Somoy News BD

৫ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , শুক্রবার
ব্রেকিং নিউজ

টেকনাফ সীমান্তে দুটি পৃথক অভিযানে ৯০,০০০ পিস ইয়াবা ও ২৮ কেজি গাঁজাসহ ০৩ জনকে আটক করেছে বিজিবি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তবর্তী আলীর ডেইল ও খরেরমুখ এলাকায় দুটি পৃথক অভিযান পরিচালনা করে ৯০,০০০ পিস ইয়াবা ও ২৮ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারের সাথে জড়িত ০২ জন নারীসহ ০৩ জনকে আটক করেছে।

গতকাল গভীর রাতে বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর অধিনায়ক গোয়েন্দা সূত্রে জানতে পারেন যে, মায়ানমার হতে সাগর পাড়ি দিয়ে মাদকের একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি তৎক্ষনাৎ বিশেষ অভিযান পরিচালনার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেন। অধিনায়কের পরিকল্পনা ও প্রত্যক্ষ তদারকিতে মাদক পাচারকারীদের ধরতে গভীর রাতেই নাফ নদী ও তীরবর্তী অঞ্চলসহ মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন সৈকতে বিজিবি’র বেশ কয়েকটি টহলদলকে কৌশলগত অবস্থানে মোতায়েন করা হয়। পরবর্তীতে মাদক কারবারের সাথে জড়িত অপরাধীচক্রকে ধরতে নিবিড় গোয়েন্দা তৎপরতা চালিয়ে অদ্য ০১ জুলাই ২০২৫ তারিখ ভোরবেলা জানতে পারেন যে, মাদকের একটি বড় চালান মায়ানমার হতে সাগরপথে সংগ্রহ করে সাবরাং ইউনিয়নের আলীর ডেইল এলাকার একটি বাড়িতে গোপনে লুকিয়ে রাখা হয়েছে। আনুমানিক সকাল ০৬০০ ঘটিকায় বর্ণিত এলাকা ঘিরে রেখে বিজিবি’র টহলদল চিরুনী অভিযান চালিয়ে জনৈক মিনারা বেগমের বসত বাড়ি থেকে ৯০,০০০ (নব্বই হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মিনারা বেগম (৩৫) এবং মোঃ কেফায়েত উল্লাহ (১৯) নামের ০২ জনকে আটক করতে সক্ষম হয়।

আটককৃত মিনারা বেগম সাবরাং আলীর ডেইল এলাকার মৃত ছিদ্দিকের মেয়ে এবং কেফায়েত উল্লাহ একই এলাকার ফরিদ আলমের ছেলে। তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ইয়াবাসহ টেকনাফ থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

অপরদিকে, সাবরাং ইউনিয়ন ও নাফ নদীতে অভিযান পরিচালনার সময় টেকনাফের খুরেরমুখ এলাকার জনৈক জমিলা বেগমের বাড়িতে বিপুল পরিমাণ গাঁজা রক্ষিত থাকার সংবাদ পেয়ে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক তাৎক্ষণিকভাবে অপর একটি আভিযানিকদলকে অভিযান পারিচালনায় নিয়োজিত করেন। এসময় বিজিবি আভিযানিকদল সন্দেহজনক বাড়িটিকে ঘিরে ফেলে ব্যাপক তল্লাশী চালিয়ে কথিত জমিলা বেগমের বাড়ির মুরগীর খামারে গোপনে সংরক্ষিত ২৮ কেজি গাঁজাসহ জমিলা বেগমকে আটক করতে সক্ষম হয়।

আটককৃত জমিলা বেগম খরেরমুখ এলাকার মৃত আলী আহমেদের স্ত্রী। তাকে প্রচলিত আইন অনুযায়ী গাঁজাসহ টেকনাফ থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আশিকুর রহমান বলেন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ দেশের সীমান্তের নিরাপত্তা, মাদক নির্মূল এবং সকল অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রেখে অত্যন্ত পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও জাতীয় নিরাপত্তা ও জনস্বার্থে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Related Articles

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার, সুরক্ষা ও উন্নয়নে আমাদের সকলকে একসাথে এগিয়ে আসতে হবে –উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ

মোঃআশরাফুল আলমঃ সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ অনুষ্ঠানের শুরুতেই বিজয়ের এ মাসে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মসর্গকারী এবং সকল শহীদদের প্রতি

আরও পড়ুন

আশুলিয়ায় এক শিক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধ ভাবে ধর্ষণ,গ্রেফতার ৪

আল শাহরিয়ার বাবুল খানঃ ঢাকার আশুলিয়ায় এক শিক্ষার্থীকে পিকনিকের কথা বলে ডেকে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে অর্থ আদায়ের অভিযোগে বেসরকারি গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের

আরও পড়ুন

রাজধানীতে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৮তম বছর পূর্তি উদযাপিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) জনাব সুপ্রদীপ চাকমা পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৮তম বছর পূর্তি উপলক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি শুভেচ্ছা ও

আরও পড়ুন

জলবায়ু ঝুঁকি ও বিপদ থেকে নাগরিকদের রক্ষা করতে বাংলাদেশ ‘সকলের জন্য জাতীয় প্রাথমিক সতর্কতা রোডম্যাপ’ এর যাত্রা শুরু করেছে।

মোঃআশরাফুল আলমঃ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় আজ আনুষ্ঠানিকভাবে সকলের জন্য জাতীয় প্রাথমিক সতর্কতা (EW4All) রোডম্যাপ এর যাত্রা শুরু করেছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman