Somoy News BD

১১ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , বৃহস্পতিবার
ব্রেকিং নিউজ

হোমিও চিকিৎসকদের ডাঃ পদবি ব্যবহারে সরকারি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি

মঞ্জুর:

হোমিওপ্যাথিক স্বার্থ সংরক্ষণ জাতীয় কমিটি মঙ্গলবার ২রা সেপ্টেম্বর ২০২৫  জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ১০ আগস্ট স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের চিকিৎসা শিক্ষা-২ শাখা থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রিধারী ছাড়া হোমিওপ্যাথি, আয়ুর্বেদিক ও ইউনানী চিকিৎসকদের নামের আগে ডাঃ পদবি ব্যবহার না করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এই নির্দেশনা জাতীয় সংসদে পাস হওয়া বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শিক্ষা আইন-২০২৩ এর পরিপন্থি এবং বিভ্রান্তিকর। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, আহ্বায়ক ডাঃ মোঃ আরিফুর রহমান মোল্লা। তিনি বলেন, আইনের ধারা ২(১৩) অনুযায়ী হোমিও চিকিৎসকদের নামের আগে  ডাঃ পদবি ব্যবহারের বৈধ অনুমোদন রয়েছে। এছাড়া একই আইনের ৩ নং ধারায় স্পষ্ট বলা আছে, অন্য কোনো আইনে যা কিছুই থাকুক, হোমিওপ্যাথি আইনের বিধান প্রাধান্য পাবে। তিনি বলেন, হাইকোর্টের রায়ের ভিত্তিতে যে যুক্তি দেখানো হয়েছে তা বিভ্রান্তিকর। কারণ ওই রায় বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবে বহু দেশে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা আইনত ডাঃ পদবি ব্যবহার করে আসছেন। সংবাদ সম্মেলনে ছয় দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হচ্ছে—  ১০ আগস্টের নির্দেশনা প্রত্যাহার এবং হোমিও চিকিৎসকদের নামের আগে ডাঃ লেখা নিয়ে হয়রানি বন্ধ করতে হবে; হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শিক্ষা আইন-২০২৩ দ্রুত কার্যকর ও শিক্ষা কাউন্সিল গঠন করতে হবে; বেসরকারি হোমিও মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে কর্মরতদের জাতীয় বেতন
স্কেল অনুযায়ী শতভাগ বেতন-ভাতা দিতে হবে; বিদেশ থেকে মানসম্মত ওষুধ আমদানির ক্ষেত্রে জটিলতা দূরী করতে হবে; জাতীয় পর্যায়ে গবেষণাগার স্থাপন ও সরকারি কলেজে গবেষণা কেন্দ্রের জনবল বাড়াতে হবে এবং প্রকল্পভুক্ত হোমিও চিকিৎসকদের পদ রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করতে হবে। কমিটির সদস্য সচিব  ডাঃ শফিকুল আলম নাদিম বলেন, জাতীয় স্বাস্থ্যসেবায় দেশের প্রায় ৩০ শতাংশ রোগীর চিকিৎসা দেন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকরা। অথচ বারবার এ চিকিৎসা পদ্ধতিকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সরকারের উচিত আইন মেনে আমাদের অধিকার নিশ্চিত করা।সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন-ডাঃ মোঃ নজরুল ইসলাম ভূইয়া, ডাঃ মুজিব উল্লাহ মুজিব, প্রফেসর ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিন শেখ, ডাঃ খলিলুর রহমান, ডাঃ কাশিমুর রহমান, ডাঃ আশরাফুর রহমান, ডাঃ শাহজালাল আহম্মেদ, ডাঃ বেলায়েত, ডাঃ জিয়াউর রহমান প্রমুখ।

Related Articles

আগামী নির্বাচনকে ঐতিহাসিক ও স্মরণীয় করে রাখতে হবে: উপজেলা নির্বাহীদের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক: গণঅভ্যুত্থান–পরবর্তী আগামী নির্বাচনকে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এই নির্বাচনকে সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপন করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে কাজ করতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মোঃ মাহফুজ আলম বলেছেন, বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপন করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে কাজ করতে হবে। এর মাধ্যমে চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের

আরও পড়ুন

নারীদের সামনে রেখেই আমাদের নতুন বাংলাদেশ গড়ে উঠুক: প্রধান উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বেগম রোকেয়া দিবস ২০২৫ উদযাপন ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান

আরও পড়ুন

বিজয় দিবসে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং, বিশ্বরেকর্ড গড়ার প্রত্যয় বাংলাদেশের

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে ব্যাপক আকারে বিশেষ বিশেষ কর্মসূচির প্রস্তুতি চলছে। যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালনের জন্যে অন্যান্য আয়োজনের পাশাপাশি এবার

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman