Somoy News BD

৫ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , শুক্রবার
ব্রেকিং নিউজ

বাংলাদেশি মিডিয়া প্রতিনিধিদলের কুনমিং হাসপাতাল পরিদর্শন

চীনের ইউনান প্রদেশের কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশি নাগরিকদের চিকিৎসার জন্য চীনে আসার সময় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার একদল বাংলাদেশি সাংবাদিক কুনমিং মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির ফার্স্ট অ্যাফিলিয়েটেড হাসপাতাল পরিদর্শনকালে প্রদেশের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং স্থানীয় সরকারি হাসপাতালের প্রধানদের সাথে মতবিনিময় করেন।

ইউনান প্রদেশের স্বাস্থ্য কমিশনের ডেপুটি ডিরেক্টর ওয়াং জিয়ানকুন বলেন, *”আমরা বাংলাদেশি রোগীদের সহায়তা করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। আমাদের সরকার এবং ঢাকায় অবস্থিত দূতাবাস স্বাস্থ্যখেত্রে সহযোগিতা জোরদার করতে বাংলাদেশ সরকারের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছে।”*

চীন সরকার বাংলাদেশ-চীন কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে ২৩ সদস্যের এই মিডিয়া প্রতিনিধিদলকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদারের নেতৃত্বে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদল চীনা কর্মকর্তাদের সাথে দুই ঘণ্টাব্যাপী এক আলোচনায় অংশ নেন।

এসময় কুনমিং মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির ফার্স্ট অ্যাফিলিয়েটেড হাসপাতালের প্রেসিডেন্ট জেং ঝিং, মেডিক্যাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর জি হংবিন এবং ইন্টারন্যাশনাল মেডিক্যাল ডিপার্টমেন্টের ডিরেক্টর হান রুইসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনায় ভাষাগত বাধা, রোগীর সহযাত্রীদের থাকার ব্যবস্থা, ভ্রমণ খরচ, বাংলাদেশি ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার, লিয়াজোঁ অফিস, ফলো-আপ চিকিৎসা ও বিলিং প্রক্রিয়া এবং মৃতদেহ বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর উচ্চ খরচসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন চীনা কর্মকর্তারা।

ওয়াং জিয়ানকুন বলেন, *”বাংলাদেশি রোগীদের সমস্যাগুলো আমরা জানি এবং তা সমাধানের চেষ্টা করছি।”*

বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলের নেতা আজাদ মজুমদার চীনা কর্তৃপক্ষের কাছে আরও বেশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে চীনের মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান, যাতে তারা ভাষাগত বাধা দূর করতে বাংলাদেশি রোগীদের সহায়তা করতে পারেন।

তিনি বলেন, *”আমরা চীনা কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা আশা করছি, যাতে আরও বেশি বাংলাদেশি রোগী চিকিৎসার জন্য চীনে আসতে পারেন।”*

কুনমিং মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির ফার্স্ট অ্যাফিলিয়েটেড হাসপাতালের কর্মকর্তারা জানান, গত ছয় মাসে ৬৭ জন বাংলাদেশি রোগী লিভার সিরোসিস, ব্রেস্ট ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা নিয়েছেন।

চীনের স্থানীয় পররাষ্ট্র দফতরের আয়োজিত এক নৈশভোজে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলকে সম্মাননা জানানো হয় এবং চিকিৎসার জন্য আগত বাংলাদেশি রোগীদের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়।

শুক্রবার কুনমিংয়ের আরও কয়েকটি হাসপাতাল পরিদর্শন করবেন বাংলাদেশি মিডিয়া প্রতিনিধিরা।

Related Articles

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার, সুরক্ষা ও উন্নয়নে আমাদের সকলকে একসাথে এগিয়ে আসতে হবে –উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ

মোঃআশরাফুল আলমঃ সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ অনুষ্ঠানের শুরুতেই বিজয়ের এ মাসে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মসর্গকারী এবং সকল শহীদদের প্রতি

আরও পড়ুন

আশুলিয়ায় এক শিক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধ ভাবে ধর্ষণ,গ্রেফতার ৪

আল শাহরিয়ার বাবুল খানঃ ঢাকার আশুলিয়ায় এক শিক্ষার্থীকে পিকনিকের কথা বলে ডেকে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে অর্থ আদায়ের অভিযোগে বেসরকারি গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের

আরও পড়ুন

রাজধানীতে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৮তম বছর পূর্তি উদযাপিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) জনাব সুপ্রদীপ চাকমা পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৮তম বছর পূর্তি উপলক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি শুভেচ্ছা ও

আরও পড়ুন

জলবায়ু ঝুঁকি ও বিপদ থেকে নাগরিকদের রক্ষা করতে বাংলাদেশ ‘সকলের জন্য জাতীয় প্রাথমিক সতর্কতা রোডম্যাপ’ এর যাত্রা শুরু করেছে।

মোঃআশরাফুল আলমঃ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় আজ আনুষ্ঠানিকভাবে সকলের জন্য জাতীয় প্রাথমিক সতর্কতা (EW4All) রোডম্যাপ এর যাত্রা শুরু করেছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman