে না। রবিবার (১৯ এপ্রিল) সকালে

আরও পড়ুন

বৃত্তি পরীক্ষায় বেসরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের প্রতি কোনো বৈষম্য নেই: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় বেসরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের প্রতি কোনো বৈষম্য নেই বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, এমপি। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল)

আরও পড়ুন

সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেনের সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সঙ্গে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ওয়ার্ল্ড

আরও পড়ুন

বাহরাইনে নিহত প্রবাসী গিরিশ চন্দ্র সূত্রধরের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে, পরিবারের কাছে হস্তান্তর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাহরাইনে নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি গিরিশ চন্দ্র সূত্রধরের মরদেহ আজ বুধবার সকালে দেশে পৌঁছেছে। এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট যোগে সকাল সাড়ে ৮টায় মরদেহ হযরত শাহজালাল

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman