Somoy News BD

ব্রেকিং নিউজ

সীমানা নির্ধারণ করে বন রক্ষা, বালু-দখলদারদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স : উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান  বলেছেন,  চুনতি অভয়ারণ্যের সীমানা নির্ধারণের কাজ এখন চলছে। বালু উত্তোলন ও বন দখলের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে। জেলা প্রশাসন ও পুলিশকে এই বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেসব জায়গায় বালু উত্তোলন হয়, সেখানে এমন সুরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়া হবে যাতে কেউ ঢুকতে বা বেরোতে না পারে।

আজ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি রেঞ্জ কর্মকর্তার কার্যালয়ে বন বিভাগের চট্টগ্রাম সার্কেলের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, অচিরেই একটি কর্মপরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামা হবে।
তিনি আরও বলেন, সীমানা নির্ধারণের পর বিদ্যমান বন রক্ষায় জোর দেওয়া হবে। অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান চলবে। মানুষের দুর্ভোগ না বাড়িয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

হাতি-মানুষ দ্বন্দ্ব কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি। তিনি বলেন, একসময় হাতির দাঁত ও হাড়ের জন্য হাতি মারা হতো। এই ধরনের অর্গানাইজড ক্রাইম রোধে প্রয়োজনে গোয়েন্দা সংস্থাকে কাজে লাগানো হবে।

উপদেষ্টা বলেন, হাতি-মানুষ দ্বন্দ্বের সমাধানে মাঠ পর্যায়ে কাজ করা হবে। বন রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও অপরাধ দমনে সরকার কঠোর অবস্থানে আছে।

এর পরে উপদেষ্টা, চট্টগ্রামের চুনতি রেঞ্জের আওতাধীন এলাকার পাহাড় কাটা ও অবৈধ দখলের স্থানসমূহ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।এরপর তিনি, কক্সবাজারের ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করেন।  এসময় তিনি পার্কের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, প্রাণীদের আবাস, চিকিৎসা ও খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি পার্কে পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো ও দর্শনার্থীবান্ধব সুযোগ-সুবিধা আরও বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি বন্যপ্রাণী পাচার ও অবৈধ শিকার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

পরিদর্শনকালে উপদেষ্টার সঙ্গে চট্টগ্রাম বন সার্কেলের বন সংরক্ষক মোল্লা রেজাউল করিম, বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষক মো: সানাউল্লাহ পাটোয়ারী, ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের বিভাগীয় বন কর্তকর্তা, জেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর, বন অধিদপ্তর এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করতে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল সম্প্রসারণ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, দেশের প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র খামারিদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে বিশুদ্ধ জাতের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল ও

আরও পড়ুন

চীনের অন্যতম বৃহত্তম প্রদর্শনী “The 10th China-South Asia Expo and the 30th China Kunming Import and Export Fair-2026” এর থিম কান্ট্রি হিসেবে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম বৃহত্তম মেলা ও প্রদর্শনী “The 10th China-South Asia Expo and the 30th China Kunming Import and Export Fair-2026” আগামীকাল চীনের

আরও পড়ুন

২০২৭ সালের হজের রোডম্যাপ প্রকাশ,  চলতি বছরের ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে হজযাত্রী নিবন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ২০২৭ সালের (হিজরি ১৪৪৮) হজের রোডম্যাপ প্রকাশ করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। রবিবার (৭ জুন) মন্ত্রণালয়ের হজ-১ শাখা হতে এ রোডম্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

গণমাধ্যম রাষ্ট্রের আয়না, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় এর কোনো বিকল্প নেই: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণমাধ্যম শুধু রাষ্ট্রের আয়নাই নয়, আধুনিক সভ্যতা ও সমাজব্যবস্থার একটি অপরিহার্য উপাদান। রাষ্ট্র, সমাজ ও

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman