Somoy News BD

২১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে …উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার (নবীনগর), প্রতিনিধি:
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, ১৯৭১ সালের চেতনা নিয়ে যে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা সেটি এখনো এ সমাজে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। সেই লক্ষ্য নিয়েই ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের জুলাই বিপ্লব সেই ইতিহাসের ধারাবাহিকতার একটি মাইলফলক। তিনি বলেন, ১৫ বছরের দুঃশাসন এক দুই বছরে শেষ করা যাবে না,পারিবারিক নারী সহিংসতা দুর করতে হবে, সাইবার বুলিং রোধে সাইবার ইউনিট খোলা হয়েছে, নারী ও শিশুদের জন্য বাসযোগ্য নবীনগর গড়তে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেন।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মব জাস্টিসটা কিভাবে তৈরি হয় জানেনতো? মোবাইলটার কারণে, এই সাইবার ক্রাইমকে নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে,সফলতা বিফলতা নয় এটা নতুন একটা সমস্যা,এটাকে নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে তরুণ সমাজকে আইটি সেক্টরে পারদর্শী হতে হবে। অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে উপদেষ্টা বলেন,প্রশাসনের একার পক্ষে সম্ভব নয়, জনসাধারণকে বালুখেকোদের
বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। আর নির্বাচন যদি চান শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করুন।
তিনি আজ তার নিজ গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার নাসিরাবাদ গ্রামে নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বালুখেকোদের কারণে
মেঘনা নদীর ভাঙনে অনেক পরিবার ঘর-বাড়ি, ফসলি জমি ও জীবিকার সহায় সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে। নদী ভাঙ্গনে অন্যতম কারণ নাসিরাবাদ বালু মহালে নিয়মবহির্ভূতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর তীরবর্তী চরলাপাং, মানিকনগর, সাহেবনগরসহ একাধিক গ্রাম শতাধিক খননযন্ত্রের গর্জনে দিনরাত কাঁপছে। ফসলি জমি, মসজিদ, মাদ্রাসা ও শত শত ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পথে। তিনি এসব প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে নির্দেশ প্রদান করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক দিদারুল আলম , বাংলাদেশ হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি(পূর্ব বিভাগ)মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান খাঁন,জেলা পুলিশ সুপার এহতেশামুল হক,এনডিসি আবু মুছা,পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মনজুর রহমান,ইউএনও রাজিব চৌধুরী, নবীনগর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার পিয়াস বসাক, সহকারী কমিশনার (ভূমি ) খালেদ বিন মনসুর,অফিসার ইনর্চাজ শাহিনুর রহমান, প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন শান্তি প্রমূখ।

Related Articles

পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন করলেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ পিলখানাস্থ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন। আজ সকাল ১১টায় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিবি

আরও পড়ুন

তরুণ ছেলে-মেয়েদের চরিত্র গঠন ও শারীরিক বিকাশে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের মূল লক্ষ্য ও

আরও পড়ুন

সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফলভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে আজ বিকেল ৪টায় সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে এক জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের

আরও পড়ুন

সমাজসেবা কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দীকের মৃত্যুতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর শোক

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, নীলফামারীর উপপরিচালক জনাব মোঃ আবু বক্কর সিদ্দীক ১৮জুলাই সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে দিনাজপুরের জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman