Somoy News BD

২১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। জাতির আত্মপরিচয়, ভাষার মর্যাদা এবং স্বাধীনতার সংগ্রামে ভাষা আন্দোলনের অমর অবদান স্মরণে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালন করা হয়।

নৌপরিবহন, সড়ক ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এমপি’র নেতৃত্বে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তাঁরা ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন এবং তাঁদের আত্মত্যাগকে চিরস্মরণীয় হিসেবে অভিহিত করেন। এ সময় ভাষা শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

এছাড়াও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একুশের প্রথম প্রহরে তিনি তাঁর শৈশবস্মৃতি-জড়িত নিজ এলাকা মোল্লারহাট উপজেলায় নাশুখালী সোসাল ওয়েলফেয়ার মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে নির্মিত শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় তিনি ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাঁদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেন, মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলা ভাষা আমাদের গৌরব ও আত্মপরিচয়ের ভিত্তি। তাঁদের আত্মত্যাগ চিরকাল জাতিকে অনুপ্রাণিত করবে।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এমপি বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে আমরা এক গর্বিত জাতি। রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাকে প্রতিষ্ঠিত করতে জীবনদানের অনন্য দৃষ্টান্ত বিশ্বে বিরল। একুশের চেতনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশকে উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারায় আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

উপস্থিত কর্মকর্তারা বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন বাঙালির আত্মমর্যাদা রক্ষার এক ঐতিহাসিক অধ্যায়, যা পরবর্তীকালে মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের ভিত্তি রচনা করে। মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠায় যে ত্যাগ স্বীকার করা হয়েছিল, তা বিশ্ব ইতিহাসে অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে চির অম্লান হয়ে থাকবে।

তাঁরা আরও বলেন, ভাষা আন্দোলনের চেতনা কেবল আবেগের বিষয় নয়; এটি দায়িত্ব ও অঙ্গীকারের প্রতীক। রাষ্ট্রীয় সেবায় নিয়োজিত প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীর উচিত ভাষা আন্দোলনের আদর্শ ধারণ করে সততা, দক্ষতা ও জনগণের কল্যাণে কাজ করা। দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং জনসেবা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে ভাষা আন্দোলনের প্রেরণা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Related Articles

পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন করলেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ পিলখানাস্থ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন। আজ সকাল ১১টায় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিবি

আরও পড়ুন

তরুণ ছেলে-মেয়েদের চরিত্র গঠন ও শারীরিক বিকাশে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের মূল লক্ষ্য ও

আরও পড়ুন

সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফলভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে আজ বিকেল ৪টায় সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে এক জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের

আরও পড়ুন

সমাজসেবা কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দীকের মৃত্যুতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর শোক

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, নীলফামারীর উপপরিচালক জনাব মোঃ আবু বক্কর সিদ্দীক ১৮জুলাই সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে দিনাজপুরের জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman