Somoy News BD

২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , সোমবার
ব্রেকিং নিউজ

ইসলামী সমাজের মানববন্ধন: ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি হামলার নিন্দা ও ইসলামী বিধান প্রতিষ্ঠার দাবি

মঞ্জুরঃ
‘ইসলামী সমাজ’-এর আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের বর্বরোচিত হামলা ও নৃশংস গণহত্যাকে চরম মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি জাতিসংঘ, ওআইসি ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাকে অবিলম্বে এই ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

মানববন্ধন ও বক্তব্য
বুধবার সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘ইসলামী সমাজ’-এর ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-২-এর দায়িত্বশীল মুহাম্মদ ইয়াছিনের সঞ্চালনায় এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে আল কুরআন-বিরোধী সংবিধান থেকে দেশ ও জাতিকে মুক্ত করতে এবং সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলামী আইন প্রতিষ্ঠার কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, *”বর্তমানে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব দেশে ইসলামের পরিবর্তে গণতন্ত্র, রাজতন্ত্র বা সমাজতন্ত্রের মতো মানবরচিত ব্যবস্থা চালু রয়েছে। এগুলোর কারণেই মানুষ হিংস্রতা ও পাশবিকতায় নিমজ্জিত হচ্ছে, যা ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের হামলায় স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।”* তিনি আরও যোগ করেন, *”হত্যা, ধর্ষণ, মাদক, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের মতো অপরাধ বৃদ্ধির মূল কারণ হলো আল্লাহর বিধান বাদ দিয়ে মানবরচিত ব্যবস্থা চালু করা। ইসলামী আইনই একমাত্র সমাধান।”*

গণতন্ত্রের সমালোচনা ও ইসলামী সমাজের দর্শন
তিনি গণতন্ত্রকে আল কুরআন-বিরোধী ব্যবস্থা আখ্যা দিয়ে বলেন, *”গণতন্ত্রের কারণে বাংলাদেশে সামাজিক বৈষম্য ও রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। শুধুমাত্র ইসলামী আইন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই শান্তি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব।”* তিনি ‘ইসলামী সমাজ’-এর লক্ষ্য তুলে ধরে বলেন, *”আমরা আল্লাহর সার্বভৌমত্ব ও রাসূল (সা.)-এর পদ্ধতিতে ইসলামী সমাজ গঠনের জন্য কাজ করছি। এজন্য সকল মানবরচিত ব্যবস্থার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে।”*

**অন্যান্য বক্তারা ও মিছিল**
মানববন্ধনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লা, সোলায়মান কবীর, আমীর হোসাইন, আবু বকর সিদ্দিক, আজমুল হক, মো. নুরুদ্দিন, মুহাম্মাদ আলী জিন্নাহ্, সেলিম মোল্লা, আসাদুজ্জামান বুলবুল, সাইফুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান ও আবু জাফর মো. সালেহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি হামলা ও বিশ্বব্যাপী মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রতিবাদে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি প্রেসক্লাব থেকে শুরু হয়ে দৈনিক বাংলার মোড় ঘুরে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

Related Articles

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগাতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং

আরও পড়ুন

অপরাধমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ক্রাইম রিপোর্টারদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ অপরাধমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ক্রাইম রিপোর্টারদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স

আরও পড়ুন

সঠিক ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠা ও সমঅধিকারভিত্তিক সমাজ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সমাজে সঠিক ও ইতিবাচক ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। রাজনীতি,

আরও পড়ুন

মিরপুর বিভাগের অভিযানে গ্রেফতার ১১৭

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের অপরাধপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ১১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মিরপুর বিভাগ

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman