Somoy News BD

২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , সোমবার
ব্রেকিং নিউজ

সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল ঢাকায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার খোঁজ খবর নিলেন নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. এম সাখাওয়াত হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আহতদের দেখতে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএম এইচ ) যান।

আজ শুক্রবার ( ১৩ ডিসেম্বর)  সন্ধ্যায় উপদেষ্টা  সিএমএইচে চিকিৎসারত আহত শিক্ষার্থীসহ অন্যান্যদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর নেন।
তিনি বিশেষজ্ঞ  চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং আহতদের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে খোঁজ নেন। তিনি আহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন এবং তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

এসময় সিএমএইচের ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি কম্যান্ডেন্ট কর্নেল মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, ট্রমা ম্যানেজমেন্ট সেন্টারের এমওআইসি লে.কর্নেল কাজী সবরান উদ্দিন আহম্মদসহ অন্যান্য বিশেষজ্ঞ  চিকিৎসকগণ উপস্থিত ছিলেন।

হাসপাতাল পরিদর্শনকালে  নৌপরিবহন উপদেষ্টা  বলেন, আমরা জাতি হিসেবে এই আন্দোলনে নিহত ও আহতদের কাছে কৃতজ্ঞ।  অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সরকারি হাসপাতালগুলোতে আহতদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসহ যাবতীয় চিকিৎসা ব্যয় বহন করছে । বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেডিকেটেড কেয়ার ইউনিটে বিশেষ চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। এ সময় উপদেষ্টা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের লক্ষ্যে সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহবান জানান।

তিনি বলেন, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তাদের আত্মত্যাগ ও অবদান সবসময় স্মরণে রাখতে হবে। আহত অনেকের দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে আহতদের  দেশের বাইরেও চিকিৎসার ব্যবস্থা করছে সরকার।  চিকিৎসা প্রদান শেষ হলে তাদের কর্মসংস্থানসহ পুনর্বাসনের বিষয়েও সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে । সরকারের পাশাপাশি সামাজিক,পেশাজীবী সংগঠনসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।  সিএমএইচসহ বিভিন্ন হাসপাতালে আহতদের আন্তরিকতার সঙ্গে চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য নৌপরিবহন উপদেষ্টা  সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের ধন্যবাদ জানান।

উল্লেখ্য, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত হয়ে বর্তমানে ৩৩ জন সম্মিলিত সামরিক  হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

Related Articles

নারী নেতৃত্ব এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে জেবিসিসআই-এর উদ্যোগে ‘জাপান–বাংলাদেশ বিজনেস উইমেন কনফারেন্স’ অনুষ্ঠিত

মোঃ জহিরুল ইসলাম, সিনিয়র রিপোর্টারঃ জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (JBCCI), জেট্রো (JETRO) ঢাকা এবং জাপানিজ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন ইন ঢাকা (JCIAD)-এর সহযোগিতায়

আরও পড়ুন

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘ছোটদের পত্রিকা কানামাছি’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

উৎসবমুখর পরিবেশ ও শিশুনন্দিত আবহে উদযাপিত হলো ছোটদের জনপ্রিয় পত্রিকা ‘কানামাছি’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষ্যে ২৫ জুলাই (শনিবার) বিকেল ৪টায় রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে এক

আরও পড়ুন

গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণ ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

মোঃআশরাফুল আলমঃ বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শোষণমুক্ত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা

আরও পড়ুন

বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনে দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ সকাল ১১ টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনের প্রস্তুতিগ্রহণ ও বিস্তারিত কর্মসূচি প্রণয়নের লক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman