Somoy News BD

২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , সোমবার
ব্রেকিং নিউজ

নার্সদের কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি 

মঞ্জুর: এক দফা দাবি আদায় না হলে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে কর্মবিরতিতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি সংস্কার পরিষদ।

মঙ্গলবার ২৪ সেপ্টেম্বর দুপুর ৪ ঘটিকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে এক দফা দাবি আদায়ে সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন সংগঠনের আহ্বায়ক ড. মো. শরিফুল ইসলাম।

তিনি বলেন, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদফতর ও কাউন্সিলের দায়িত্বশীল পদগুলোতে থেকে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা অব্যাহতভাবে নার্স ও মিডওয়াইফদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে আসছেন। এছাড়া নার্স-মিডওয়াইফরা মাঝে মাঝেই ওই কর্মকর্তাদের দ্বারা কটাক্ষের স্বীকার হন। নার্সিং বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকার কারণে এই কর্মকর্তারা প্রায়ই নার্সদের উচ্চশিক্ষা নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও অবজ্ঞা করে থাকেন।’
ড. মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘গত ৮ সেপ্টেম্বর একজন বদলি প্রার্থী নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদফতরের মহাপরিচালক মাকসুরা নূরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি নার্সদের পেশা এবং তাদের চাকরি সম্পর্কে কটূক্তি করেন। নার্সদের দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদা দেওয়া ভুল হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘মাকসুরা নূরের এই মন্তব্যে দেশের নার্স ও মিডওয়াইফরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। পরে সর্বস্তরের নার্স ও মিডওয়াইফদের প্রতিনিধিত্বে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি সংস্কার পরিষদ গঠন করা হয়। ওই পরিষদ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদফতর এবং বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল থেকে প্রশাসন ক্যাডারদের প্রত্যাহার করে নার্স ও মিডওয়াইফদের পদায়নের লক্ষ্যে এক দফা দাবি আদায়ে ৯ সেপ্টেম্বর থেকে আন্দোলন করে আসছে।’

নার্স ও মিডওয়াইফরা উল্লিখিত কর্মসূচি পালন করলেও সরকারের পক্ষ থেকে যৌক্তিক এক দফা দাবি সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।’

সর্বাত্মক কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের এক দফা দাবি হলো, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদফতর এবং বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিলে প্রশাসন ক্যাডার কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার করে অনতিবিলম্বে উচ্চশিক্ষিত, দক্ষ, অভিজ্ঞ ও যোগ্য নার্সদের মধ্য থেকে মহাপরিচালক, পরিচালক পদ ও কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ও রেজিস্টার পদে পদায়নের অনুরোধ জানাচ্ছি। এই দাবি আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে বাস্তবায়ন না করা হলে সারা দেশে নার্স ও মিডওয়াইফরা সর্বাত্মক কর্মবিরতি দিতে বাধ্য হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন– নার্সিং ও মিডওয়াইফারি সংস্কার পরিষদের সদস্য সচিব ড. মোহাম্মদ নুরুল আনোয়ার, ড. মো. মফিজুল্লাহ, বাংলাদেশ ডিপ্লোমা স্টুডেন্ট নার্সেস ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতি এবি শক্তি সহ প্রায় শতাধিক নার্স।

Related Articles

নারী নেতৃত্ব এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে জেবিসিসআই-এর উদ্যোগে ‘জাপান–বাংলাদেশ বিজনেস উইমেন কনফারেন্স’ অনুষ্ঠিত

মোঃ জহিরুল ইসলাম, সিনিয়র রিপোর্টারঃ জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (JBCCI), জেট্রো (JETRO) ঢাকা এবং জাপানিজ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন ইন ঢাকা (JCIAD)-এর সহযোগিতায়

আরও পড়ুন

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘ছোটদের পত্রিকা কানামাছি’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

উৎসবমুখর পরিবেশ ও শিশুনন্দিত আবহে উদযাপিত হলো ছোটদের জনপ্রিয় পত্রিকা ‘কানামাছি’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষ্যে ২৫ জুলাই (শনিবার) বিকেল ৪টায় রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে এক

আরও পড়ুন

গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণ ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

মোঃআশরাফুল আলমঃ বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শোষণমুক্ত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা

আরও পড়ুন

বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনে দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ সকাল ১১ টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনের প্রস্তুতিগ্রহণ ও বিস্তারিত কর্মসূচি প্রণয়নের লক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman