Somoy News BD

৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বৃহস্পতিবার
ব্রেকিং নিউজ

আরিচা-দৌলতদিয়া ফেরীঘাট পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী যাত্রীসেবা উন্নয়ন, নিরাপত্তা জোরদার ও অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণে নির্দেশনা প্রদান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মোঃ রাজিব আহসান আজ ( ১ জুলাই) দুপুরে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ আরিচা-দৌলতদিয়া ফেরিঘাট পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি ফেরি চলাচল, যানবাহন ও যাত্রী ব্যবস্থাপনা, ঘাটের সার্বিক অবকাঠামো, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।

প্রতিমন্ত্রী ঘাট এলাকায় উপস্থিত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং ঈদসহ বিভিন্ন উৎসব মৌসুম ও স্বাভাবিক সময়ে যাত্রী ও যানবাহনের নির্বিঘ্ন পারাপার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও সমন্বয় জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে আরিচা-দৌলতদিয়া নৌপথ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই নৌপথে নিরাপদ, নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

পরিদর্শনের সময় প্রতিমন্ত্রী ফেরির আধুনিকায়ন কার্যক্রম, ঘাটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে গৃহীত উদ্যোগসমূহ পর্যালোচনা করেন। তিনি ঘাট এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি নিশ্চিত করতে দ্রুত সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, নিরাপত্তা ব্যবস্থার আরও উন্নয়ন এবং সেবার মান বৃদ্ধি করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

এ সময় স্থানীয় একটি গণমাধ্যমে প্রচারিত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আরিচা ফেরিঘাটে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহারের অভিযোগের বিষয়টি তিনি গুরুত্বসহকারে সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। প্রকৃতপক্ষে ফেরিঘাটের এ এপ্রোসরোড অস্থায়ী ভাবে নির্মাণ করা হয় । রাস্তাটির প্রকৌশল ডিজাইনেও বাঁশ দিয়ে তৈরির বিষয়টি রয়েছে। এটি একটি অস্হায়ী রাস্তা যা প্রতি দুই তিন মাস অন্তর পরিবর্তিত হয়ে থাকে। প্রচলিত নিয়মও সেটা । বিগত ১৯৬৩ সাল থেকেই এটি একটি প্রচলিত পদ্ধতি হিসেবে স্বীকৃত আছে । এখানেও সেভাবে কাজ করা হয়েছে ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত যেকোনো অভিযোগ সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে এবং প্রয়োজনে তাৎক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষন করেন ।একই সঙ্গে তিনি নির্মাণকাজে গুণগত মান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।

তিনি আরও বলেন, যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, নিরাপদ নৌ-চলাচল এবং সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের যথাযথ বাস্তবায়নে কোনো ধরনের অবহেলা বা অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী দক্ষ, আধুনিক, নিরাপদ ও স্বচ্ছ নৌপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করে যাত্রীসেবা আরও উন্নত, নিরাপদ, আধুনিক ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন। এ সময় বিআইডব্লিউটিএ, বিআইডব্লিউটিসিসহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

হাসপাতালে দালাল চক্রের অপতৎপরতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে ….স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সরকারি হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়ার দালাল চক্রের অপতৎপরতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী

আরও পড়ুন

গুজবে কান নয়, তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশ করুন — ফকির মাহবুব আনাম

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, “ডাক বিভাগকে আরও জনপ্রিয় করার উদ্যোগ চলমান রয়েছে। ‘নগদ’

আরও পড়ুন

বন্দর অবকাঠামো উন্নয়নে কাতার সরকারকে বিনিয়োগের আহ্বান নৌপরিবহন মন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, এমপি-এর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত কাতারের রাষ্ট্রদূত Mr. Seraya Ali Al-Qahtani গতকাল সন্ধ্যায় সচিবালয়ে

আরও পড়ুন

জুলাই শহীদদের গেজেট ও কবর সংরক্ষণে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

মোঃআশরাফুল আলম মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেছেন, জুলাই আন্দোলনের শহীদদের মধ্যে যাঁরা এখনো গেজেটভুক্ত হননি, তাঁদের দ্রুত তালিকাভুক্ত করার কার্যক্রম চলছে। একই সঙ্গে শহীদের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman