Somoy News BD

২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , সোমবার
ব্রেকিং নিউজ

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের গণিত ও বিজ্ঞানের উপর জোর দিতে হবে।                      — শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী প্রফেসর এম আমিনুল  ইসলাম বলেছেন, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের গণিত ও বিজ্ঞানের উপর জোর দিতে হবে। গণিত ও  বিজ্ঞানের বিভিন্ন গবেষণায় শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে হবে। তাদেরকে গণিত ও বিজ্ঞান অলিম্পিয়ার্ড প্রতিযোগিতায়  অংশগ্রহণে সুযোগ তৈরি করতে হবে।

আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস-২০২৫ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, সমগ্র পৃথিবীজুড়ে এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে হৈচৈ পড়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উদ্ভাবন ও বহুমাত্রিক প্রয়োগ নিয়ে বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামী দিনে বিশ্বকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য  আমাদের বিশ্বিবদ্যালয়গুলোকে এআই এর উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে। যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর মৌলিক, তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক গবেষণা করে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে গড়ে তোলা যায়।

এম আমিনুল  ইসলাম বলেন, সাম্প্রতিককালে ছাত্রছাত্রীরা বই পড়া থেকে দূরে চলে এসেছে। তারা বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করে অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি ও প্রশ্নের উত্তর প্রদান না করে ছাত্রছাত্রীরা চ্যাট জিপিটির মাধ্যমে অ্যাসাইমেন্ট তৈরি ও প্রশ্নপত্রের উত্তর প্রদানে খুব বেশি  ঝুঁকে পড়েছে। এটা তাদের চিন্তা ও চেতনাকে  নিয়ন্ত্রণ করে ফেলছে। তারা জ্ঞানবিজ্ঞানে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, বর্তমানে এমফিল ও পিএইচডির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটির ভূমিকা ন্যাক্কারজনক। এসব কারণে আমাদের দেশের উচ্চশিক্ষায় ডিগ্রীধারী বেকারের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের দেশের বেশিরভাগ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এবং কয়েকটি উন্নত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো পড়াশুনা হচ্ছে। এইচএসসি পাশ করার পর মেধাবীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যাওয়া  এবং মেধাবীদের কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করা উচিত। কারণ কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করলে দেশে ও বিদেশে চাকরির প্রচুর সুযোগ রয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী বলেন, অসাধারণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে যে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ছাত্রছাত্রীরা চার বছরের অনার্স কোর্সের মধ্যে তিনবছর অনার্স পড়াশুনা এবং একবছর ডিপ্লোমা পড়াশুনা করবে। এক্ষেত্রে তাদের দুটি সার্টিফিকেট দেয়া হবে। একটি হলো অনার্স ও অন্যটি ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট। আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের কর্মেক্ষেত্র তৈরির জন্য কারিগরি ও পলিটেকনিক শিক্ষার উপর গুরুত্বারোপ করতে হবে।

Related Articles

নারী নেতৃত্ব এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে জেবিসিসআই-এর উদ্যোগে ‘জাপান–বাংলাদেশ বিজনেস উইমেন কনফারেন্স’ অনুষ্ঠিত

মোঃ জহিরুল ইসলাম, সিনিয়র রিপোর্টারঃ জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (JBCCI), জেট্রো (JETRO) ঢাকা এবং জাপানিজ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন ইন ঢাকা (JCIAD)-এর সহযোগিতায়

আরও পড়ুন

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘ছোটদের পত্রিকা কানামাছি’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

উৎসবমুখর পরিবেশ ও শিশুনন্দিত আবহে উদযাপিত হলো ছোটদের জনপ্রিয় পত্রিকা ‘কানামাছি’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষ্যে ২৫ জুলাই (শনিবার) বিকেল ৪টায় রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে এক

আরও পড়ুন

গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণ ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

মোঃআশরাফুল আলমঃ বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শোষণমুক্ত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা

আরও পড়ুন

বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনে দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ সকাল ১১ টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনের প্রস্তুতিগ্রহণ ও বিস্তারিত কর্মসূচি প্রণয়নের লক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman