Somoy News BD

১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ’— কুষ্টিয়ায় তিন দিনব্যাপী রবীন্দ্র উৎসব শুরু

কুষ্টিয়া (শিলাইদহ)ঃ
​বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যকে সমাজ থেকে অন্ধকার দূর করার অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে উল্লেখ করেছেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ বাংলা সাহিত্যের সূর্যকিরণ। সূর্য যেমন আলো দিয়ে অন্ধকার দূর করে, রবীন্দ্রনাথও তাঁর কালজয়ী সাহিত্যের মাধ্যমে আমাদের চেতনার অন্ধকার দূর করেছেন।

আজ শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে কবির স্মৃতিবিজড়িত কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ কুঠিবাড়িতে বিশ্বকবির ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী জাতীয় অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ও কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের বাস্তবায়নে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
​প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী আরও বলেন, রবীন্দ্রনাথ ছিলেন আপাদমস্তক একজন মানবতাবাদী ও কৃষক দরদি ব্যক্তিত্ব। প্রজাদের সাথে তাঁর আচরণ ছিল অত্যন্ত সংবেদনশীল, যা প্রচলিত রাজকীয় প্রথা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। শিলাইদহকে বাঙালির সাহিত্য-সংস্কৃতির এক জীবন্ত স্মারক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি ঘোষণা দেন, সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করার মাধ্যমে এই কুঠিবাড়িকে একটি পূর্ণাঙ্গ পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলবে।
​সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ‘শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ’ শীর্ষক স্মারক বক্তব্য প্রদান করেন দেশ বরেণ্য শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. ওয়াকিল আহমেদ।
​অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা, কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আফজাল হোসেন, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো. তৌহিদ বিন হাসান।
​উদ্বোধনী আলোচনা সভা শেষে মন্ত্রী কুঠিবাড়ির জাদুঘর পরিদর্শন করেন এবং সংরক্ষিত কবির স্মৃতিচিহ্নসমূহ অবলোকন করেন। এরপর উন্মুক্ত মঞ্চে কুষ্টিয়া শিল্পকলা একাডেমির শিল্পী শ্রেহা খাতুনের পরিবেশনায় উদ্বোধনী সংগীতের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। তিন দিনব্যাপী এই উৎসবে রবীন্দ্রসংগীত, কবিতা আবৃত্তি, নৃত্য ও নাটকসহ নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
​উল্লেখ্য, এবারের অনুষ্ঠানে স্থানীয়দের দাবির মুখে কুঠিবাড়ি চত্বরে ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ মেলা না বসলেও রবীন্দ্রভক্ত ও দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

Related Articles

ডিম উৎপাদন বাড়িয়ে রপ্তানির সক্ষমতা অর্জন করতে হবে —-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি বলেছেন, দেশের ডিম উৎপাদন বাড়িয়ে অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রপ্তানির সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। এ

আরও পড়ুন

বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুলের নাম ভাঙিয়ে গুম ফেরত সাংবাদিক কাজলের পৈতৃক বসতভিটা দখলের চেষ্টার অভিযোগ, কাটা হলো মায়ের লাগানো নারকেলগাছ

বিশেষ প্রতিনিধি, মেহেরপুর স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ৫৩ দিন গুম নয় মাস কারাগারে থাকার ঘটনায় আলোচিত সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের মেহেরপুর শহরের পৈতৃক বসতভিটা

আরও পড়ুন

লোহাগড়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার এজাহারভুক্ত আসামি গ্রে’ফ’তা’র

লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি: নড়াইলের লোহাগড়া থানার মামলা নং- ০১(১০)২৬, ধারা: ১১(খ)/১১(গ)/৩০ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের এজাহারভুক্ত ২ নং আসামি সুমন রহমান @ রকি

আরও পড়ুন

বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের (এফডিএমএন) স্বদেশে নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ। আর এটি নিশ্চিতে আঞ্চলিক ও

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[২] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[৩][৪] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman