Somoy News BD

১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শুক্রবার
ব্রেকিং নিউজ

ইসলামী সমাজের মানববন্ধন: ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি হামলার নিন্দা ও ইসলামী বিধান প্রতিষ্ঠার দাবি

মঞ্জুরঃ
‘ইসলামী সমাজ’-এর আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের বর্বরোচিত হামলা ও নৃশংস গণহত্যাকে চরম মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি জাতিসংঘ, ওআইসি ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাকে অবিলম্বে এই ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

মানববন্ধন ও বক্তব্য
বুধবার সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘ইসলামী সমাজ’-এর ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-২-এর দায়িত্বশীল মুহাম্মদ ইয়াছিনের সঞ্চালনায় এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে আল কুরআন-বিরোধী সংবিধান থেকে দেশ ও জাতিকে মুক্ত করতে এবং সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলামী আইন প্রতিষ্ঠার কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, *”বর্তমানে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব দেশে ইসলামের পরিবর্তে গণতন্ত্র, রাজতন্ত্র বা সমাজতন্ত্রের মতো মানবরচিত ব্যবস্থা চালু রয়েছে। এগুলোর কারণেই মানুষ হিংস্রতা ও পাশবিকতায় নিমজ্জিত হচ্ছে, যা ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের হামলায় স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।”* তিনি আরও যোগ করেন, *”হত্যা, ধর্ষণ, মাদক, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের মতো অপরাধ বৃদ্ধির মূল কারণ হলো আল্লাহর বিধান বাদ দিয়ে মানবরচিত ব্যবস্থা চালু করা। ইসলামী আইনই একমাত্র সমাধান।”*

গণতন্ত্রের সমালোচনা ও ইসলামী সমাজের দর্শন
তিনি গণতন্ত্রকে আল কুরআন-বিরোধী ব্যবস্থা আখ্যা দিয়ে বলেন, *”গণতন্ত্রের কারণে বাংলাদেশে সামাজিক বৈষম্য ও রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। শুধুমাত্র ইসলামী আইন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই শান্তি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব।”* তিনি ‘ইসলামী সমাজ’-এর লক্ষ্য তুলে ধরে বলেন, *”আমরা আল্লাহর সার্বভৌমত্ব ও রাসূল (সা.)-এর পদ্ধতিতে ইসলামী সমাজ গঠনের জন্য কাজ করছি। এজন্য সকল মানবরচিত ব্যবস্থার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে।”*

**অন্যান্য বক্তারা ও মিছিল**
মানববন্ধনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লা, সোলায়মান কবীর, আমীর হোসাইন, আবু বকর সিদ্দিক, আজমুল হক, মো. নুরুদ্দিন, মুহাম্মাদ আলী জিন্নাহ্, সেলিম মোল্লা, আসাদুজ্জামান বুলবুল, সাইফুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান ও আবু জাফর মো. সালেহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি হামলা ও বিশ্বব্যাপী মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রতিবাদে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি প্রেসক্লাব থেকে শুরু হয়ে দৈনিক বাংলার মোড় ঘুরে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

Related Articles

আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে চায় সরকার”: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নিয়ে আসতে সরকার কাজ করছে। আত্মহত্যা প্রতিরোধে শুধু সরকারি

আরও পড়ুন

হংকংয়ের সঙ্গে বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি, বাড়বে বিনিয়োগের সম্ভাবনা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও সুরক্ষায় ‘ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন অ্যান্ড প্রোটেকশন এগ্রিমেন্ট (IPPA)’ চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। হংকংয়ে অনুষ্ঠিত ১১তম ‘বেল্ট অ্যান্ড

আরও পড়ুন

মাদক নির্মূল ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর বার্তা দিলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মাদক নির্মূল, কিশোর গ্যাং দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং ঢাকা জেলার আইনশৃঙ্খলা ও অন্যান্য

আরও পড়ুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চতুর্থ বৈঠক অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চতুর্থ বৈঠক কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন এর সভাপতিত্বে আজ জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman