Somoy News BD

৫ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , শুক্রবার
ব্রেকিং নিউজ

শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে …উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার (নবীনগর), প্রতিনিধি:
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, ১৯৭১ সালের চেতনা নিয়ে যে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা সেটি এখনো এ সমাজে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। সেই লক্ষ্য নিয়েই ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের জুলাই বিপ্লব সেই ইতিহাসের ধারাবাহিকতার একটি মাইলফলক। তিনি বলেন, ১৫ বছরের দুঃশাসন এক দুই বছরে শেষ করা যাবে না,পারিবারিক নারী সহিংসতা দুর করতে হবে, সাইবার বুলিং রোধে সাইবার ইউনিট খোলা হয়েছে, নারী ও শিশুদের জন্য বাসযোগ্য নবীনগর গড়তে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেন।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মব জাস্টিসটা কিভাবে তৈরি হয় জানেনতো? মোবাইলটার কারণে, এই সাইবার ক্রাইমকে নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে,সফলতা বিফলতা নয় এটা নতুন একটা সমস্যা,এটাকে নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে তরুণ সমাজকে আইটি সেক্টরে পারদর্শী হতে হবে। অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে উপদেষ্টা বলেন,প্রশাসনের একার পক্ষে সম্ভব নয়, জনসাধারণকে বালুখেকোদের
বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। আর নির্বাচন যদি চান শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করুন।
তিনি আজ তার নিজ গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার নাসিরাবাদ গ্রামে নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বালুখেকোদের কারণে
মেঘনা নদীর ভাঙনে অনেক পরিবার ঘর-বাড়ি, ফসলি জমি ও জীবিকার সহায় সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে। নদী ভাঙ্গনে অন্যতম কারণ নাসিরাবাদ বালু মহালে নিয়মবহির্ভূতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর তীরবর্তী চরলাপাং, মানিকনগর, সাহেবনগরসহ একাধিক গ্রাম শতাধিক খননযন্ত্রের গর্জনে দিনরাত কাঁপছে। ফসলি জমি, মসজিদ, মাদ্রাসা ও শত শত ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পথে। তিনি এসব প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে নির্দেশ প্রদান করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক দিদারুল আলম , বাংলাদেশ হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি(পূর্ব বিভাগ)মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান খাঁন,জেলা পুলিশ সুপার এহতেশামুল হক,এনডিসি আবু মুছা,পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মনজুর রহমান,ইউএনও রাজিব চৌধুরী, নবীনগর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার পিয়াস বসাক, সহকারী কমিশনার (ভূমি ) খালেদ বিন মনসুর,অফিসার ইনর্চাজ শাহিনুর রহমান, প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন শান্তি প্রমূখ।

Related Articles

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার, সুরক্ষা ও উন্নয়নে আমাদের সকলকে একসাথে এগিয়ে আসতে হবে –উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ

মোঃআশরাফুল আলমঃ সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ অনুষ্ঠানের শুরুতেই বিজয়ের এ মাসে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মসর্গকারী এবং সকল শহীদদের প্রতি

আরও পড়ুন

আশুলিয়ায় এক শিক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধ ভাবে ধর্ষণ,গ্রেফতার ৪

আল শাহরিয়ার বাবুল খানঃ ঢাকার আশুলিয়ায় এক শিক্ষার্থীকে পিকনিকের কথা বলে ডেকে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে অর্থ আদায়ের অভিযোগে বেসরকারি গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের

আরও পড়ুন

রাজধানীতে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৮তম বছর পূর্তি উদযাপিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) জনাব সুপ্রদীপ চাকমা পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৮তম বছর পূর্তি উপলক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি শুভেচ্ছা ও

আরও পড়ুন

জলবায়ু ঝুঁকি ও বিপদ থেকে নাগরিকদের রক্ষা করতে বাংলাদেশ ‘সকলের জন্য জাতীয় প্রাথমিক সতর্কতা রোডম্যাপ’ এর যাত্রা শুরু করেছে।

মোঃআশরাফুল আলমঃ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় আজ আনুষ্ঠানিকভাবে সকলের জন্য জাতীয় প্রাথমিক সতর্কতা (EW4All) রোডম্যাপ এর যাত্রা শুরু করেছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman