মঞ্জুরঃ
‘ইসলামী সমাজ’-এর আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের বর্বরোচিত হামলা ও নৃশংস গণহত্যাকে চরম মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি জাতিসংঘ, ওআইসি ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাকে অবিলম্বে এই ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
মানববন্ধন ও বক্তব্য
বুধবার সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘ইসলামী সমাজ’-এর ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-২-এর দায়িত্বশীল মুহাম্মদ ইয়াছিনের সঞ্চালনায় এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে আল কুরআন-বিরোধী সংবিধান থেকে দেশ ও জাতিকে মুক্ত করতে এবং সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলামী আইন প্রতিষ্ঠার কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, *”বর্তমানে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব দেশে ইসলামের পরিবর্তে গণতন্ত্র, রাজতন্ত্র বা সমাজতন্ত্রের মতো মানবরচিত ব্যবস্থা চালু রয়েছে। এগুলোর কারণেই মানুষ হিংস্রতা ও পাশবিকতায় নিমজ্জিত হচ্ছে, যা ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের হামলায় স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।”* তিনি আরও যোগ করেন, *”হত্যা, ধর্ষণ, মাদক, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের মতো অপরাধ বৃদ্ধির মূল কারণ হলো আল্লাহর বিধান বাদ দিয়ে মানবরচিত ব্যবস্থা চালু করা। ইসলামী আইনই একমাত্র সমাধান।”*
গণতন্ত্রের সমালোচনা ও ইসলামী সমাজের দর্শন
তিনি গণতন্ত্রকে আল কুরআন-বিরোধী ব্যবস্থা আখ্যা দিয়ে বলেন, *”গণতন্ত্রের কারণে বাংলাদেশে সামাজিক বৈষম্য ও রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। শুধুমাত্র ইসলামী আইন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই শান্তি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব।”* তিনি ‘ইসলামী সমাজ’-এর লক্ষ্য তুলে ধরে বলেন, *”আমরা আল্লাহর সার্বভৌমত্ব ও রাসূল (সা.)-এর পদ্ধতিতে ইসলামী সমাজ গঠনের জন্য কাজ করছি। এজন্য সকল মানবরচিত ব্যবস্থার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে।”*
**অন্যান্য বক্তারা ও মিছিল**
মানববন্ধনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লা, সোলায়মান কবীর, আমীর হোসাইন, আবু বকর সিদ্দিক, আজমুল হক, মো. নুরুদ্দিন, মুহাম্মাদ আলী জিন্নাহ্, সেলিম মোল্লা, আসাদুজ্জামান বুলবুল, সাইফুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান ও আবু জাফর মো. সালেহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি হামলা ও বিশ্বব্যাপী মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রতিবাদে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি প্রেসক্লাব থেকে শুরু হয়ে দৈনিক বাংলার মোড় ঘুরে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।













