Somoy News BD

৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানেই উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর টেকসই জীবিকা নিশ্চিত হবে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকা সুরক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা ও জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির অন্যতম কার্যকর ও টেকসই উপায় বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

আজ সকালে রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে ‘প্রায়োরিটাইজিং নেচার-বেসড ইন্টারভেনশনস ফর রেজিলিয়েন্ট কোস্টাল বাংলাদেশ’ -শীর্ষক জাতীয় কারিগরি কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। কর্মশালার আয়োজন করে ফ্রেন্ডশিপ ও কনজারভেশন ইন্টারন্যাশনাল।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন, জলাভূমি, উপকূলীয় উদ্ভিদবেষ্টনী এবং সমন্বিত কৃষি-বনায়ন ব্যবস্থা শুধু পরিবেশ সংরক্ষণে ভূমিকা রাখে না; এগুলো প্রাণিসম্পদের জন্য পশুখাদ্যের প্রাপ্যতা বাড়ায়, প্রাণিস্বাস্থ্যের উন্নয়ন ঘটায় এবং মানবস্বাস্থ্য, প্রাণিস্বাস্থ্য ও পরিবেশগত স্বাস্থ্যের সমন্বিত ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণাকে শক্তিশালী করে।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি অর্জন করলেও দেশের উপকূলীয় অঞ্চল এখনো বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততার বিস্তার ও উপকূলীয় ভাঙন পরিবেশের পাশাপাশি অর্থনীতি, খাদ্যব্যবস্থা এবং কোটি মানুষের জীবন-জীবিকাকে হুমকির মুখে ফেলছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকার কোটি মানুষের জীবিকার প্রধান ভিত্তি। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে এই দুই খাতই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।

তিনি বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের লাখ লাখ পরিবার গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও হাঁস-মুরগির ওপর নির্ভরশীল। প্রাণিসম্পদ নিয়মিত আয়, পুষ্টি, কর্মসংস্থান ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় অনেক পরিবারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সম্পদও হয়ে ওঠে প্রাণিসম্পদ।

তিনি আরো বলেন, টেকসই প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা, বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং তথ্য-প্রমাণভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনার মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের জাতীয় উদ্যোগ বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সহনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন ফ্রেন্ডশিপের প্রতিষ্ঠাতা রুনা খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক সচিব ড. মো: ফরিদুল ইসলাম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: শাহজামান খান এবং কনজারভেশন ইন্টারন্যাশনালের দক্ষিণ এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৌরভ মালহোত্রা।

Related Articles

কোরিয়ার বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছে বাংলাদেশের ৮৪২৮ পণ্য

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (Comprehensive Economic Partnership Agreement-CEPA) নিয়ে নেগোসিয়েশন আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ এক বছরের আলোচনার পর

আরও পড়ুন

দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগেই মিলবে টেকসই সমাধান: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দূষণ নিয়ন্ত্রণ, কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, সংস্থা ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগই টেকসই সমাধান নিশ্চিত করতে পারে

আরও পড়ুন

সারাদেশে নিরাপদ পর্যটন নিশ্চিতে সকলের এগিয়ে আসার আহ্বান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ সকাল ১১ টায় বাংলাদেশ পর্যটন ভবনে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড ক্রত্রিক প্রস্তাবিত মানিকগঞ্জ জেলা ভিত্তিক পর্যটন সার্কিট গঠন উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা শীর্ষক প্রস্তাবিত

আরও পড়ুন

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গঠনে কাজ করার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সারদা (রাজশাহী)ঃ সেবার মানসিকতা নিয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গঠনে কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ দুপুরে

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman