Somoy News BD

১০ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শনিবার
ব্রেকিং নিউজ

তারুণ্যের জয়গানে আলোচনায় বাহারুল চৌধুরী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
​জাতীয় নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই নড়াইল কালিয়া উপজেলার গ্রামগঞ্জে বইতে শুরু করেছে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের হাওয়া। বিশেষ করে জয়নগর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে বাহারুল চৌধুরীর নাম এখন মুখে মুখে। তারুণ্যদীপ্ত এই প্রার্থীর প্রচার-প্রচারণা এবং জনসম্পৃক্ততা সাধারণ ভোটারদের মাঝে এক নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।

​এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বাহারুল চৌধুরী বড়দের কাছে স্নেহভাজন,সমবয়সীদের প্রিয় বন্ধু এবং ছোটদের কাছে এক অনুপ্রেরণার নাম। দলবল নির্বিশেষে সকল শ্রেণীর মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছেন। স্থানীয়দের মতে, তার বিনয়ী আচরণ এবং উদার মনোভাব তাকে অন্য প্রার্থীদের চেয়ে আলাদা করেছে।

​চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লা, সর্বত্রই এখন আলোচনার বিষয় বাহারুল চৌধুরীর প্রার্থীতা। গ্রামের সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা এমন একজন প্রতিনিধি চান যিনি বিপদে-আপদে পাশে থাকবেন। তরুণ ভোটারদের মধ্যে বাহারুলের ‘পরিচ্ছন্ন ইমেজ’ একটি শক্তিশালী আস্থার জায়গা তৈরি করেছে।
​একজন সাধারণ ভোটার বলেন,
​আমরা এমন একজন নেতা চাই যিনি আমাদের কথা শুনবেন এবং এলাকার উন্নয়নে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করবেন। সেই দিক থেকে বাহারুল অনেক এগিয়ে আছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ভোটার বলেন, বাহারুল চৌধুরী দীর্ঘ ১০ বছর প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে, গতবার চেয়ারম্যান নির্বাচন করার জোর সিদ্ধান্ত ছিলো। এলাকার মুরব্বিরা তাকে নির্বাচন করতে দেননি এই শর্তে আগামী বার তোমার নির্বাচনে আমরা পূর্ণ সাপোর্ট দিবো। কিন্তু এবারও অনেক প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। আমাদের উচিৎ বাহারুলকে একবার সুযোগ দেওয়া। তাকে আমরা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়। চেয়ারম্যান না হয়েও সুখে দুখে এই নিরহংকার মানুষটি মানুষের সেবায় নিয়োজিত রেখেছে।
​
​নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়ানোর ফাঁকে কুশল বিনিময়ের সময় নিজের লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন বাহারুল চৌধুরী। কেন তিনি এই গুরুদায়িত্ব নিতে চান— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন- মানবসেবা আমার রক্তে মিশে আছে। এই মাটির সন্তান হিসেবে মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা আমার নৈতিক দায়িত্ব।
​
নির্বাচিত হতে পারলে জয়নগরকে একটি আধুনিক ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলব।

মাদক নির্মূল, জরাজীর্ণ রাস্তাঘাটের উন্নয়ন এবং বিচার ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই হবে তার মূল লক্ষ্য।

Related Articles

নির্মাণাধীন স্থাপনা দখলের চেষ্টা, হামলা ও হত্যার হুমকির অভিযোগ নুরুল হাসানের

নিজস্ব প্রতিবেদক: নির্মাণাধীন স্থাপনা জবরদখলের চেষ্টা, দফায় দফায় হামলা, মিথ্যা মামলা ও হত্যার হুমকির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মো. নুরুল হাসান। বৃহস্পতিবার (৮

আরও পড়ুন

বুটেক্স আইইটি এক্সপো উদ্ভাবনকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা পানিসম্পদ মন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ‎বুটেক্স-আইটিইটি ডাই-কেম এক্সপো উদ্ভাবনকে এগিয়ে নেওয়া, শিল্প ও একাডেমিয়ার মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করা এবং পরবর্তী প্রজন্মের টেক্সটাইল পেশাজীবীদের অনুপ্রাণিত করার প্রত্যাশা করেছেন পানিসম্পদ

আরও পড়ুন

শিক্ষকদের জাতীয়করণ আজ হোক কাল হোক হবেই: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বেসরকারি শিক্ষক ও কর্মচারীদের জাতীয়করণের যৌক্তিক দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন,

আরও পড়ুন

নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গাপুজা অনুষ্ঠিত হবে: ডিএমপি কমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ, বিপিএম সেবা বলেছেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের সময়ের প্রথম হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[২] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[৩][৪] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman