Somoy News BD

১১ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , বৃহস্পতিবার
ব্রেকিং নিউজ

বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (জেবস) এর উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) বিকেল ৪টায় রাজধানীর তোপখানা রোডের পুরানা পল্টন এশিয়া হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টসে আয়োজিত এই মাহফিলে বিশিষ্ট সাংবাদিক, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও সমাজের নানা স্তরের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহিদুল ইসলাম বলেন, “সাংবাদিকতা শুধু তথ্য পরিবেশনের মাধ্যম নয়, এটি একটি দায়িত্বশীল পেশা যা জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়ন ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে সাংবাদিকদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।”
বক্তারা বলেন, রাষ্ট্রের চারটি মূল স্তম্ভের একটি হচ্ছে গণমাধ্যম। তাই সমাজকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে সাংবাদিকদের নির্ভুল ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের বিকল্প নেই। সৎ ও নৈতিক সাংবাদিকতার মাধ্যমে একটি মানবিক ও সমৃদ্ধশালী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
‎অনুষ্ঠানে দেশ ও জাতির কল্যাণ, মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
‎ইফতার মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (জেবস) এর সভাপতি রিয়াজুর রহমান রিয়াজ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইফতার মাহফিল বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব ও জেবস-এর সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন দরবেশ।
এছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইফতার মাহফিল বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক  অয়ন আহমেদ, ইফতার মাহফিল বাস্তবায়িত কমিটির সদস্য  রুমাজ্জল হোসেন রুবেল ও মোঃ কবির নেওয়াজ।

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এস, এন, মোঃ নজরুল ইসলাম, পিপিএম, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোঃ বেলাল খান, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের ট্রেজারার অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম রেজা, তথ্য মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো: ইউসুফ মিয়া ও মোঃ আবদুল্লাহ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি এ কে এম মহসিন, সাংগঠনিক সম্পাদক এরফানুল হক নাহিদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের কোষাধক্ষ্য খন্দকার আলমগীর হুসাইন, নির্বাহী সদস্য এম মোশাররফ হোসাইন, আব্দুল্লাহ মজুমদার, ফকরুল ইসলাম, সাংবাদিক  জালাল আহমেদ, বাংলাদেশ সিভিল রাইটস সোসাইটির চেয়ারম্যান  সাংবাদিক জাকির হোসেন। ঢাকা ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের ট্রেজারার ওহাব হোসেন চৌধুরী প্রমুখ।

এছাড়া বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক ও সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিকদের মতবিনিময় ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এই ইফতার মাহফিল পেশাদারিত্ব ও মানবিকতার সেতুবন্ধন তৈরি করেছে। ভবিষ্যতেও এমন আয়োজন সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য ও পেশাদারিত্বকে আরও সুসংহত করবে বলে আশা করা যায়।

Related Articles

আগামী নির্বাচনকে ঐতিহাসিক ও স্মরণীয় করে রাখতে হবে: উপজেলা নির্বাহীদের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক: গণঅভ্যুত্থান–পরবর্তী আগামী নির্বাচনকে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এই নির্বাচনকে সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপন করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে কাজ করতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মোঃ মাহফুজ আলম বলেছেন, বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপন করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে কাজ করতে হবে। এর মাধ্যমে চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের

আরও পড়ুন

নারীদের সামনে রেখেই আমাদের নতুন বাংলাদেশ গড়ে উঠুক: প্রধান উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বেগম রোকেয়া দিবস ২০২৫ উদযাপন ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান

আরও পড়ুন

বিজয় দিবসে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং, বিশ্বরেকর্ড গড়ার প্রত্যয় বাংলাদেশের

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে ব্যাপক আকারে বিশেষ বিশেষ কর্মসূচির প্রস্তুতি চলছে। যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালনের জন্যে অন্যান্য আয়োজনের পাশাপাশি এবার

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman