Somoy News BD

২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

তারুণ্যের জয়গানে আলোচনায় বাহারুল চৌধুরী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
​জাতীয় নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই নড়াইল কালিয়া উপজেলার গ্রামগঞ্জে বইতে শুরু করেছে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের হাওয়া। বিশেষ করে জয়নগর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে বাহারুল চৌধুরীর নাম এখন মুখে মুখে। তারুণ্যদীপ্ত এই প্রার্থীর প্রচার-প্রচারণা এবং জনসম্পৃক্ততা সাধারণ ভোটারদের মাঝে এক নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।

​এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বাহারুল চৌধুরী বড়দের কাছে স্নেহভাজন,সমবয়সীদের প্রিয় বন্ধু এবং ছোটদের কাছে এক অনুপ্রেরণার নাম। দলবল নির্বিশেষে সকল শ্রেণীর মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছেন। স্থানীয়দের মতে, তার বিনয়ী আচরণ এবং উদার মনোভাব তাকে অন্য প্রার্থীদের চেয়ে আলাদা করেছে।

​চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লা, সর্বত্রই এখন আলোচনার বিষয় বাহারুল চৌধুরীর প্রার্থীতা। গ্রামের সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা এমন একজন প্রতিনিধি চান যিনি বিপদে-আপদে পাশে থাকবেন। তরুণ ভোটারদের মধ্যে বাহারুলের ‘পরিচ্ছন্ন ইমেজ’ একটি শক্তিশালী আস্থার জায়গা তৈরি করেছে।
​একজন সাধারণ ভোটার বলেন,
​আমরা এমন একজন নেতা চাই যিনি আমাদের কথা শুনবেন এবং এলাকার উন্নয়নে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করবেন। সেই দিক থেকে বাহারুল অনেক এগিয়ে আছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ভোটার বলেন, বাহারুল চৌধুরী দীর্ঘ ১০ বছর প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে, গতবার চেয়ারম্যান নির্বাচন করার জোর সিদ্ধান্ত ছিলো। এলাকার মুরব্বিরা তাকে নির্বাচন করতে দেননি এই শর্তে আগামী বার তোমার নির্বাচনে আমরা পূর্ণ সাপোর্ট দিবো। কিন্তু এবারও অনেক প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। আমাদের উচিৎ বাহারুলকে একবার সুযোগ দেওয়া। তাকে আমরা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়। চেয়ারম্যান না হয়েও সুখে দুখে এই নিরহংকার মানুষটি মানুষের সেবায় নিয়োজিত রেখেছে।

​নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়ানোর ফাঁকে কুশল বিনিময়ের সময় নিজের লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন বাহারুল চৌধুরী। কেন তিনি এই গুরুদায়িত্ব নিতে চান— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন- মানবসেবা আমার রক্তে মিশে আছে। এই মাটির সন্তান হিসেবে মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা আমার নৈতিক দায়িত্ব।

নির্বাচিত হতে পারলে জয়নগরকে একটি আধুনিক ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলব।

মাদক নির্মূল, জরাজীর্ণ রাস্তাঘাটের উন্নয়ন এবং বিচার ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই হবে তার মূল লক্ষ্য।

Related Articles

নারী নেতৃত্ব এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে জেবিসিসআই-এর উদ্যোগে ‘জাপান–বাংলাদেশ বিজনেস উইমেন কনফারেন্স’ অনুষ্ঠিত

মোঃ জহিরুল ইসলাম, সিনিয়র রিপোর্টারঃ জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (JBCCI), জেট্রো (JETRO) ঢাকা এবং জাপানিজ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন ইন ঢাকা (JCIAD)-এর সহযোগিতায়

আরও পড়ুন

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘ছোটদের পত্রিকা কানামাছি’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

উৎসবমুখর পরিবেশ ও শিশুনন্দিত আবহে উদযাপিত হলো ছোটদের জনপ্রিয় পত্রিকা ‘কানামাছি’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষ্যে ২৫ জুলাই (শনিবার) বিকেল ৪টায় রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে এক

আরও পড়ুন

গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণ ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

মোঃআশরাফুল আলমঃ বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শোষণমুক্ত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা

আরও পড়ুন

বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনে দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ সকাল ১১ টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনের প্রস্তুতিগ্রহণ ও বিস্তারিত কর্মসূচি প্রণয়নের লক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman