Somoy News BD

২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শনিবার
ব্রেকিং নিউজ

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সাথে ইউনেস্কো প্রতিনিধির নেতৃত্বে জাতিসংঘের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক-এর সাথে আজ সচিবালয়স্থ তাঁর অফিস কক্ষে ইউনেস্কো (UNESCO) বাংলাদেশ প্রতিনিধি প্রধান সুজান ভাইজ (Susan Vize) এর নেতৃত্বে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।এই প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন UNDP-এর ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ Sonali Dayaratne, UNWomen-এর পার্টনারসিপ এনালিস্ট Syeda Samara Mortada, UNFPA-এর টেকনিকাল অফিসার Habibur Rahman এবং ILO-এর কান্ট্রি অফিসার Gunjan B. Dallakoti। অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এই বৈঠকে বাংলাদেশের যুব উন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্ট নীতিমালা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকের শুরুতেই প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত Youth Voice Mechanism (YVM) প্রকল্পের কার্যক্রম এবং এর বাস্তবায়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোকপাত করা হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের তরুণদের কণ্ঠস্বরকে জাতীয় পর্যায়ে পৌঁছে দিতে এই প্রকল্পের গুরুত্ব তুলে ধরেন প্রতিনিধিরা। একই সাথে বর্তমান সময়ের চাহিদা অনুযায়ী জাতীয় যুব নীতি এবং যুব উদ্যোক্তা নীতিমালার কৌশলগত অগ্রাধিকারসমূহ নির্ধারণের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করা হয় এবং এ বিষয়ে সরকারের সহযোগিতা কামনা করা হয়।
সাক্ষাৎকালে প্রতিমন্ত্রী ও প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন। বিশেষ করে সমাজের সকল স্তরের তরুণদের অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ এবং তাদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে দুই পক্ষ কীভাবে একসাথে কাজ করতে পারে, সেই বিষয়গুলো আলোচনায় প্রাধান্য পায়। এছাড়া ভবিষ্যতে দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সম্ভাব্য অগ্রাধিকারমূলক ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করার বিষয়েও প্রাথমিক আলোচনা সম্পন্ন হয়।
বৈঠক শেষে প্রতিনিধি দল আশা প্রকাশ করেন যে, এই আলোচনার মাধ্যমে চলমান যুব উন্নয়ন কার্যক্রমগুলো আরও গতিশীল হবে। সরকারের সাথে জাতিসংঘের এই সমন্বয় বাংলাদেশের তরুণদের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এবং আধুনিক ও কার্যকর যুব নীতি প্রণয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক প্রতিনিধি দলের প্রস্তাবনাগুলোকে সাধুবাদ জানান এবং বাংলাদেশের যুব সমাজের সার্বিক কল্যাণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।

Related Articles

জাতীয় চা দিবস-২০২৬: বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সম্মাননা পেল দেশের শীর্ষ চা বাগান ও প্রতিষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের চা শিল্পে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় চা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শীর্ষ চা বাগান, প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা

আরও পড়ুন

টেকসই কালচারাল ট্যুরিজম বিকাশে শ্রীমঙ্গলে তিন দিনব্যাপী ‘হারমোনি ফেস্টিভ্যাল’ এর উদ্বোধন করলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ শ্রীমঙ্গল সংলগ্ন এলাকার নৃ-গোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী খাবার, পণ্য ও বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি নিয়ে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী বর্ণিল হারমোনি ফেস্টিভ্যাল। ফুলছড়া চা বাগান মাঠ,

আরও পড়ুন

জাতীয় নাট্যশালায় দুই দিনব্যাপী ‘সার্কাস ও যাত্রাপালা মানোন্নয়ন কর্মশালা’-এর সমাপ্তি: অশ্লীলতা বর্জন করে সুস্থ সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার প্রত্যয়

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশের লোকসংস্কৃতি, ঐতিহ্যবাহী সার্কাস ও লোকনাট্যের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ যাত্রাশিল্পকে সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পুনরুজ্জীবিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী। আজ রাজধানীর

আরও পড়ুন

বিজ্ঞানীদের মৌলিক গবেষণায় আত্মনিয়োগ করতে হবে —-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, দেশকে এগিয়ে নিতে বিজ্ঞানীদের সত্যিকার অর্থে মৌলিক গবেষণায় আত্মনিয়োগ করতে হবে। গবেষকদের প্রমাণ

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman