Somoy News BD

১৯শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

জাতীয় চিড়িয়াখানায় আকস্মিক পরিদর্শনে প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানায় আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি।

আজ সকাল ১১ ঘটিকায় তিনি চিড়িয়াখানায় প্রবেশ করেন। এ সময় তিনি সাধারণ দর্শনার্থীর মতো নিজেই টিকিট কেটে ভেতরে ঢোকেন।

প্রায় দুই ঘণ্টা অবস্থানকালে প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন প্রাণীর খাঁচা, প্রাণী চিকিৎসা কেন্দ্র ও ওষুধ সংরক্ষণাগার পরিদর্শন করেন। প্রথমে প্রাণী পুষ্টি শাখায় গিয়ে প্রাণীদের খাবারের মান ও পরিমাণ যাচাই করেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে প্রাণীদের খাদ্য, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক পরিচর্যার বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিল চিড়িয়াখানার পরিবেশ, ব্যবস্থাপনা ও কোনো ধরনের ত্রুটি রয়েছে কি না তা সরেজমিনে দেখা। এ সময় তিনি দর্শনার্থীদের সঙ্গেও কথা বলেন এবং তাদের সমস্যা ও প্রত্যাশার বিষয়ে জানতে চান।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাজধানী ও আশপাশের জেলা থেকে আসা হাজারো দর্শনার্থীর ভিড়ে চিড়িয়াখানা ছিল মুখর। প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রদর্শনী এলাকায় ছিল উপচে পড়া ভিড়। পরিবার-পরিজন ও শিশুদের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বেদখল হওয়া চিড়িয়াখানার প্রায় ৭ একর জমি দ্রুত পুনরুদ্ধারের নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে পাবলিক টয়লেট বৃদ্ধি, দর্শনার্থীদের বসার স্থান সম্প্রসারণ, রাস্তাঘাট মেরামত, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং পশুপাখির সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, বর্তমান বাজেটের মধ্যেই দৃশ্যমান উন্নয়ন কাজ শুরু করতে হবে।

আকস্মিক পরিদর্শন সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, চিড়িয়াখানায় কোনো ধরনের অব্যবস্থাপনা রয়েছে কি না তা দেখতেই তিনি হঠাৎ করে এসেছেন। তিনি বলেন, ‘কাউকে না জানিয়ে এখানে এসেছি, যাতে প্রকৃত অবস্থা বোঝা যায়। পরিচ্ছন্নতা, বসার ব্যবস্থা ও দর্শনার্থীদের সুবিধা বাড়াতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নতুন কিছু প্রাণী আনার পরিকল্পনাও রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, প্রাণীদের খাদ্য সরবরাহ সন্তোষজনক হলেও দর্শনার্থীরা আরও উন্নত পরিবেশ প্রত্যাশা করেন। সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চিড়িয়াখানাকে আরও সংগঠিতভাবে পরিচালনা করতে হবে, এটি একটি সম্ভাবনাময় প্রকল্প। সঠিক পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা গেলে নিয়ে এটিকে লাভজনক ও দর্শনার্থীবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা সম্ভব।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. আবুবকর সরকার, চিড়িয়াখানার পরিচালক ড. মোহাম্মাদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার, চিড়িয়াখানার কিউরেটর ডা. মো. আতিকুর রহমান সহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ভিত্তিক ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ এর উদ্বোধন: পর্যায়ক্রমে দেশের সকল মহাসড়কে চালু করার ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মহাসড়কে নিরাপত্তা ও ট্রাফিক শৃঙ্খলা নিশ্চিতকরণ, দুর্ঘটনা হ্রাস এবং ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত, কার্যকর ও স্বচ্ছ প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে

আরও পড়ুন

চীনের প্রযুক্তি ও একাডেমিক সহযোগিতায় বস্ত্র ও পাট খাতের আধুনিকায়নে নতুন সম্ভাবনা : বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশের বস্ত্র ও পাট খাতকে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর, উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদনকারী এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক শিল্পে রূপান্তরের লক্ষ্যে চীনের প্রযুক্তি ও একাডেমিক সহযোগিতা কাজে লাগানো

আরও পড়ুন

মৎস্য উৎপাদনে মান নিশ্চিত করে রপ্তানি বাড়াতে হবে —- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, বিশ্বে এখন খাদ্যের অভাবের চেয়ে নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্যের চাহিদাই বড় হয়ে দেখা

আরও পড়ুন

পরিবেশবান্ধব ব্লকের ব্যবহার ক্রমান্নয়ে বৃদ্ধি করা হবে- পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পরিবেশবান্ধব ব্লকের ব্যবহার ক্রমান্নয়ে বৃদ্ধি করা হবে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি। পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রীর ব্যবহার

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman