Somoy News BD

৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বৃহস্পতিবার
ব্রেকিং নিউজ

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের গণিত ও বিজ্ঞানের উপর জোর দিতে হবে।                      — শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী প্রফেসর এম আমিনুল  ইসলাম বলেছেন, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের গণিত ও বিজ্ঞানের উপর জোর দিতে হবে। গণিত ও  বিজ্ঞানের বিভিন্ন গবেষণায় শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে হবে। তাদেরকে গণিত ও বিজ্ঞান অলিম্পিয়ার্ড প্রতিযোগিতায়  অংশগ্রহণে সুযোগ তৈরি করতে হবে।

আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস-২০২৫ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, সমগ্র পৃথিবীজুড়ে এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে হৈচৈ পড়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উদ্ভাবন ও বহুমাত্রিক প্রয়োগ নিয়ে বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামী দিনে বিশ্বকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য  আমাদের বিশ্বিবদ্যালয়গুলোকে এআই এর উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে। যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর মৌলিক, তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক গবেষণা করে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে গড়ে তোলা যায়।

এম আমিনুল  ইসলাম বলেন, সাম্প্রতিককালে ছাত্রছাত্রীরা বই পড়া থেকে দূরে চলে এসেছে। তারা বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করে অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি ও প্রশ্নের উত্তর প্রদান না করে ছাত্রছাত্রীরা চ্যাট জিপিটির মাধ্যমে অ্যাসাইমেন্ট তৈরি ও প্রশ্নপত্রের উত্তর প্রদানে খুব বেশি  ঝুঁকে পড়েছে। এটা তাদের চিন্তা ও চেতনাকে  নিয়ন্ত্রণ করে ফেলছে। তারা জ্ঞানবিজ্ঞানে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, বর্তমানে এমফিল ও পিএইচডির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটির ভূমিকা ন্যাক্কারজনক। এসব কারণে আমাদের দেশের উচ্চশিক্ষায় ডিগ্রীধারী বেকারের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের দেশের বেশিরভাগ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এবং কয়েকটি উন্নত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো পড়াশুনা হচ্ছে। এইচএসসি পাশ করার পর মেধাবীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যাওয়া  এবং মেধাবীদের কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করা উচিত। কারণ কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করলে দেশে ও বিদেশে চাকরির প্রচুর সুযোগ রয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী বলেন, অসাধারণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে যে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ছাত্রছাত্রীরা চার বছরের অনার্স কোর্সের মধ্যে তিনবছর অনার্স পড়াশুনা এবং একবছর ডিপ্লোমা পড়াশুনা করবে। এক্ষেত্রে তাদের দুটি সার্টিফিকেট দেয়া হবে। একটি হলো অনার্স ও অন্যটি ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট। আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের কর্মেক্ষেত্র তৈরির জন্য কারিগরি ও পলিটেকনিক শিক্ষার উপর গুরুত্বারোপ করতে হবে।

Related Articles

রপ্তানি বাণিজ্যে বৈচিত্র্য আনতে তৈরি পোশাক শিল্পের মতো অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতেও সমপর্যায়ের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে ——- অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ অর্থ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো বেসরকারি খাতের বিকাশের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

আরও পড়ুন

আরএমটিপি প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৭ লাখ পরিবারের আয় ও জীবিকায় দৃশ্যমান উন্নয়ন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই ভিত্তি প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে পিকেএসএফ-এর রুরাল মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ ট্রান্সফরমেশন প্রজেক্ট (আরএমটিপি)। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আয় বৃদ্ধি, খাদ্য ও পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং

আরও পড়ুন

শ্রম আইন বাস্তবায়নের উপর বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য অনেকাংশে নির্ভরশীল– মার্কিন রাষ্ট্রদূত

নিজস্ব প্রতিবেদঃ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন আজ সকালে সচিবালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট

আরও পড়ুন

এলজিআরডি মন্ত্রীর সঙ্গে বেলারুশের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে আজ ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রীর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত বেলারুশের অনাবাসিক

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman