Somoy News BD

১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শুক্রবার
ব্রেকিং নিউজ

স্ত্রীকে কুপিয়ে হাত বিচ্ছিন্ন করল স্বামী, অভিযুক্ত স্বামী আটক

হিরক খান,মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
প্রেম নয়, তালাক দেওয়াকে কেন্দ্র করে কলেজছাত্রী স্মৃতি খাতুনকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে সায়ন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে, হামলায় স্মৃতির ডান হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে, মেয়েকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তার বাবা সেলিম হোসেন ও মা রেবেকা খাতুনকেও কুপিয়ে আহত করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সায়নকে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে মেহেরপুর শহরের লর্ড মার্কেট এলাকায় ইলেকট্রনিক ব্যবসায়ী সেলিম হোসেনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আহত তিনজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

অভিযুক্ত সায়ন শহরের মল্লিকপাড়া এলাকার হোটেল ব্যবসায়ী আবু তালেবের ছেলে। তিনি পেশায় ট্রাকচালক।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সেলিম হোসেন, তার স্ত্রী রেবেকা খাতুন ও মেয়ে স্মৃতি খাতুন নিজ বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন, রাত দেড়টার দিকে জানালা দিয়ে সেলিম হোসেনের বাড়িতে প্রবেশ করে সায়ন, এরপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্মৃতির ওপর অতর্কিত হামলা চালায়, একপর্যায়ে কুপিয়ে তার ডান হাত বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

স্মৃতির চিৎকার শুনে পাশের কক্ষ থেকে তার বাবা-মা ছুটে এলে সায়ন তাদের ওপরও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়, এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরে সায়ন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

তাদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে গুরুতর আহত তিনজনকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান, পরে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

খবর পেয়ে মেহেরপুর সদর থানা পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে যায়, ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিলেন সায়ন। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল ৭টার দিকে শহরের মল্লিকপাড়ার একটি আমবাগান থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।

এদিকে, সকালে র‍্যাবের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

মেহেরপুর সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবীর জানান, সায়ন ও স্মৃতির মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল, কিছুদিন আগে তারা বিয়ে করেন, বিয়ের কয়েকদিন পর দাম্পত্য কলহের জেরে স্মৃতি সায়নকে তালাক দেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এ কারণেই হামলার ঘটনা ঘটেছে।

তিনি আরও জানান, আটক সায়নকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, জিজ্ঞাসাবাদ শেষে হামলার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

Related Articles

আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে চায় সরকার”: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নিয়ে আসতে সরকার কাজ করছে। আত্মহত্যা প্রতিরোধে শুধু সরকারি

আরও পড়ুন

হংকংয়ের সঙ্গে বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি, বাড়বে বিনিয়োগের সম্ভাবনা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও সুরক্ষায় ‘ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন অ্যান্ড প্রোটেকশন এগ্রিমেন্ট (IPPA)’ চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। হংকংয়ে অনুষ্ঠিত ১১তম ‘বেল্ট অ্যান্ড

আরও পড়ুন

মাদক নির্মূল ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর বার্তা দিলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মাদক নির্মূল, কিশোর গ্যাং দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং ঢাকা জেলার আইনশৃঙ্খলা ও অন্যান্য

আরও পড়ুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চতুর্থ বৈঠক অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চতুর্থ বৈঠক কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন এর সভাপতিত্বে আজ জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman