Somoy News BD

২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

হোমিও চিকিৎসকদের ডাঃ পদবি ব্যবহারে সরকারি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি

মঞ্জুর:

হোমিওপ্যাথিক স্বার্থ সংরক্ষণ জাতীয় কমিটি মঙ্গলবার ২রা সেপ্টেম্বর ২০২৫  জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ১০ আগস্ট স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের চিকিৎসা শিক্ষা-২ শাখা থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রিধারী ছাড়া হোমিওপ্যাথি, আয়ুর্বেদিক ও ইউনানী চিকিৎসকদের নামের আগে ডাঃ পদবি ব্যবহার না করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এই নির্দেশনা জাতীয় সংসদে পাস হওয়া বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শিক্ষা আইন-২০২৩ এর পরিপন্থি এবং বিভ্রান্তিকর। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, আহ্বায়ক ডাঃ মোঃ আরিফুর রহমান মোল্লা। তিনি বলেন, আইনের ধারা ২(১৩) অনুযায়ী হোমিও চিকিৎসকদের নামের আগে  ডাঃ পদবি ব্যবহারের বৈধ অনুমোদন রয়েছে। এছাড়া একই আইনের ৩ নং ধারায় স্পষ্ট বলা আছে, অন্য কোনো আইনে যা কিছুই থাকুক, হোমিওপ্যাথি আইনের বিধান প্রাধান্য পাবে। তিনি বলেন, হাইকোর্টের রায়ের ভিত্তিতে যে যুক্তি দেখানো হয়েছে তা বিভ্রান্তিকর। কারণ ওই রায় বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবে বহু দেশে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা আইনত ডাঃ পদবি ব্যবহার করে আসছেন। সংবাদ সম্মেলনে ছয় দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হচ্ছে—  ১০ আগস্টের নির্দেশনা প্রত্যাহার এবং হোমিও চিকিৎসকদের নামের আগে ডাঃ লেখা নিয়ে হয়রানি বন্ধ করতে হবে; হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শিক্ষা আইন-২০২৩ দ্রুত কার্যকর ও শিক্ষা কাউন্সিল গঠন করতে হবে; বেসরকারি হোমিও মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে কর্মরতদের জাতীয় বেতন
স্কেল অনুযায়ী শতভাগ বেতন-ভাতা দিতে হবে; বিদেশ থেকে মানসম্মত ওষুধ আমদানির ক্ষেত্রে জটিলতা দূরী করতে হবে; জাতীয় পর্যায়ে গবেষণাগার স্থাপন ও সরকারি কলেজে গবেষণা কেন্দ্রের জনবল বাড়াতে হবে এবং প্রকল্পভুক্ত হোমিও চিকিৎসকদের পদ রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করতে হবে। কমিটির সদস্য সচিব  ডাঃ শফিকুল আলম নাদিম বলেন, জাতীয় স্বাস্থ্যসেবায় দেশের প্রায় ৩০ শতাংশ রোগীর চিকিৎসা দেন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকরা। অথচ বারবার এ চিকিৎসা পদ্ধতিকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সরকারের উচিত আইন মেনে আমাদের অধিকার নিশ্চিত করা।সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন-ডাঃ মোঃ নজরুল ইসলাম ভূইয়া, ডাঃ মুজিব উল্লাহ মুজিব, প্রফেসর ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিন শেখ, ডাঃ খলিলুর রহমান, ডাঃ কাশিমুর রহমান, ডাঃ আশরাফুর রহমান, ডাঃ শাহজালাল আহম্মেদ, ডাঃ বেলায়েত, ডাঃ জিয়াউর রহমান প্রমুখ।

Related Articles

নারী নেতৃত্ব এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে জেবিসিসআই-এর উদ্যোগে ‘জাপান–বাংলাদেশ বিজনেস উইমেন কনফারেন্স’ অনুষ্ঠিত

মোঃ জহিরুল ইসলাম, সিনিয়র রিপোর্টারঃ জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (JBCCI), জেট্রো (JETRO) ঢাকা এবং জাপানিজ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন ইন ঢাকা (JCIAD)-এর সহযোগিতায়

আরও পড়ুন

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘ছোটদের পত্রিকা কানামাছি’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

উৎসবমুখর পরিবেশ ও শিশুনন্দিত আবহে উদযাপিত হলো ছোটদের জনপ্রিয় পত্রিকা ‘কানামাছি’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষ্যে ২৫ জুলাই (শনিবার) বিকেল ৪টায় রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে এক

আরও পড়ুন

গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণ ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

মোঃআশরাফুল আলমঃ বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শোষণমুক্ত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা

আরও পড়ুন

বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনে দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ সকাল ১১ টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনের প্রস্তুতিগ্রহণ ও বিস্তারিত কর্মসূচি প্রণয়নের লক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman