Somoy News BD

৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

জলাতঙ্ক রোগ নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে -মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, জলাতঙ্ক রোগ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই, বরং সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। কুকুর বা বিড়ালের কামড় ও আচড়ের মাধ্যমে এ রোগের সংক্রমণ ঘটে। তাই আতঙ্কিত না হয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে এবং রোগ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

উপদেষ্টা আজ সকালে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি)-তে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, মাস ডগ ভ্যাকসিনেশন প্রোগ্রাম, শেল্টার ও রেসকিউ সেন্টার, এনিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাক্ট ২০১৯ এবং মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করতে হবে। পাশাপাশি কুকুরের প্রতি আমাদের মানসিকতা ও আচরণেও পরিবর্তন এবং এদের প্রতি মানবিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, জলাতঙ্কের শেষ পর্যায়ের আগে বেশ কিছু উপসর্গ দেখা দেয়। কিন্তু আমরা সাধারণত কুকুর বা বিড়ালের আচড়কে গুরুত্ব দিই না। শুধু কামড় দিলে অথবা আচড়ে ক্ষত সৃষ্টি হলে চিকিৎসার কথা চিন্তা করি। অথচ এসব ক্ষেত্রে দেরি না করে শুরুতেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা প্রদান করেন অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. বয়জার রহমান। অনুষ্ঠানের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রাণিসম্পদ ঔষধাগারের পরিচালক ডা. মো. শাহিনুর আলম। তিনি তার প্রবন্ধ উপস্থাপনায় বলেন, বিশ্বের ১৫০টি দেশে জলাতঙ্ক রোগ বিস্তৃত রয়েছে। এই রোগে বিশ্বে প্রতিবছর প্রায় ৫৯ হাজার মানুষ মারা যায় আর এ রোগে বিশ্ব আর্থিকভাবে ৮.৬ বিলিয়ন ডলার ক্ষতির সম্মুখীন হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ড. মো. আবু সুফিয়ান বলেন, মানব স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কুকুরের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে হবে। এ মুহূর্তে রোগ নিয়ে গবেষণা করাও দরকার। আমাদের প্রাণিদের প্রতি আরো মানবিক হতে হবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
ডা. মো. আবু জাফর, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক, আইইডিসিআর-এর পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরীন, এসিআই এগ্রি বিজনেস ডিভিশনের প্রেসিডেন্ট ড. ফ হ আনসারী। অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে বক্তৃতা করেন অভয়ারণ্য-বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা রুবাইয়া আহমেদের, পিপল ফর অ্যানিমেল অয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান স্থপতি রকিবুল হক এমিল, কেন্দ্রীয় ভেটেরিনারি হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. আজিজ আল মামুন প্রমুখ।

উল্লেখ্য,বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস উপলক্ষে “জলাতঙ্ক নির্মূলে কাজ করি সবাই মিলে” এই স্লোগানকে সামনে নিয়ে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক আজ সকাল ৯.০০ টায় এক বর্ণাঢ্য র‍্যালির আয়োজন করা হয়।

Related Articles

সড়ক নিরাপত্তায় ব্যয়ের সুফল নিশ্চিত করতে হবে: শেখ রবিউল আলম

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সড়ক নিরাপত্তায় বিপুল অর্থ ব্যয় করা হলেও নেওয়া প্রকল্পগুলোর সুফল কতটা পাওয়া যাচ্ছে, তা মূল্যায়নের আহ্বান জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেল এবং

আরও পড়ুন

মতিঝিল বিভাগের অভিযানে গ্রেফতার ৭৫

মোহাম্মদ আব্দুল গাফফারঃ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগ বিভিন্ন থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মোট ৭৫ জনকে গ্রেফতার

আরও পড়ুন

পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে নেপালের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত H.E. Mr. Ghanshyam Bhandari সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। আজ (রবিবার)

আরও পড়ুন

মহাখালী টার্মিনালের অপেক্ষমাণ বাস পূর্বাচল ডিপোতে স্থানান্তরে ডিএমপি ট্রাফিকের অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকায় দীর্ঘসময় অপেক্ষমাণ অবস্থায় থাকা বাসগুলো পূর্বাচলের অস্থায়ী বাস ডিপোতে স্থানান্তরে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি)

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman