Somoy News BD

২১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

টেকনাফ সীমান্তে দুটি পৃথক অভিযানে ৯০,০০০ পিস ইয়াবা ও ২৮ কেজি গাঁজাসহ ০৩ জনকে আটক করেছে বিজিবি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তবর্তী আলীর ডেইল ও খরেরমুখ এলাকায় দুটি পৃথক অভিযান পরিচালনা করে ৯০,০০০ পিস ইয়াবা ও ২৮ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারের সাথে জড়িত ০২ জন নারীসহ ০৩ জনকে আটক করেছে।

গতকাল গভীর রাতে বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর অধিনায়ক গোয়েন্দা সূত্রে জানতে পারেন যে, মায়ানমার হতে সাগর পাড়ি দিয়ে মাদকের একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি তৎক্ষনাৎ বিশেষ অভিযান পরিচালনার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেন। অধিনায়কের পরিকল্পনা ও প্রত্যক্ষ তদারকিতে মাদক পাচারকারীদের ধরতে গভীর রাতেই নাফ নদী ও তীরবর্তী অঞ্চলসহ মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন সৈকতে বিজিবি’র বেশ কয়েকটি টহলদলকে কৌশলগত অবস্থানে মোতায়েন করা হয়। পরবর্তীতে মাদক কারবারের সাথে জড়িত অপরাধীচক্রকে ধরতে নিবিড় গোয়েন্দা তৎপরতা চালিয়ে অদ্য ০১ জুলাই ২০২৫ তারিখ ভোরবেলা জানতে পারেন যে, মাদকের একটি বড় চালান মায়ানমার হতে সাগরপথে সংগ্রহ করে সাবরাং ইউনিয়নের আলীর ডেইল এলাকার একটি বাড়িতে গোপনে লুকিয়ে রাখা হয়েছে। আনুমানিক সকাল ০৬০০ ঘটিকায় বর্ণিত এলাকা ঘিরে রেখে বিজিবি’র টহলদল চিরুনী অভিযান চালিয়ে জনৈক মিনারা বেগমের বসত বাড়ি থেকে ৯০,০০০ (নব্বই হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মিনারা বেগম (৩৫) এবং মোঃ কেফায়েত উল্লাহ (১৯) নামের ০২ জনকে আটক করতে সক্ষম হয়।

আটককৃত মিনারা বেগম সাবরাং আলীর ডেইল এলাকার মৃত ছিদ্দিকের মেয়ে এবং কেফায়েত উল্লাহ একই এলাকার ফরিদ আলমের ছেলে। তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ইয়াবাসহ টেকনাফ থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

অপরদিকে, সাবরাং ইউনিয়ন ও নাফ নদীতে অভিযান পরিচালনার সময় টেকনাফের খুরেরমুখ এলাকার জনৈক জমিলা বেগমের বাড়িতে বিপুল পরিমাণ গাঁজা রক্ষিত থাকার সংবাদ পেয়ে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক তাৎক্ষণিকভাবে অপর একটি আভিযানিকদলকে অভিযান পারিচালনায় নিয়োজিত করেন। এসময় বিজিবি আভিযানিকদল সন্দেহজনক বাড়িটিকে ঘিরে ফেলে ব্যাপক তল্লাশী চালিয়ে কথিত জমিলা বেগমের বাড়ির মুরগীর খামারে গোপনে সংরক্ষিত ২৮ কেজি গাঁজাসহ জমিলা বেগমকে আটক করতে সক্ষম হয়।

আটককৃত জমিলা বেগম খরেরমুখ এলাকার মৃত আলী আহমেদের স্ত্রী। তাকে প্রচলিত আইন অনুযায়ী গাঁজাসহ টেকনাফ থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আশিকুর রহমান বলেন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ দেশের সীমান্তের নিরাপত্তা, মাদক নির্মূল এবং সকল অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রেখে অত্যন্ত পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও জাতীয় নিরাপত্তা ও জনস্বার্থে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Related Articles

পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন করলেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ পিলখানাস্থ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন। আজ সকাল ১১টায় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিবি

আরও পড়ুন

তরুণ ছেলে-মেয়েদের চরিত্র গঠন ও শারীরিক বিকাশে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের মূল লক্ষ্য ও

আরও পড়ুন

সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফলভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে আজ বিকেল ৪টায় সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে এক জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের

আরও পড়ুন

সমাজসেবা কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দীকের মৃত্যুতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর শোক

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, নীলফামারীর উপপরিচালক জনাব মোঃ আবু বক্কর সিদ্দীক ১৮জুলাই সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে দিনাজপুরের জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman