Somoy News BD

১০ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শনিবার
ব্রেকিং নিউজ

শুরু হলো বিসিএসআইআর বিজ্ঞান ও শিল্প-প্রযুক্তি মেলা – ২০২৫

মঞ্জুর: বিজ্ঞান ও শিল্প-প্রযুক্তির বিকাশে স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীদের এবং স্ব-শিক্ষিত বিজ্ঞানীদের নিয়ে তিন দিনব্যাপী বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর) বিজ্ঞান ও শিল্পপ্রযুক্তি মেলা সোমবার ২৪শে ফেব্রুয়ারী ২০২৫ পরিষদের ধানমন্ডি ক্যাম্পাসে শুরু হয়েছে ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের এই মিলনমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত সিনিয়র সচিব মো. মোকাব্বির হোসেন। তিনি বলেন, আমি শ্রদ্ধার সাথে ৫২’র ভাষা আন্দোলনের শহীদদের, ৭১’র বীর মুক্তিযোদ্ধাদের এবং ২৪’র বীর সেনানীদের স্মরণ করছি। তিনি উপস্থিত সবাইকে স্মরণ করিয়ে দেন যে, বিসিএসআইআর-ই বাংলাদেশের প্রথম সরকারী গবেষণা প্রতিষ্ঠান। তিনি এখানকার বিজ্ঞানীদের সেই অবস্থান থেকে নিজ নিজ গবেষণায় মানোনিবেশ হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাজী আনোয়ার হোসেন, সদস্য (উন্নয়ন) বিসিএসআইআর ও অতিরিক্ত সচিব, বিজ্ঞানও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। তিনি বলেন, বিসিএসআইআর হলো বহুমাত্রিক গবেষণার পীঠস্থান। আজকের এই বিজ্ঞানমেলায় প্রদর্শিত নতুন নতুন গবেষণাকে আরো বহুমাত্রিক গবেষণার মাধ্যমে উন্নত প্রসেস বা প্যাটেন্ট তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। সভাপতির ভাষণে পরিষদের চেয়ারম্যান ড. সামিনা আহমেদ ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের উদ্দেশে বলেন, তোমরাই আগামী দিনের জাতি গঠনের নেতৃত্ব দিবে। বিজ্ঞানচর্চার মাধ্যমে দেশগঠনের সুযোগ্য নেতৃত্ব সৃষ্টি এবং বিজ্ঞানমনস্ক জাতি গঠনে বিসিএসআইআর বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। আজকের এই বিজ্ঞান
গবেষণা প্রতিষ্ঠান। তিনি এখানকার বিজ্ঞানীদের সেই অবস্থান থেকে নিজ নিজ গবেষণায় মানোনিবেশ হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাজী আনোয়ার হোসেন, সদস্য (উন্নয়ন) বিসিএসআইআর ও অতিরিক্ত সচিব, বিজ্ঞানও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। তিনি বলেন, বিসিএসআইআর হলো বহুমাত্রিক গবেষণার পীঠস্থান। আজকের এই বিজ্ঞানমেলায় প্রদর্শিত নতুন নতুন গবেষণাকে আরো বহুমাত্রিক গবেষণার মাধ্যমে উন্নত প্রসেস বা প্যাটেন্ট তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। সভাপতির ভাষণে পরিষদের চেয়ারম্যান ড. সামিনা আহমেদ ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের উদ্দেশে বলেন, তোমরাই আগামী দিনের জাতি গঠনের নেতৃত্ব দিবে। বিজ্ঞানচর্চার মাধ্যমে দেশগঠনের সুযোগ্য নেতৃত্ব সৃষ্টি এবং বিজ্ঞানমনস্ক জাতি গঠনে বিসিএসআইআর বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। আজকের এই বিজ্ঞান

মোট প্রকল্প ১৫টি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান -১৫টি, অংশগ্রহণকারী- ৬০ জন: গ-গ্রুপ (একাদশ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি) – মোট প্রকল্প ১৮টি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান -১৭টি, অংশগ্রহণকারী-৫৮ জন: ঘ-গ্রুপ (স্ব-শিক্ষিত বিজ্ঞানী) – মোট প্রকল্প ৩টি এবং অংশগ্রহণকারী- ৯ জন: প্রতিষ্ঠান সমূহ ক. বিসিএসআইআর-এর পদ্ধতি/প্রসেস গ্রহণকারী ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের স্টল-৭টি বিজ্ঞান ও শিল্প প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য সরকারী প্রতিষ্ঠানের স্টল- ৪টি

Related Articles

নির্মাণাধীন স্থাপনা দখলের চেষ্টা, হামলা ও হত্যার হুমকির অভিযোগ নুরুল হাসানের

নিজস্ব প্রতিবেদক: নির্মাণাধীন স্থাপনা জবরদখলের চেষ্টা, দফায় দফায় হামলা, মিথ্যা মামলা ও হত্যার হুমকির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মো. নুরুল হাসান। বৃহস্পতিবার (৮

আরও পড়ুন

বুটেক্স আইইটি এক্সপো উদ্ভাবনকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা পানিসম্পদ মন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ‎বুটেক্স-আইটিইটি ডাই-কেম এক্সপো উদ্ভাবনকে এগিয়ে নেওয়া, শিল্প ও একাডেমিয়ার মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করা এবং পরবর্তী প্রজন্মের টেক্সটাইল পেশাজীবীদের অনুপ্রাণিত করার প্রত্যাশা করেছেন পানিসম্পদ

আরও পড়ুন

শিক্ষকদের জাতীয়করণ আজ হোক কাল হোক হবেই: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বেসরকারি শিক্ষক ও কর্মচারীদের জাতীয়করণের যৌক্তিক দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন,

আরও পড়ুন

নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গাপুজা অনুষ্ঠিত হবে: ডিএমপি কমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ, বিপিএম সেবা বলেছেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের সময়ের প্রথম হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[২] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[৩][৪] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman