Somoy News BD

২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শনিবার
ব্রেকিং নিউজ

শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে …উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার (নবীনগর), প্রতিনিধি:
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, ১৯৭১ সালের চেতনা নিয়ে যে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা সেটি এখনো এ সমাজে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। সেই লক্ষ্য নিয়েই ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের জুলাই বিপ্লব সেই ইতিহাসের ধারাবাহিকতার একটি মাইলফলক। তিনি বলেন, ১৫ বছরের দুঃশাসন এক দুই বছরে শেষ করা যাবে না,পারিবারিক নারী সহিংসতা দুর করতে হবে, সাইবার বুলিং রোধে সাইবার ইউনিট খোলা হয়েছে, নারী ও শিশুদের জন্য বাসযোগ্য নবীনগর গড়তে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেন।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মব জাস্টিসটা কিভাবে তৈরি হয় জানেনতো? মোবাইলটার কারণে, এই সাইবার ক্রাইমকে নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে,সফলতা বিফলতা নয় এটা নতুন একটা সমস্যা,এটাকে নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে তরুণ সমাজকে আইটি সেক্টরে পারদর্শী হতে হবে। অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে উপদেষ্টা বলেন,প্রশাসনের একার পক্ষে সম্ভব নয়, জনসাধারণকে বালুখেকোদের
বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। আর নির্বাচন যদি চান শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করুন।
তিনি আজ তার নিজ গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার নাসিরাবাদ গ্রামে নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বালুখেকোদের কারণে
মেঘনা নদীর ভাঙনে অনেক পরিবার ঘর-বাড়ি, ফসলি জমি ও জীবিকার সহায় সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে। নদী ভাঙ্গনে অন্যতম কারণ নাসিরাবাদ বালু মহালে নিয়মবহির্ভূতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর তীরবর্তী চরলাপাং, মানিকনগর, সাহেবনগরসহ একাধিক গ্রাম শতাধিক খননযন্ত্রের গর্জনে দিনরাত কাঁপছে। ফসলি জমি, মসজিদ, মাদ্রাসা ও শত শত ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পথে। তিনি এসব প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে নির্দেশ প্রদান করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক দিদারুল আলম , বাংলাদেশ হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি(পূর্ব বিভাগ)মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান খাঁন,জেলা পুলিশ সুপার এহতেশামুল হক,এনডিসি আবু মুছা,পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মনজুর রহমান,ইউএনও রাজিব চৌধুরী, নবীনগর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার পিয়াস বসাক, সহকারী কমিশনার (ভূমি ) খালেদ বিন মনসুর,অফিসার ইনর্চাজ শাহিনুর রহমান, প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন শান্তি প্রমূখ।

Related Articles

আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়া হবে বায়োগ্যাস প্লান্ট: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কক্সবাজার, ২১ অক্টোবর ২০২৬ দেশের জ্বালানি সংকট কার্যকরভাবে মোকাবেলায় টেকসই বায়োগ্যাস প্রযুক্তি প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলায় সিআইডির অভিযানে গ্রেফতার ১

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গত ২০ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাত ১০টা ৩০ মিনিটে সিআইডির একটি চৌকস দল মাদারীপুর জেলার রাজৈর থানাধীন বদরপাশা ইউনিয়নের দুর্গাবর্দী গ্রামে অভিযান চালিয়ে

আরও পড়ুন

প্রকৌশলী সৈয়দ রাশেদুল হাসান কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রকৌশলী সৈয়দ রাশেদুল হাসান (রেজা) ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনীয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)-এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর এ

আরও পড়ুন

সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে হবে: শ্রমমন্ত্রী

মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এ দেশের হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[২] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[৩][৪] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman