Somoy News BD

২১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে বিদায়ী সংবর্ধনায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব, আনসার, বিজিবি, কোস্ট গার্ড সহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ, দায়িত্বশীল ও অনন্য ভূমিকার কারণে জাতীয় নির্বাচন প্রশংসিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)।

উপদেষ্টা আজ পুলিশ সদর দপ্তরে ‘হল অভ ইন্টেগ্রিটি’-তে পুলিশ অধিদপ্তর আয়োজিত বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন।

সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইজিপি বাহারুল আলম বিপিএম। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী এনডিসি, র‌্যাব (এসআইএফ)-এর মহাপরিচালক একেএম শহিদুর রহমান বিপিএম প্রমুখ। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তৃতা করেন পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) আওলাদ হোসেন।

উপদেষ্টা বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬’ বাংলাদেশের নির্বাচনের ইতিহাসে রোল মডেল হয়ে থাকবে যা দেশে-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে। সেজন্য আমি পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। তিনি বলেন, গতকাল অনুষ্ঠিত বিশেষ কেবিনেট বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা জাতীয় নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বশীল ভূমিকার অকুণ্ঠ প্রশংসা করেছেন।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেন, ২০২৪ সালের ০৫ আগস্টের পর পুলিশ যে অবস্থায় নিপতিত হয়েছিলো, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পুলিশের অবস্থান আজ যথেষ্ট সম্মানজনক পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে। উপদেষ্টা সেজন্য সন্তোষ প্রকাশ করেন ও পুলিশের এ সম্মানজনক অবস্থানকে আরো উন্নীত করতে সচেষ্ট হওয়ার জন্য উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান।

অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিয়োগের ক্ষেত্রে কোন দুর্নীতি হয়নি উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সর্বোচ্চ স্বচ্ছতার সঙ্গে এসব নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে যা বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল। তিনি বলেন, এসব নিয়োগের ক্ষেত্রে অন্তত আমার দপ্তর থেকে কোনো ধরনের তদবির করা হয়নি তা হলফ করে বলতে পারি।

উপদেষ্টা এর আগে বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর এবং বিজিবি আয়োজিত বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন। পরে উপদেষ্টা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি অধিদপ্তর আয়োজিত বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

Related Articles

পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন করলেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ পিলখানাস্থ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন। আজ সকাল ১১টায় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিবি

আরও পড়ুন

তরুণ ছেলে-মেয়েদের চরিত্র গঠন ও শারীরিক বিকাশে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের মূল লক্ষ্য ও

আরও পড়ুন

সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফলভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে আজ বিকেল ৪টায় সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে এক জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের

আরও পড়ুন

সমাজসেবা কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দীকের মৃত্যুতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর শোক

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, নীলফামারীর উপপরিচালক জনাব মোঃ আবু বক্কর সিদ্দীক ১৮জুলাই সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে দিনাজপুরের জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman