Somoy News BD

২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

বাংলাদেশে বর্তমানে কোনো ধরনের জঙ্গিবাদ নেই- স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বাংলাদেশে বর্তমানে কোনো ধরনের জঙ্গিবাদ নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)।

উপদেষ্টা আজ সকালে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এর রপ্তানি কার্গো ভিলেজ ও সেখানে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন-এর হিমাগার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে একথা জানান।

উপদেষ্টা বলেন, সকলের সহযোগিতায় জঙ্গিবাদ নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে৷ এক্ষেত্রে মিডিয়া ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সহ সংশ্লিষ্ট সকলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সাংবাদিকদের প্রশ্ন উত্থাপন করে উপদেষ্টা বলেন, বিগত ১০ মাসে আপনারা জঙ্গিবাদের কোন তথ্য দিতে পেরেছেন? যখন ছিলো তখন দিয়েছেন৷ এখন নেই, তাই দিতে পারেন না৷ বাংলাদেশে বর্তমানে কোনো ধরনের জঙ্গিবাদ নেই।

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশীদের জঙ্গি ট্যাগ দেয়া ইস্যুতে উপদেষ্টা বলেন, দেশে যে তিনজনকে পাঠানো হয়েছে তাদের কেউ জঙ্গি না৷ এ নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি প্রেস রিলিজও দিয়েছিলো৷ মূলতঃ তাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় তিনজনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে৷ তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার পুলিশ প্রধান যে পাঁচজনকে নিয়ে কথা বলেছে সেই পাঁচজন দেশে আসেনি৷ তাদের সাথে আমাদের সরকারি পর্যায়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে৷ আমরা তদন্ত করে দেখবো। তবে বাংলাদেশে এদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই৷

রপ্তানি কার্গো ভিলেজ পরিদর্শন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা বলেন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এখান থেকে শাক-সবজি, ফলমূল প্রভৃতি বিদেশে রপ্তানি করা হয়৷ রপ্তানি প্রক্রিয়া দেখার জন্যই কার্গো ভিলেজ পরিদর্শনে আসা। তিনি বলেন, আপনারা জানেন- কিছুদিন আগে এনবিআর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দোলনের কারণে আমাদের ফলমূল ও শাক-সবজি রপ্তানি করতে কিছুটা সমস্যা হয়েছিল৷ সে সময় আমাদের ব্যবসায়ীদের অনেকেই কিছুটা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিলেন৷ উপদেষ্টা এসময় জানান, যেহেতু আমাদের দেশের রপ্তানির পরিমাণ অনেক বেড়ে গেছে, সেহেতু এখানে যে কোল্ড স্টোরেজ রয়েছে সেটিকে আরও বড় করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে৷

লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেন, আমাদের জন্য বড় সুখবর হচ্ছে আমাদের যে নতুন এক্সপোর্ট টার্মিনাল করা হচ্ছে- সেখানে যদি কোনো মালামাল/পণ্য স্ক্যানিং হওয়ার পরও বিমানে যেতে না পারে সঙ্গে সঙ্গেই এসব মাল কোল্ড স্টোরেজে রাখা যাবে। উপদেষ্টা বলেন, বর্তমানে যদি বিমানে ওভারলোড হয় তাহলে যেসব মাল রেখে দিতে হবে সেসব মাল রাখার জন্য কোল্ড স্টোরেজ নেই। কিন্তু নতুন টার্মিনালে এই সুযোগটা থাকছে। তিনি বলেন, আমরা শুধু একটা-দুইটা পণ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে চাই না। কীভাবে বিভিন্ন ধরনের পণ্য রপ্তানি করা যায় সেটা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছি।

Related Articles

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত এর সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ দুপুর ১ টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে মাননীয় মন্ত্রী আফরোজা খানম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত

আরও পড়ুন

মালয়েশিয়া ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মধ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী মহামান্য তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফর উপলক্ষে

আলী আহসান রবিঃ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মহামান্য দাতো’ সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী মহামান্য তারেক রহমান ২২ জুন ২০২৬ তারিখে মালয়েশিয়া সফর করেন। ২.

আরও পড়ুন

যে জাতি সঙ্গীতকে গুরুত্ব দেয়, সে জাতি উন্নত মানসিকতার পরিচয় বহন করে—সংস্কৃতি মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গান হলো ফুলের মতো। যারা ফুলকে ভালোবাসে না তারা যেকোনো নির্মম অপরাধও করতে পারে। পৃথিবীর বুকে মানুষের ভাষা সৃষ্টির আগেই গানের জন্ম হয়েছে।

আরও পড়ুন

জাতীয় চা দিবস-২০২৬: বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সম্মাননা পেল দেশের শীর্ষ চা বাগান ও প্রতিষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের চা শিল্পে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় চা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শীর্ষ চা বাগান, প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman