Somoy News BD

২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , রবিবার
ব্রেকিং নিউজ

আন্তর্জাতিক ইকোনমিক্স অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশ দল

মঞ্জুর: 

আগামী ২০ থেকে ২৯ জুলাই আজারবাইজানের বাকু শহরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১০ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক ইকোনমিক্স অলিম্পিয়াড (আইইও) ২০২৫। যেখানে বাংলাদেশের হয়ে অংশগ্রহণ করবেন পাঁচ প্রতিযোগী।

বুধবার ১৬ জুলাই ২০২৫ জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ইকোনমিক্স অলিম্পিয়াডের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর মানসুরুল হক বলেন, এ বছর প্রায় সহস্রাধিক প্রতিযোগীদের মধ্যে থেকে মেধার সর্বোচ্চ যাচাই বাছাইয়ের মাধ্যমে সেরা পাঁচজন নির্বাচিত হয়েছে। আমরা আশা করছি তারা প্রতিবছরের মতো এ বছরও আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করবে।  বিশ্বের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বৈশ্বিক অর্থনীতি সম্পর্কে ধারণা তৈরি, অর্থনৈতিক সমস্যার সমাধান ও দক্ষ নেতৃত্ব গঠনের উদ্বুদ্ধ করাসহ অর্থনীতির নানা বিষয়ে নিয়ে এ অলিম্পিয়াড আয়োজন করা হয়।  

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশ ইকোনমিক্স অলিম্পিয়াড ফাউন্ডেশন এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে। বিগত বছরগুলোতে পৃষ্ঠপোষকতায় সিটি ব্যাংক টাইটেল স্পন্সর হিসেবে এবং ঢাকা ব্যাংক ও পূবালী ব্যাংক সহযোগী স্পন্সর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর ২০২৫ সালের জাতীয় দল ও কার্যনির্বাহী কমিটিকে দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন।

এ সময় বাংলাদেশ ইকোনমিক্স অলিম্পিয়াডের চেয়ারম্যান ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ইকোনমিক্স অলিম্পিয়াড শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়, এটি একটি আন্দোলন। এর মাধ্যমে আমরা তরুণ প্রজন্মের মধ্যে অর্থনৈতিক সচেতনতা, দায়িত্বশীল সিদ্ধান্তগ্রহণ এবং নেতৃত্ব গঠনের মূল্যবোধ ছড়িয়ে দিতে চাই।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ইকোনমিক্স অলিম্পিয়াডের প্রেসিডেন্ট আল আমিন পারভেজ বলেন, প্রতিযোগী ছেলের মধ্য থেকে আশা করা যায় বেশ কয়েকজন গোল্ড মেডেল অর্জন করবে। আর তা সত্যি হলে ইকোনমিক্স অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো গোল্ড মেডেল অর্জন করবে। আমরা প্রতিযোগীদের সেভাবেই তৈরি করেছি। এ আশা নিয়েই আমরা এগোচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মানসুরুল হক বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন আনাচে-কানাচে থেকে ধাপে ধাপে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আমরা এ পাঁচজন বিজয়ীকে নির্বাচিত করেছি। তারা হচ্ছে বাংলাদেশের টপ ফাইভ। এ টপ ফাইভ থেকে ইন্টারন্যাশনালি টপ ওয়ানে যাবে, তারা বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করবে। তাদের মাধ্যমে বাংলাদেশ সারা বিশ্বকে দেখিয়ে দিবে, বাংলাদেশও কিছু অর্জন করতে পারে।

Related Articles

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘ছোটদের পত্রিকা কানামাছি’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

উৎসবমুখর পরিবেশ ও শিশুনন্দিত আবহে উদযাপিত হলো ছোটদের জনপ্রিয় পত্রিকা ‘কানামাছি’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষ্যে ২৫ জুলাই (শনিবার) বিকেল ৪টায় রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে এক

আরও পড়ুন

গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণ ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

মোঃআশরাফুল আলমঃ বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শোষণমুক্ত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা

আরও পড়ুন

বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনে দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ সকাল ১১ টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনের প্রস্তুতিগ্রহণ ও বিস্তারিত কর্মসূচি প্রণয়নের লক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন

নারীর ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড,মোঃরফিকুল ইসলাম

গৌরনদী উপজেলার ছোট্ট একটি গ্রামের নাম বাটাজোর। নদীর কাছাকাছি মাটির ঘরে থাকত পারুল আখতার। তার স্বামী রহিম মিয়া দিনমজুর। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাঠে-ঘাটে কাজ

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman