Somoy News BD

২১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

ভারতকে একটি সংবেদনশীল নেতৃত্বে আসতে হবে-শারমিন এস মুরশিদ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, এদেশের ১৮ কোটি মানুষকে অশান্তি করে ভারত যেমন বাঁচতে পারবেনা, তেমনি ভারতও একা চলতে পারবে না। ভারতকে একটি সংবেদনশীল নেতৃত্বে আসতে হবে <span;> তাহলেই ভারতের<span;> সাথে সংকটময় মুহূর্ত কাটিয়ে উঠতে পারবো এবং সুসম্পর্ক বজায় রাখতে পারবো।

তিনি আজ অফিসার্স ক্লাব ঢাকা  মহিলা কমিটি কর্তৃক আয়োজিত ৫-৭ ডিসেম্বর বার্ষিক আনন্দ মেলা ২০২৪ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে মহিলা কমিটির সভানেত্রী সেলিনা  আক্তার পপির সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন অফিসার্স ক্লাবের সম্পাদক এবিএম আব্দুস সাত্তার, ভাইস-চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ রাজেক , মহিলা কমিটির সম্পাদক রুবিন খালেক ও কমিটির সদস্যবৃন্দ।

উপদেষ্টা প্রধান অতিথির বক্তৃতায় অর্থনীতিতে আমাদের মেয়েদের উদ্যোগ প্রশংসনীয় উল্লেখ করে বলেন,  আমাদের দেশে নারী কেন্দ্রিক ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে, এর ফলে ইকনোমিক গ্রোথ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটা দেশের জন্য বড় অর্জন। ক্ষুদ্র এবং মাঝারি ব্যবসা মাধ্যমে আমরা যেন আমাদের এই রাষ্ট্রের সম্ভাবনাকে এগিয়ে নিতে পারি এবং বঞ্চিত মানুষের বেঁচে থাকার অবলম্বনে  সংবেদনশীল সামাজিক ব্যবসা ইকোনোমিক চিন্তা ধারায় একটি সুন্দর সমাজ গড়তে পারি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন,  বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের ফসল এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আমরা। এ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সংস্কারের মাধ্যমে একটি সুন্দর সমাজ তথা দেশ গড়তে বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন ৭১ আমাদের দেশ দিয়েছে, পতাকা দিয়েছে, মাটি দিয়েছে কিন্তু কাঙ্খিত দেশ দেয়নি। ৭১ এর মাথার মুকুট আমরা পদদলিত করেছি। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান দিতে পারিনি, কৃষকদের উন্নয়ন করতে পারিনি বলেই তার পরিণত হচ্ছে ২০২৪ ।

তিনি আরো বলেন দুর্নীতিগ্রস্ত-অগণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের নিষ্ঠুরতার কারণে বাধ্য হয়ে আমাদের ছাত্র-জনতা ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে বিপ্লব ঘটিয়ে এ দেশকে নতুন করে পুনর্জন্ম করেছে । অতীতে যা ঘটে গেছে ১৫ বছরের শাসনামলে যে কাজ করে গিয়েছে, নৈতিকতার দিক থেকে এদেশে গড়ার কাজে নতুন করে ভাবতে হবে , তরুণ প্রজন্মকে সাথে নিয়ে সকলের প্রচেষ্টায় এদেশকে গড়ব এই হোক আমাদের অঙ্গীকার।

পরে তিনি বেলুন উড়িয়ে এ মেলার উদ্বোধন করেন এবং মেলায় অংশ নেওয়া বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।

Related Articles

পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন করলেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ পিলখানাস্থ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন। আজ সকাল ১১টায় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিবি

আরও পড়ুন

তরুণ ছেলে-মেয়েদের চরিত্র গঠন ও শারীরিক বিকাশে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের মূল লক্ষ্য ও

আরও পড়ুন

সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফলভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে আজ বিকেল ৪টায় সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে এক জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের

আরও পড়ুন

সমাজসেবা কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দীকের মৃত্যুতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর শোক

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, নীলফামারীর উপপরিচালক জনাব মোঃ আবু বক্কর সিদ্দীক ১৮জুলাই সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে দিনাজপুরের জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman