Somoy News BD

১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শুক্রবার
ব্রেকিং নিউজ

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন— পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি। তিনি বলেন, আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা, খাল খনন কর্মসূচি এবং ব্যাপক বৃক্ষরোপণ অভিযানের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে শিখিয়েছিলেন কিভাবে প্রকৃতিকে ভালোবেসে স্বনির্ভর দেশ গড়ে তোলা যায়।

আজ (বৃহস্পতিবার) রাজধানীর উত্তরার নওয়াব হাবিবউল্লাহ স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণে ঢাকা-১৮ আসনে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে গাজীপুরের শালনায় নিজ হাতে মেহগনির চারা রোপণ করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযানকে জনগণের দ্বারে দ্বারে পৌছে দিয়েছিলেন। তিনিই ১৯৯৪ সালে জাতীয় বৃক্ষমেলার সূচনা করেন।

প্রতিটি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, তরুণ এবং যুব সংগঠনকে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও নিয়মিত পরিচর্যার আহ্বান জানান তিনি। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে ২০৩৫ সালের মধ্যে দেশের বৃক্ষাচ্ছাদন ২৭ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারিত সময়ের আগেই অর্জন করা সম্ভব হবে বলে মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক বলেন, একটি গাছ শুধু অক্সিজেনই দেয় না; এটি আমাদের পরিবেশ রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি প্রতিটি চারার যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের বিষয়ে সকলকে গুরুত্ব দিতে আহবান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, এমপি বলেন, আমরা যদি গাছ টিকিয়ে রাখতে না পারি, তবে আমাদের জীবনও হুমকীর মুখে পড়ে যাবে। তাই ঢাকা-১৮ আসনের মাঠে ঘাটে, আনাচে কানাচে বৃক্ষরোপণ করা হবে বলে ঘোষনা দেন তিনি।

উদ্বোধন শেষে অতিথিবৃন্দ বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করেন এবং মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। কর্মসূচির আওতায় ঢাকা-১৮ আসনের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সড়ক, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও উন্মুক্ত স্থানে পর্যায়ক্রমে বৃক্ষরোপণ করা হবে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধি, বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকবৃন্দ এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

Related Articles

আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে চায় সরকার”: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নিয়ে আসতে সরকার কাজ করছে। আত্মহত্যা প্রতিরোধে শুধু সরকারি

আরও পড়ুন

হংকংয়ের সঙ্গে বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি, বাড়বে বিনিয়োগের সম্ভাবনা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও সুরক্ষায় ‘ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন অ্যান্ড প্রোটেকশন এগ্রিমেন্ট (IPPA)’ চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। হংকংয়ে অনুষ্ঠিত ১১তম ‘বেল্ট অ্যান্ড

আরও পড়ুন

মাদক নির্মূল ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর বার্তা দিলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মাদক নির্মূল, কিশোর গ্যাং দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং ঢাকা জেলার আইনশৃঙ্খলা ও অন্যান্য

আরও পড়ুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চতুর্থ বৈঠক অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চতুর্থ বৈঠক কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন এর সভাপতিত্বে আজ জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman