Somoy News BD

২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , সোমবার
ব্রেকিং নিউজ

সমাজে আলোর পথ দেখাতে এবং জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে তরুণদের সম্পৃক্ত করতে হবে। উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, বাংলাদেশের প্রত্যেকটি ঐতিহাসিক পটপরিবর্তন এবং অন্যায় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে বাঙালি সমাজকে আলোর পথ দেখানোর সাথে এদেশে তরুণদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। যার বাস্তব উদাহরণ জুলাই গণঅভ্যুত্থান। সমাজে আলোর পথ দেখাতে এবং জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে তরুণদের সম্পৃক্ত করতে হবে। তরুণরাই নতুন বাংলাদেশ গড়ার দিগন্ত উন্মোচন করবে।
উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের তরুণদের বড় অংশকে প্রকৃত অর্থে কাজে লাগিয়ে দেশের সফলতা অর্জন সম্ভব বলে আমরা বিশ্বাস করি। তাই জুলাই অভ্যুত্থানে যেভাবে সবার সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও সবাইকে সেভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

উপদেষ্টা আরো বলেন, সরকার তরুণদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে । আমরা বিশ্বাস করি এই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের পথে তরুণরাই সবচেয়ে বেশি সহযোগী ভূমিকা পালন করবে। সে জায়গায়  তরুণদের পলিসি লেভেল থেকে শুরু করে  সকল কার্যক্রমে তরুণদের সম্পৃক্ত করা হবে।  মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রশিক্ষণগুলোকে আরো যুগোপযোগী করে তোলা এবং বর্তমান বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে নিজেদেরকে প্রস্তুত করার মত ট্রেনিং মডিউল  প্রস্তুত করতে হবে। নতুন নতুন AI (Artificial Intelligence) প্রযুক্তি নির্ভর প্রকল্প হাতে নেওয়া জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আজ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে এক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ এর সভাপতিত্বে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোঃ মহিউদ্দিন, সমাজসেবা অধিদপ্তরে মহাপরিচালকসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

উপদেষ্টা বলেন, এদেশের গণঅভ্যুত্থানের তরুণ যুবক ও যুব নারীদের অবহিতকরণ, শিশু পরিবার ও অন্যান্য প্রশিক্ষিত যুবক ও যুব নারী এবং যুব উদ্যোক্তাগণের সাথে মেলাবন্ধন সৃষ্টি ও তাদের জন্য রাষ্ট্রের গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে অবহিতকরণের উদ্দেশ্যে  মেলবন্ধনের আয়োজন করা হবে। যাতে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে পর্যন্ত ইউনিয়ন সমাজকর্মী এবং উপজেলা সমাজকর্মীদের মাধ্যমে মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে এনালগ এর পরিবর্তে ডিজিটাল প্লাটফর্মের মাধ্যমে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।  সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে, পিছিয়ে পড়া নারী ও শিশুর অধিকার নিশ্চিত করতে প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে। তাহলেই এ মন্ত্রণালয়কে মানুষ চিনতে পারবে।

Related Articles

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগাতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং

আরও পড়ুন

অপরাধমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ক্রাইম রিপোর্টারদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ অপরাধমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ক্রাইম রিপোর্টারদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স

আরও পড়ুন

সঠিক ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠা ও সমঅধিকারভিত্তিক সমাজ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সমাজে সঠিক ও ইতিবাচক ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। রাজনীতি,

আরও পড়ুন

মিরপুর বিভাগের অভিযানে গ্রেফতার ১১৭

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের অপরাধপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ১১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মিরপুর বিভাগ

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman