Somoy News BD

২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বৃহস্পতিবার
ব্রেকিং নিউজ

জনবান্ধব কাজ করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী

ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধিঃ
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত,এমপি বলেন, জনগণের উন্নয়ন ও জনবান্ধব কাজ করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। তার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা যারা জনপ্রতিনিধি ও সরকারী কর্মকর্তা – কর্মচারী রয়েছি তাদের কিছু ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। যার যার পরিধি থেকে জনকল্যাণে কাজ করতে হবে। সোমবার (৩১ আগস্ট) ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে কার্যালয়ে সম্মেলন কক্ষে ময়মনসিংহ জেলার আইন-শৃঙ্খলা মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন, জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকি সংক্রান্ত সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান।

মন্ত্রী বিভিন্ন দপ্তরপ্রধান এবং জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে বলেন, ময়মনসিংহ জেলা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ,মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন , স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন এবং জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রম সফল করা এই সমন্বয় সভার অন্যতম লক্ষ্য। আর এর জন্য প্রয়োজন প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সম্মিলিত চেষ্টা। এছাড়া আমরা যদি আমাদের নির্বাচন ইশতেহার পূরণ করতে পারি তাহলে জনগণ তাদের প্রাপ্যতা বুঝে পাবে। একই সাথে সরকারের প্রতি জনগণের যে আশা আকাঙ্ক্ষা রয়েছে তা পূর্ণতা পাবে। যদি আমরা আমাদের কাজগুলো সঠিকভাবে না করতে পারি তাহলে জনগণ আমাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে।

তিনি আরো বলেন, জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি ও চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের স্বচ্ছতা ও সুশাসনের সাথে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে আপনাদের আন্তরিকতা অত্যন্ত প্রয়োজন। আশা করব আপনারা আন্তরিকতা ও সততার মাধ্যমে আপনাদের দায়িত্বটুকু পালন করবেন। বিশেষ করে মাদক ও চোরাচালানোর ক্ষেত্রে আমাদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, এ জেলার আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়ন এবং বিভিন্ন প্রকল্পসমূহের স্বচ্ছতা ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জেলার সকল দপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একত্রে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে কাজের শক্তি আরো প্রবল করে জনগণের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার আহ্বান জানান তিনি।

এছাড়াও সভায় জেলা উন্নয়ন কমিটির সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রধানগণ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ গণমাধ্যম কর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন ।

Related Articles

শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদের ৯ দফা দাবি সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডসহ ৯ দফা দাবি, ১ অক্টোবর স্মারকলিপি

মঞ্জুরঃ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১১তম গ্রেডে উন্নীত করা, প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতি, উচ্চতর গ্রেডের জটিলতা নিরসন এবং বদলি নীতিমালা সহজ করাসহ

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ–ইউনান সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, বাণিজ্য ছাড়িয়েছে ১৩০ কোটি ইউয়ান

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ চীনের ইউনান প্রদেশের সঙ্গে শিক্ষা, সংস্কৃতি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। আজ ইউনান প্রাদেশিক পররাষ্ট্রবিষয়ক দপ্তরের (ইউনান

আরও পড়ুন

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগাতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং

আরও পড়ুন

অপরাধমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ক্রাইম রিপোর্টারদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ অপরাধমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ক্রাইম রিপোর্টারদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman