Somoy News BD

২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , সোমবার
ব্রেকিং নিউজ

জলাবদ্ধতা, দুষণ ও জনদুর্ভোগ কমাতে খালগুলোর প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার – পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

রংপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, জলাবদ্ধতা, দুষণ ও জনদুর্ভোগ কমাতে দেশের খালগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে।

বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন “জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় রংপুর জেলার রংপুর সদর উপজেলাধীন শ্যামাসুন্দরী খাল পুনঃখনন, দুষণ রোধ ও বনায়ন কাজ” শীর্ষক প্রকল্পের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার তিনি শ্যামাসুন্দরী খালের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

উপদেষ্টা বলেন, “শ্যামাসুন্দরীর প্রবাহ ফিরিয়ে আনতেই হবে। পানির স্বাভাবিক গতি রক্ষা না করে শহরকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। খাল মানেই শুধু পানি নয়, এটি একটি জীবন্ত প্রতিবেশ। এটি রক্ষা করতে না পারলে জলাবদ্ধতা, দুষণ ও জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে।”

তিনি জানান, খালের ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ড্রেজিংয়ের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। ৬৮টি বর্জ্য নিষ্কাশন পয়েন্টে ছাকনি বসানো হবে। সেনাবাহিনী স্থাপনার মধ্য দিয়ে খালের প্রবাহ থাকায় তাদের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। খালের স্বাভাবিক প্রবাহে যেসব বাধা রয়েছে তা দ্রুত অপসারণ করা হবে।

তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে শ্যামাসুন্দরী খালের জন্য একটি স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট স্থাপনের নির্দেশ দেন এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি নগরবাসীকে খাল রক্ষায় সচেতন ও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।

এ সময় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মো: এনায়েত উল্লাহ, রংপুর পাউবো’র প্রধান প্রকৌশলী মো: মাহবুবর রহমান, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল ফয়সাল, বন সংরক্ষক মো: সুবেদার ইসলাম, পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক নুর আলম, কুড়িগ্রাম পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো: রাকিবুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙা খিতাবখাঁ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন তিস্তা নদীর তীরে চলমান তীর রক্ষা বাঁধ, গতিয়াসাম ক্লিনিক সংলগ্ন বাঁধ এবং রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার পাঞ্জরভাঙ্গা রেলসেতুর উজানে ডান তীর রক্ষা বাঁধ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি স্থানীয় জনগণের সাথেও মতবিনিময় করেন।

Related Articles

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগাতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং

আরও পড়ুন

অপরাধমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ক্রাইম রিপোর্টারদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ অপরাধমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ক্রাইম রিপোর্টারদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স

আরও পড়ুন

সঠিক ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠা ও সমঅধিকারভিত্তিক সমাজ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সমাজে সঠিক ও ইতিবাচক ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। রাজনীতি,

আরও পড়ুন

মিরপুর বিভাগের অভিযানে গ্রেফতার ১১৭

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের অপরাধপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ১১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মিরপুর বিভাগ

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman