Somoy News BD

২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , সোমবার
ব্রেকিং নিউজ

বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নে জাতীয়তাবাদী মোহাম্মদপুর থানা শ্রমিক দলের কর্মীসভা।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নে মোহাম্মদপুরে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার ৭ ফেব্রুয়ারি বিকেলে মোহাম্মদপুর বসিলা ব্রিজ সংলগ্ন শ্রমিক দলের অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আমিনুল হক,আহবায়ক, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃহাজী ইউসুফ,যুগ্ন আহবায়ক
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি, প্রধান বক্তা হুমায়ুন কবির খান, সাধারণ সম্পাদক
সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন, উদ্বোধক কাজী শাহ আলম  রাজা,প্রধান আলোচক,মনজুরুল ইসলাম  মঞ্জু, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শ্রমিক  দল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি।বিশেষ অতিথি কামরুজ্জামান সদস্য সচিব  ঢাকা মহানগর উত্তর শ্রমিক দল,বিশেষ  অতিথি ফরহাদ হোসেন বুলেট,যুগ্ন আহ্বায়ক  ঢাকা মহানগর উত্তর শ্রমিক দল।সঞ্চালনায় ছিলেন মুসলে উদ্দিন বাবলু
পন্ডিত,যুগ্ম আহবায়ক, ঢাকা মহানগর উত্তর শ্রমিক দল।
অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্বে ছিলেন মোহাম্মদপুর থানা শ্রমিক দলের আহবায়ক মোঃ আলী কায়সার পিন্টু।

শ্রমিক দলের নেতারা বলেন,৩১ দফা বাস্তবায়ন করলেই বাংলাদেশ একটি সুখী সুন্দর সমৃদ্ধশালী একটি উন্নত দেশ হবে।
নেতারা আরো বলেন, আগামীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাত ধরে এ দেশ কে এগিয়ে নিতে হবে। তারেক রহমানের হাত কে আরো শক্তিশালী করতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান করেন। এসময় মোহাম্মদপুর থানা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সারোয়ার সাকিব বলেন, এই শ্রমিক দলের কর্মীরাই দীর্ঘ ১৮ বছর মাঠে ছিলো। আমরা তাদের ভুলি নাই, কখনো কেউ  ভুলবে না। সবাই এক সঙ্গে থেকে আগামী নির্বাচনে বিএনপি কে জয়যুক্ত করে আমরা ঘরে ফিরবো। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে একটি সুন্দর নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতেও আহ্বান করেন করেন নেতারা।

এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদপুর থানা শ্রমিকদলের
সদস্য সচিব হেমায়েদ গাজী। আরো উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদপুর থানা  বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সারোয়ার সাকিব। ছাত্রদলের সভাপতি জুয়েল রাজ। উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক দল নেতা রুহুলআমীন গাজী,মোহাম্মদপুর থানা শ্রমিক দলের সংগাঠনিক সম্পাদক মোঃ
ফারুক, যুগ্ম আহবায়ক আব্দুর রহিম, জাহাঙ্গীর,যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ ফারুক,মোঃ আব্দুল সোবহান শেখ,
নিজাম হাওলাদার, নূর হোসেন অলি,মোঃ বাবু,ওমর মাদবর,মোহাম্মদ ইয়ামিন সহ ৫ টি ওয়ার্ডের শ্রমিক দলের আহবায়ক ও সদস্য সচিব সহ শত শত নেতাকর্মীরা।

Related Articles

নারী নেতৃত্ব এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে জেবিসিসআই-এর উদ্যোগে ‘জাপান–বাংলাদেশ বিজনেস উইমেন কনফারেন্স’ অনুষ্ঠিত

মোঃ জহিরুল ইসলাম, সিনিয়র রিপোর্টারঃ জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (JBCCI), জেট্রো (JETRO) ঢাকা এবং জাপানিজ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন ইন ঢাকা (JCIAD)-এর সহযোগিতায়

আরও পড়ুন

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘ছোটদের পত্রিকা কানামাছি’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

উৎসবমুখর পরিবেশ ও শিশুনন্দিত আবহে উদযাপিত হলো ছোটদের জনপ্রিয় পত্রিকা ‘কানামাছি’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষ্যে ২৫ জুলাই (শনিবার) বিকেল ৪টায় রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে এক

আরও পড়ুন

গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণ ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

মোঃআশরাফুল আলমঃ বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শোষণমুক্ত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা

আরও পড়ুন

বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনে দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ সকাল ১১ টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনের প্রস্তুতিগ্রহণ ও বিস্তারিত কর্মসূচি প্রণয়নের লক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman