Somoy News BD

৩১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শুক্রবার
ব্রেকিং নিউজ

ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার – প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণাই সকল সম্প্রীতির ভিত্তিভূমি তথ্যমন্ত্রী

বরিশাল, ১৬ শ্রাবণ (প্রতিনিধি):
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার – মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণা বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিভূমি। ধর্মীয় পরিচয় নয়, বাংলাদেশি পরিচয়ই আমাদের সর্বজনীন পরিচয়। ধর্ম, বর্ণ কিংবা সম্প্রদায়ের বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে দেশপ্রেম ও জাতীয় স্বার্থকে ধারণ করেই একটি অসাম্প্রদায়িক, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকাল ১০টায় বরিশাল শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, বরিশাল জেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, কিছু গোষ্ঠী ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে চায়। তারা ধর্মের পবিত্র অনুভূতিকে রাজনৈতিক ও ব্যক্তিস্বার্থে কাজে লাগিয়ে সমাজে বিভাজন, বিদ্বেষ ও অস্থিরতা সৃষ্টি করার অপচেষ্টা চালায়। এ ধরনের অপতৎপরতা শুধু ধর্মের মর্যাদাকেই ক্ষুণ্ন করে না, বরং জাতীয় ঐক্য ও সামাজিক সম্প্রীতিকেও দুর্বল করে।

তিনি বলেন, ধর্ম কখনো বিভাজনের শিক্ষা দেয় না। সব ধর্মই মানবতা, শান্তি, সহমর্মিতা ও নৈতিকতার শিক্ষা দেয়। যারা ধর্মের নামে বিদ্বেষ ছড়ায় কিংবা জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদকে উৎসাহিত করে, তারা প্রকৃতপক্ষে ধর্মের আদর্শের পরিপন্থী কাজ করে।

মন্ত্রী বলেন, অতীতে জাতীয় পরিচয়ের প্রশ্নে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। আজও স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় সংহতি রক্ষার স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। পাহাড়, সমতল, ধর্ম, বর্ণ বা জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে বাংলাদেশের ৫৬ হাজার বর্গমাইলের এই ভূখণ্ডে কোনো ধরনের বিভাজনের রাজনীতি স্থান পেতে পারে না। প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ – যে কোনো ষড়যন্ত্র সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রধর্ম কিংবা ধর্মীয় মূল্যবোধের অপব্যাখ্যা দিয়ে যদি কেউ মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে চায়, তবে তা মানবতা ও সৃষ্টিকর্তার আদর্শের বিরোধী। প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করবেন, পাশাপাশি অন্য সব ধর্মাবলম্বীর প্রতি সমান শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সৌহার্দ্য প্রদর্শন করবেন। এটাই বাংলাদেশের ঐতিহ্য, এটাই আমাদের জাতীয় সংস্কৃতি।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাংবাদিক বাসুদেব ধরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন, জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আলম ফরিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ বরিশাল জেলা সভাপতি শ্রী মুকুল চন্দ্র মুখার্জী, বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সন্তোষ শর্মা এবং বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি শ্রী মানিক মুখার্জী কুডু। অনুষ্ঠানে সনাতন ধর্মাবলম্বী সুধীজন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে আনা ৬৫ লাখ টাকা মূল্যের বিদেশি সিগারেট চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে আটক

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের একটি দল হযরত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রামে অভিযান পরিচালনা করে শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে আনা

আরও পড়ুন

বিশ্ব মানবপাচার বিরোধী দিবসের জাতীয় সংলাপে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মানবপাচার এবং প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের হাত থেকে দেশের নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি

আরও পড়ুন

হাসপাতালে দালাল চক্রের অপতৎপরতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে ….স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সরকারি হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়ার দালাল চক্রের অপতৎপরতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী

আরও পড়ুন

গুজবে কান নয়, তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশ করুন — ফকির মাহবুব আনাম

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, “ডাক বিভাগকে আরও জনপ্রিয় করার উদ্যোগ চলমান রয়েছে। ‘নগদ’

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman