Somoy News BD

২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বৃহস্পতিবার
ব্রেকিং নিউজ

জুলাই অভ্যুত্থানের সাহসী নারীদের আমরা ইতিহাস থেকে হারিয়ে যেতে দেবো না। যতবার এদেশে অন্যায় হবে, অবিচার হবে ততবার জুলাইয়ের জন্ম হবে, জুলাই কন্যরা প্রতিবার ধেয়ে ধেয়ে আসবে –উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের সাহসী নারীদের আমরা ইতিহাস থেকে হারিয়ে যেতে দেবো না। যতবার এদেশে অন্যায় হবে, অবিচার হবে ততবার জুলাইয়ের জন্ম হবে, জুলাই কন্যরা প্রতিবার ধেয়ে ধেয়ে আসবে।
তিনি আজ জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় মানিক মিয়া এভিনিউয়ে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত জুলাই পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠানমালার অংশ হিসেবে জুলাই কন্যা দিবস উদযাপন উপলক্ষে জুলাই কন্যাদের নিয়ে রিক্সা রেলি ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
সমাবেশে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার, জুলাই কন্যা উমামা ফাতেমা, জুলাই শহীদ নাইমা সুলতানার মা, শহীদ নাফিসার বাবা জুলাই আন্দোলনে সহযোদ্ধা ও শহীদদের অনুভূতির কথা ব্যক্ত করেন। সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মমতাজ আহমেদ এনডিসি, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোঃ মহিউদ্দিন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদ পরিবারের সদস্য, জুলাই কন্যরা ,বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, জুলাই রিকশাচালক যোদ্ধারা, বিভিন্ন শ্রেণী পেশার নারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা বলেন, জুলাই কন্যরা তোমরা আমাদের অনুপ্রেরণা। এ জুলাইয়ে তোমরা তোমাদের এক একটা উজ্জ্বল শক্তিময় রুপে নতুন বাংলাদেশের সূচনা করেছো।
তিনি বলেন, জুলাই মানে অত্যাচারীর অবসান, জুলাই মানে অন্যায়ের অবসান, জুলাই মানে কন্যাদের, মেয়েদের মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার সময়। জুলাই মানে আমি ভয় পাবো না, জুলাই মানে আমি প্রতিবার ধেয়ে ধেয়ে আসবো, যতোবার অন্যায় হবে যতোবার অবিচার হবে, ততোবার জুলাইয়ের জন্ম হবে এবং জুলাইয়ের কন্যারা বারবার ফিরে আসবে এবং নারী ও শিশু নির্যাতন মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে আমার মন্ত্রণালয় তোমাদের সহযোগিতা করবে এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ জুলাই কন্যাদের শপথ বাক্য পাঠ করান। এ শপথ বাক্যে দারিদ্র্যমুক্ত সহিংসতা মুক্ত মানবিক ও সাম্যের দেশ, নারী ও শিশু নির্যাতন দূর করে শহরে, গ্রামে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করা, ঘরে, রাস্তায়, বিদ্যাপীঠে, কর্মক্ষেত্রে এবং সাইবার স্পেজে গড়ে তুলবো নারী ও শিশুর নিরাপদ বিচরণ। সংখ্যাগুরু, সংখ্যালঘু নই, আদিবাসী- অনা দিবাসী নই, নারী-পুরুষ নই, আমরা নাগরিক। সমাজের তরুণ সকলকে হাতে হাত ধরে যত্নশীল রাষ্ট্র গড়বো। সম্প্রীতির নতুন অধ্যায় সৃষ্টি করবো। অন্যায়, দুর্নীতি, বৈষম্য, নারী নির্যাতন আর দারিদ্র্যের অপমান থেকে মুক্ত করবো আমাদের এ মাতৃভূমিকে।

Related Articles

শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদের ৯ দফা দাবি সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডসহ ৯ দফা দাবি, ১ অক্টোবর স্মারকলিপি

মঞ্জুরঃ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১১তম গ্রেডে উন্নীত করা, প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতি, উচ্চতর গ্রেডের জটিলতা নিরসন এবং বদলি নীতিমালা সহজ করাসহ

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ–ইউনান সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, বাণিজ্য ছাড়িয়েছে ১৩০ কোটি ইউয়ান

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ চীনের ইউনান প্রদেশের সঙ্গে শিক্ষা, সংস্কৃতি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। আজ ইউনান প্রাদেশিক পররাষ্ট্রবিষয়ক দপ্তরের (ইউনান

আরও পড়ুন

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগাতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং

আরও পড়ুন

অপরাধমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ক্রাইম রিপোর্টারদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ অপরাধমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ক্রাইম রিপোর্টারদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman