Somoy News BD

২১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

যে জাতি সঙ্গীতকে গুরুত্ব দেয়, সে জাতি উন্নত মানসিকতার পরিচয় বহন করে—সংস্কৃতি মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
গান হলো ফুলের মতো। যারা ফুলকে ভালোবাসে না তারা যেকোনো নির্মম অপরাধও করতে পারে। পৃথিবীর বুকে মানুষের ভাষা সৃষ্টির আগেই গানের জন্ম হয়েছে। আজ ২১ জুন বিশ্ব সঙ্গীত দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় আয়োজিত দুই দিনব্যাপী (২১-২২ জুন) ‘সঙ্গীত উৎসব’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এ কথা বলেন।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই মহতি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ্ কানিজ মওলা, স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দীন আহমেদ (রেজাউদ্দীন স্টালিন)। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)-এর আহ্বায়ক জনাব হেলাল খান। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সচিব জনাব মোহাম্মদ জাকির হোসেন। উদ্বোধনী আলোচনা সভা শেষে এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বাদ্যযন্ত্রের সমিল পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী সঙ্গীতের চিরন্তন গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, পাখির কণ্ঠে কণ্ঠে, পাতা পড়ার শব্দে, জল তরঙ্গে কিংবা পর্বত থেকে নেমে আসা ঝর্ণার ধারায় প্রকৃতির মাঝ থেকেই সুর ও মূর্চ্ছনার সৃষ্টি হয়েছে। সঙ্গীত এক দেশ থেকে অন্য দেশে, মানুষ থেকে মানুষের মাঝে নিবিড় বন্ধন তৈরি করে। তিনি আরও বলেন, আমাদের দর্শন, শিল্প, সাহিত্য ও ঐতিহ্যের মাঝে সঙ্গীতকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যে জাতি সঙ্গীতকে যত বেশি গুরুত্ব দেয়, সে জাতি তত বেশি উন্নত মানসিকতার পরিচয় বহন করে। ভাষা ভিন্ন হলেও সুর ও রাগের মূর্চ্ছনা পৃথিবীর সব মানুষ বুঝতে পারে। পরিশেষে তিনি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সকল সঙ্গীতপ্রেমী, কণ্ঠশিল্পী ও যন্ত্রশিল্পীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
উৎসবের প্রথম দিনে দেশ-বিদেশের শীর্ষস্থানীয় যন্ত্রশিল্পী ও সঙ্গীতশিল্পীবৃন্দ একক ও দলীয় পরিবেশনায় অংশ নেন। বেলুন উড়িয়ে উৎসবের শুভ উদ্বোধনের পর আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে বসে মনমুগ্ধকর পরিবেশনা উপভোগ করেন। দুই দিনব্যাপী এই উৎসব আগামী ২২ জুন ২০২৬ তারিখেও চলমান থাকবে।

Related Articles

পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন করলেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ পিলখানাস্থ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন। আজ সকাল ১১টায় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিবি

আরও পড়ুন

তরুণ ছেলে-মেয়েদের চরিত্র গঠন ও শারীরিক বিকাশে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের মূল লক্ষ্য ও

আরও পড়ুন

সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফলভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে আজ বিকেল ৪টায় সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে এক জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের

আরও পড়ুন

সমাজসেবা কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দীকের মৃত্যুতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর শোক

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, নীলফামারীর উপপরিচালক জনাব মোঃ আবু বক্কর সিদ্দীক ১৮জুলাই সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে দিনাজপুরের জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman