Somoy News BD

২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সমন্বিত উদ্যোগ ও কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তিন দিনব্যাপী টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) বিষয়ক জাতীয় অনুষ্ঠান/সম্মেলন সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে। সমাপনী অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে SDG বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, নাগরিক সমাজ, উন্নয়ন সহযোগী এবং সাধারণ জনগণের সমন্বিত অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়নের মূল কেন্দ্র পরিবার। একটি পরিবারের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, সামাজিক নিরাপত্তা ও জীবনযাত্রার মানের উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলে সামগ্রিকভাবে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। তাই SDG বাস্তবায়নের প্রতিটি পর্যায়ে সাধারণ মানুষের প্রয়োজন ও জীবনমানের উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ SDG অর্জনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। তবে বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ বাস্তবতার পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উন্নয়ন পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন কৌশলে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনতে হবে। শুধু লক্ষ্য নির্ধারণ করলেই হবে না; নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনে সঠিক তথ্য, কার্যকর পরিকল্পনা, পর্যাপ্ত অর্থায়ন এবং বাস্তবায়নের কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, SDG অর্জন শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়। জাতীয় উন্নয়নের এই বৃহৎ লক্ষ্য অর্জনে সরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় সরকার, বেসরকারি খাত, এনজিও, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, উন্নয়ন সহযোগী ও নাগরিক সমাজকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

সমাপনী বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহ, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী, বিশেষজ্ঞ, গবেষক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, এই অনুষ্ঠানে যে আলোচনা, সুপারিশ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় হয়েছে, তা SDG বাস্তবায়নের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা জনাব ইসমাইল জবিউল্লাহ , পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জনাব জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি, সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য জনাব মঞ্জুর হোসেন, প্রধান মন্ত্রীর এসডিজি মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এসএম আবদুল আউয়াল উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

বাংলাদেশ–ইউনান সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, বাণিজ্য ছাড়িয়েছে ১৩০ কোটি ইউয়ান

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ চীনের ইউনান প্রদেশের সঙ্গে শিক্ষা, সংস্কৃতি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। আজ ইউনান প্রাদেশিক পররাষ্ট্রবিষয়ক দপ্তরের (ইউনান

আরও পড়ুন

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগাতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং

আরও পড়ুন

অপরাধমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ক্রাইম রিপোর্টারদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ অপরাধমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ক্রাইম রিপোর্টারদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স

আরও পড়ুন

সঠিক ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠা ও সমঅধিকারভিত্তিক সমাজ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সমাজে সঠিক ও ইতিবাচক ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। রাজনীতি,

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman