Somoy News BD

৯ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , রবিবার
ব্রেকিং নিউজ

বাংলাদেশি মিডিয়া প্রতিনিধিদলের কুনমিং হাসপাতাল পরিদর্শন

চীনের ইউনান প্রদেশের কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশি নাগরিকদের চিকিৎসার জন্য চীনে আসার সময় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার একদল বাংলাদেশি সাংবাদিক কুনমিং মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির ফার্স্ট অ্যাফিলিয়েটেড হাসপাতাল পরিদর্শনকালে প্রদেশের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং স্থানীয় সরকারি হাসপাতালের প্রধানদের সাথে মতবিনিময় করেন।

ইউনান প্রদেশের স্বাস্থ্য কমিশনের ডেপুটি ডিরেক্টর ওয়াং জিয়ানকুন বলেন, *”আমরা বাংলাদেশি রোগীদের সহায়তা করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। আমাদের সরকার এবং ঢাকায় অবস্থিত দূতাবাস স্বাস্থ্যখেত্রে সহযোগিতা জোরদার করতে বাংলাদেশ সরকারের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছে।”*

চীন সরকার বাংলাদেশ-চীন কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে ২৩ সদস্যের এই মিডিয়া প্রতিনিধিদলকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদারের নেতৃত্বে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদল চীনা কর্মকর্তাদের সাথে দুই ঘণ্টাব্যাপী এক আলোচনায় অংশ নেন।

এসময় কুনমিং মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির ফার্স্ট অ্যাফিলিয়েটেড হাসপাতালের প্রেসিডেন্ট জেং ঝিং, মেডিক্যাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর জি হংবিন এবং ইন্টারন্যাশনাল মেডিক্যাল ডিপার্টমেন্টের ডিরেক্টর হান রুইসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনায় ভাষাগত বাধা, রোগীর সহযাত্রীদের থাকার ব্যবস্থা, ভ্রমণ খরচ, বাংলাদেশি ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার, লিয়াজোঁ অফিস, ফলো-আপ চিকিৎসা ও বিলিং প্রক্রিয়া এবং মৃতদেহ বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর উচ্চ খরচসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন চীনা কর্মকর্তারা।

ওয়াং জিয়ানকুন বলেন, *”বাংলাদেশি রোগীদের সমস্যাগুলো আমরা জানি এবং তা সমাধানের চেষ্টা করছি।”*

বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলের নেতা আজাদ মজুমদার চীনা কর্তৃপক্ষের কাছে আরও বেশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে চীনের মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান, যাতে তারা ভাষাগত বাধা দূর করতে বাংলাদেশি রোগীদের সহায়তা করতে পারেন।

তিনি বলেন, *”আমরা চীনা কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা আশা করছি, যাতে আরও বেশি বাংলাদেশি রোগী চিকিৎসার জন্য চীনে আসতে পারেন।”*

কুনমিং মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির ফার্স্ট অ্যাফিলিয়েটেড হাসপাতালের কর্মকর্তারা জানান, গত ছয় মাসে ৬৭ জন বাংলাদেশি রোগী লিভার সিরোসিস, ব্রেস্ট ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা নিয়েছেন।

চীনের স্থানীয় পররাষ্ট্র দফতরের আয়োজিত এক নৈশভোজে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলকে সম্মাননা জানানো হয় এবং চিকিৎসার জন্য আগত বাংলাদেশি রোগীদের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়।

শুক্রবার কুনমিংয়ের আরও কয়েকটি হাসপাতাল পরিদর্শন করবেন বাংলাদেশি মিডিয়া প্রতিনিধিরা।

Related Articles

ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলেই সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল সমস্যার সমাধান হবে —আমীর, ইসলামী সমাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, গণতন্ত্রসহ মানব রচিত সকল ব্যবস্থা ইসলামবিরোধী মতবাদ তথা জাহিলিয়্যাত। মানব রচিত ব্যবস্থার ভিত্তিতে প্রণীত সকল

আরও পড়ুন

বিলকিস বেগমের সংবাদ সম্মেলন

মঞ্জুর: শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় স্বামী হত্যার বিচার দাবি, আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি, মিথ্যা মামলায় হয়রানি এবং বাড়িঘরছাড়া করার প্রতিবাদে

আরও পড়ুন

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন— পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি। তিনি বলেন, আধুনিক বাংলাদেশের

আরও পড়ুন

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে শাহবাগস্থ জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আজ বুধবার সকাল ৬টা ১ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহান শহীদদের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman