Somoy News BD

১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

আন্তর্জাতিক ইকোনমিক্স অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশ দল

মঞ্জুর: 

আগামী ২০ থেকে ২৯ জুলাই আজারবাইজানের বাকু শহরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১০ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক ইকোনমিক্স অলিম্পিয়াড (আইইও) ২০২৫। যেখানে বাংলাদেশের হয়ে অংশগ্রহণ করবেন পাঁচ প্রতিযোগী।

বুধবার ১৬ জুলাই ২০২৫ জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ইকোনমিক্স অলিম্পিয়াডের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর মানসুরুল হক বলেন, এ বছর প্রায় সহস্রাধিক প্রতিযোগীদের মধ্যে থেকে মেধার সর্বোচ্চ যাচাই বাছাইয়ের মাধ্যমে সেরা পাঁচজন নির্বাচিত হয়েছে। আমরা আশা করছি তারা প্রতিবছরের মতো এ বছরও আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করবে।  বিশ্বের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বৈশ্বিক অর্থনীতি সম্পর্কে ধারণা তৈরি, অর্থনৈতিক সমস্যার সমাধান ও দক্ষ নেতৃত্ব গঠনের উদ্বুদ্ধ করাসহ অর্থনীতির নানা বিষয়ে নিয়ে এ অলিম্পিয়াড আয়োজন করা হয়।  

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশ ইকোনমিক্স অলিম্পিয়াড ফাউন্ডেশন এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে। বিগত বছরগুলোতে পৃষ্ঠপোষকতায় সিটি ব্যাংক টাইটেল স্পন্সর হিসেবে এবং ঢাকা ব্যাংক ও পূবালী ব্যাংক সহযোগী স্পন্সর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর ২০২৫ সালের জাতীয় দল ও কার্যনির্বাহী কমিটিকে দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন।

এ সময় বাংলাদেশ ইকোনমিক্স অলিম্পিয়াডের চেয়ারম্যান ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ইকোনমিক্স অলিম্পিয়াড শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়, এটি একটি আন্দোলন। এর মাধ্যমে আমরা তরুণ প্রজন্মের মধ্যে অর্থনৈতিক সচেতনতা, দায়িত্বশীল সিদ্ধান্তগ্রহণ এবং নেতৃত্ব গঠনের মূল্যবোধ ছড়িয়ে দিতে চাই।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ইকোনমিক্স অলিম্পিয়াডের প্রেসিডেন্ট আল আমিন পারভেজ বলেন, প্রতিযোগী ছেলের মধ্য থেকে আশা করা যায় বেশ কয়েকজন গোল্ড মেডেল অর্জন করবে। আর তা সত্যি হলে ইকোনমিক্স অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো গোল্ড মেডেল অর্জন করবে। আমরা প্রতিযোগীদের সেভাবেই তৈরি করেছি। এ আশা নিয়েই আমরা এগোচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মানসুরুল হক বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন আনাচে-কানাচে থেকে ধাপে ধাপে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আমরা এ পাঁচজন বিজয়ীকে নির্বাচিত করেছি। তারা হচ্ছে বাংলাদেশের টপ ফাইভ। এ টপ ফাইভ থেকে ইন্টারন্যাশনালি টপ ওয়ানে যাবে, তারা বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করবে। তাদের মাধ্যমে বাংলাদেশ সারা বিশ্বকে দেখিয়ে দিবে, বাংলাদেশও কিছু অর্জন করতে পারে।

Related Articles

ডিম উৎপাদন বাড়িয়ে রপ্তানির সক্ষমতা অর্জন করতে হবে —-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি বলেছেন, দেশের ডিম উৎপাদন বাড়িয়ে অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রপ্তানির সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। এ

আরও পড়ুন

বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুলের নাম ভাঙিয়ে গুম ফেরত সাংবাদিক কাজলের পৈতৃক বসতভিটা দখলের চেষ্টার অভিযোগ, কাটা হলো মায়ের লাগানো নারকেলগাছ

বিশেষ প্রতিনিধি, মেহেরপুর স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ৫৩ দিন গুম নয় মাস কারাগারে থাকার ঘটনায় আলোচিত সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের মেহেরপুর শহরের পৈতৃক বসতভিটা

আরও পড়ুন

লোহাগড়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার এজাহারভুক্ত আসামি গ্রে’ফ’তা’র

লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি: নড়াইলের লোহাগড়া থানার মামলা নং- ০১(১০)২৬, ধারা: ১১(খ)/১১(গ)/৩০ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের এজাহারভুক্ত ২ নং আসামি সুমন রহমান @ রকি

আরও পড়ুন

বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের (এফডিএমএন) স্বদেশে নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ। আর এটি নিশ্চিতে আঞ্চলিক ও

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[২] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[৩][৪] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman