Somoy News BD

৪ঠা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গঠনে কাজ করার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সারদা (রাজশাহী)ঃ
সেবার মানসিকতা নিয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গঠনে কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মন্ত্রী আজ দুপুরে রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির চ্যামনি মেমোরিয়াল হলে আয়োজিত ২৭তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের (১ম পর্যায়) সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, বিগত সময়ে গুম, নিখোঁজ, বিচারবহির্ভূত নিপীড়ন ও রাজনৈতিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যাওয়া প্রতিটি অভিজ্ঞতাকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার শিক্ষা হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। তিনি বলেন, যেকোনো মূল্যে বিচারহীনতার সংস্কৃতি দূর করে আইনের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে সমাজে আর কখনো কোনো নাগরিককে অতীতের মতো নির্যাতনের শিকার হতে না হয়।

বিশ্ববরেণ্য অহিংস নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার ২৭ বছরের দীর্ঘ জেলজীবন ও অমানুষিক নির্যাতনের স্মৃতি স্মরণ করিয়ে দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ম্যান্ডেলা যেভাবে কোনো প্রতিশোধ না নিয়ে সবাইকে নিয়ে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠন করেছিলেন, ঠিক তেমনি আমাদেরও যেকোনো মূল্যে প্রতিশোধের রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে হবে। গত ৫-৬ মাসে দেশের কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে কাস্টডিয়াল ডেথ, গুম বা অযাচিত পারসিকিউশনের কোনো রেকর্ড নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেবল রুটিন অপারেশনাল কার্যক্রম ও রাইট অব প্রাইভেট ডিফেন্সের আওতায় যতটুকু বলপ্রয়োগ প্রয়োজন তা ছাড়া পুলিশ কোনো অন্যায় পদক্ষেপ নেয়নি। তবে অপরাধীরা যেন স্বাধীনতা না পায় সে বিষয়ে কঠোর সজাগ থাকার নির্দেশ দেন তিনি।

দক্ষ ও দূরদর্শী পুলিশ প্রশাসন গড়ার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, শুধু ভালো ফল করাই যথেষ্ট নয়; যদি মনমানসিকতার পরিবর্তন না ঘটে তবে বাস্তবিক জীবনে সাধারণ জনগণ যথাযথ সেবা থেকে বঞ্চিত হয়। তিনি প্রবেশনারদের বয়স ও সাকুল্যে চাকরির মেয়াদের সীমাবদ্ধতার বিষয়টি বিবেচনা করে তাদের জন্য ন্যায়সঙ্গত সুযোগ-সুবিধার নিশ্চয়তা প্রদান করা হবে বলে আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপাল (অ্যাডিশনাল আইজিপি) জি এম আজিজুর রহমান। স্বাগত বক্তৃতা করেন একাডেমির অ্যাডিশনাল ডিআইজি আবদুল আজিজ।

অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী নবীন কর্মকর্তাবৃন্দ ছাড়াও বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানেই উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর টেকসই জীবিকা নিশ্চিত হবে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকা সুরক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা ও জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির অন্যতম কার্যকর ও টেকসই উপায় বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ

আরও পড়ুন

সারাদেশে নিরাপদ পর্যটন নিশ্চিতে সকলের এগিয়ে আসার আহ্বান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ সকাল ১১ টায় বাংলাদেশ পর্যটন ভবনে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড ক্রত্রিক প্রস্তাবিত মানিকগঞ্জ জেলা ভিত্তিক পর্যটন সার্কিট গঠন উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা শীর্ষক প্রস্তাবিত

আরও পড়ুন

শিশুদের সুস্বাস্থ্যে মায়ের দুধের বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শিশুদের সুস্বাস্থ্যের জন্য মায়ের বুকের দুধের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। আজ শনিবার (১

আরও পড়ুন

ওয়ার্ল্ড মিডিয়া পারফরমেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৬

মোঃ জহিরুল ইসলাম সিনিয়র রিপোর্টার যারা অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন সমাজসেবা মোঃ বাবুল হোসেন বাবু রেমিটেন্স যোদ্ধা নুর আহমদ জুয়েল চিকিৎসা সেবা ডাঃ ফারজানা খানম তরুণ উদ্যোক্তা

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman