Somoy News BD

২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

পোশাক শিল্পের ভ্যালু চেইনের সাথে যুক্ত অপ্রাতিষ্ঠানিক গৃহভিত্তিক নারী শ্রমিকদের বর্তমান অবস্থা: ভবিষ্যৎ করণীয়” শীর্ষক সংলাপ অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
ঢাকা, ২৩ জুন ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
আজ ঢাকার দ্যা ডেইলি স্টার কার্যালয়ের আজিমুর রহমান কনফারেন্স হলে “পোশাক শিল্পের ভ্যালু চেইনের সাথে যুক্ত অপ্রাতিষ্ঠানিক গৃহভিত্তিক নারী শ্রমিকদের বর্তমান অবস্থা: ভবিষ্যৎ করণীয়” শীর্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, “বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬-এর বর্তমান সংশোধনীতে তৈরি পোশাক শিল্পের ভ্যালু চেইনে কর্মরত সাব-কন্ট্রাক্টিং, পিস-রেট, গৃহভিত্তিকসহ সকল শ্রমিককে অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমাদের লক্ষ্য সকল সেক্টরের শ্রমিকদের জন্য শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “সাড়ে সাত কোটি শ্রমিকের অংশ এই ভ্যালু চেইনের ভালনারেবল শ্রমিকদের সোশ্যাল প্রোটেকশন নিশ্চিত করা হবে। ট্রেড ইউনিয়নগুলোরকে এই ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমিকদের সংগঠিত করতে জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস) এর নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সংলাপে তিনি বলেন, “হোমবেজড ওয়ার্কারদের ন্যায্য মজুরি ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর (DIFE)-এ একটি বিশেষ হেল্প ডেস্ক প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন তিনি, যেখানে সিএসও ও ট্রেড ইউনিয়ন প্রতিনিধিরা সপ্তাহে অন্তত একদিন শ্রমিকদের সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে পারবেন।”

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শ্রম অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (যুগ্ম সচিব) শাহ আবদুল তারিক, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রকল্প অফিসার নার্গিস সুলতানা জেবা, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপ মহাপরিদর্শক সাবিহা মুক্তা, শ্রমিক প্রতিনিধি আবুল হোসেন, হামিদা বেগম, সাইফুজ্জামান বাদশা, সুলতানা বেগম ও লাভলী ইয়াসমিন প্রমুখ। এছাড়া ক্রিশ্চিয়ান এইড বাংলাদেশ, পিপলস কারেজ ইন্টারন্যাশনাল (PCI), ফেয়ার ওয়্যার ফাউন্ডেশন, সংশপ্তক, এসআরএস, মমতা, রেডি, নারীপক্ষ, উইসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

Related Articles

বাংলাদেশ–ইউনান সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, বাণিজ্য ছাড়িয়েছে ১৩০ কোটি ইউয়ান

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ চীনের ইউনান প্রদেশের সঙ্গে শিক্ষা, সংস্কৃতি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। আজ ইউনান প্রাদেশিক পররাষ্ট্রবিষয়ক দপ্তরের (ইউনান

আরও পড়ুন

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগাতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং

আরও পড়ুন

অপরাধমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ক্রাইম রিপোর্টারদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ অপরাধমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ক্রাইম রিপোর্টারদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স

আরও পড়ুন

সঠিক ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠা ও সমঅধিকারভিত্তিক সমাজ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সমাজে সঠিক ও ইতিবাচক ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। রাজনীতি,

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman