Somoy News BD

১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বৃহস্পতিবার
ব্রেকিং নিউজ

রানা প্লাজা ও তাজরীন গার্মেন্টস দুর্ঘটনায় হতাহতদের ফান্ড অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে -শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
রানা প্লাজা ও তাজরীন গার্মেন্টস দুর্ঘটনায় হতাহতদের ফান্ড অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

আজ দুপুরে সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে রানা প্লাজা ও তাজরীন গার্মেন্টস দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাথে মতবিনিময় শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ নির্দেশ দেন।

শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা বলেন, গত আওয়ামী লীগের আমলে রানা প্লাজা ও তাজরীন গার্মেন্টস দুর্ঘটনায় যারা ক্ষতিগ্রস্ত  এবং নিহত হয়েছিলো তাদের পরিবারের জন্য যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিলো তা কতটুকু সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে এবং বাস্তবে আপনারা(ক্ষতিগ্রস্তরা) কতটুকু উপকার পেয়েছেন বা পান নাই সেবিষয়ে তদন্ত করার জন্য আমরা একটা তদন্ত কমিটি গঠন করব এবং বাস্তব চিত্রটা সেই তদন্ত কমিটি রিপোর্টের মাধ্যমে তুলে ধরবে।

শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা আরো বলেন, আমি চাই ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্য থেকে একজন সরাসরি সেই তদন্ত কমিটিতে থাকবে এবং তিনি নিশ্চিত করবে বাস্তব চিত্রটা উঠে এসেছে কীনা। তিনি রানা প্লাজা ও তাজরীন গার্মেন্টস দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য গঠিত তহবিল বা ফান্ডে কোন অর্থ থাকলে সেটা ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ব্যয় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এর আগে উপদেষ্টা রানা প্লাজা ও তাজরীন গার্মেন্টস দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকজন তাদের দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা, এবং সাহায্য-সহযোগিতা ও চিকিৎসার বিষয়ে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির কথা তুলে ধরেন। এছাড়া, তারা বিভিন্ন দাবী-দাওয়া উপদেষ্টার সামনে পেশ করেন। শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা মনযোগসহকারে ক্ষতিগ্রস্তদের কথা শোনেন।

পরে উপদেষ্টা গণমাধ্যম কর্মীদেরকে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং করেন। এতে তিনি সভ্যতা বিনির্মাণ ও বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে শ্রমিকদের অবদান তুলে ধরেন এবং তাদের ত্যাগ-তিতিক্ষাকে কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন।

উপদেষ্টা বলেন, এই একুশ শতকে এসেও বাংলাদেশে শ্রমিকদের চাকরি নিরাপত্তা, কর্মপরিবেশ, স্বাস্থ্যঝুঁকি এমনকি জীবন নিয়েও শঙ্কা রয়েছে। তিনি একটি মানবিক মযাদা সম্পন্ন কল্যাণকামী রাষ্ট্র গঠণের জন্য এই অভ্যূত্থানে যে শ্রমিকরা জীবন দিয়েছে সেই নতুন বাংলাদেশে আমরা শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এ প্রেস ব্রিফিংয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মাহবুব হোসেনসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে গণমাধ্যমকর্মীদের সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং ‘জাস্টিস এন্ড কেয়ার’-এর সহযোগিতায় আজ রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে “মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন-২০২৬”

আরও পড়ুন

মিঠাপানির মাছ উৎপাদনে বিশ্ববিদ্যালয় লেক হতে পারে নতুন দৃষ্টান্ত —মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকগুলোতে পরিকল্পিতভাবে মাছ চাষ করা গেলে তা দেশের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের নতুন সভাপতি মোসলেহ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক শামীমা পারভীন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএসএ) নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-এর অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন

আরও পড়ুন

কোরবানির চামড়ার দাম বেড়েছে প্রতি বর্গফুটে ২ টাকা ঢাকায় ৬২-৬৭ টাকা- ঢাকার বাইরে ৫৭-৬২ ঢাকা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। এ বছর ঢাকায় গরুর লবণযুক্ত চামড়ার প্রতি বর্গফুটের দাম গত বছরের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman