Somoy News BD

১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বৃহস্পতিবার
ব্রেকিং নিউজ

আগামী ছয় মাসের মধ্যে ফিটনেস বিহীন যানবাহন রাস্তা থেকে অপসারণ করতে হবে – সড়ক ও সেতু উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
আগামী ছয় মাসের মধ্যে ২০-২৫ বছরের পুরোনো ও ফিটনেস বিহীন বাস, মিনিবাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান সহ প্রভৃতি মোটরযান রাস্তা থেকে অপসারণ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক ও সেতু উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
আজ ঢাকার আব্দুল গনি রোডে অবস্থিত বিদ্যুৎ ভবনের বিজয় হলে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত “ঢাকা শহরের বায়ু দূষণ ও শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে পুরাতন যানবাহন অপসারণ ও যানজট নিরসন” সংক্রান্ত আলোচনা সভায় সড়ক ও সেতু উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান এ মন্তব্য করেন। সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান উপস্থিত ছিলেন।
জুলাই মাসে সংঘটিত ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে সড়ক ও সেতু উপদেষ্টা বলেন, জনদুর্ভোগ লাঘব ও দেশের মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে আনাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ করা অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান লক্ষ্য। এরই অংশ হিসেবে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সড়ক উপদেষ্টা ভবিষ্যতে ইলেকট্রনিক ভেহিকেল (EV) চালু করার ব্যাপারে ব্যবসায়ীদের সুযোগ নিতে বলেন এবং এজন্য সহজ শর্তে ব্যবসায়ীদের ঋণ প্রদানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সাথেও আলোচনা করবেন বলে জানান উপদেষ্টা।
ঢাকা শহরকে একটি নিরাপদ নগরীতে পরিণত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে সড়ক উপদেষ্টা বলেন বিআরটিএ, জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ নিয়মিতভাবে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেস চেক করবে। একই সাথে পরিবেশ দূষণ ও যানজট নিরসনে আইনের যথাযথ প্রয়োগ এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন থাকতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ঢাকাকে দূষণমুক্ত ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করার অঙ্গীকার করে আলোচনা সভায় পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব পালনের জন্যই ক্ষমতায় আছেন এবং ঢাকা শহরের দীর্ঘদিনের এ সমস্যা বাস্তবতার নিরিখে সমাধান করতে হবে। এছাড়াও সড়ক সংক্রান্ত আইন ও বিধি-বিধান জানা এবং মেনে চলা, ড্রাইভারদেরকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদানের পাশাপাশি এ ব্যাপারে পরিবহন মালিক, শ্রমিক, পথচারী, যাত্রী নির্বিশেষে সকলকে সচেতন হবার আহ্বান জানান তিনি।
সবশেষে সড়ক ও সেতু উপদেষ্টা ভবিষ্যতে এ ধরনের আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করে সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন। আলোচনা সভায় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ, ছাত্র জনতার প্রতিনিধিবৃন্দ, পরিবহন মালিক সমিতি ও শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে গণমাধ্যমকর্মীদের সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং ‘জাস্টিস এন্ড কেয়ার’-এর সহযোগিতায় আজ রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে “মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন-২০২৬”

আরও পড়ুন

মিঠাপানির মাছ উৎপাদনে বিশ্ববিদ্যালয় লেক হতে পারে নতুন দৃষ্টান্ত —মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকগুলোতে পরিকল্পিতভাবে মাছ চাষ করা গেলে তা দেশের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের নতুন সভাপতি মোসলেহ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক শামীমা পারভীন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএসএ) নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-এর অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন

আরও পড়ুন

কোরবানির চামড়ার দাম বেড়েছে প্রতি বর্গফুটে ২ টাকা ঢাকায় ৬২-৬৭ টাকা- ঢাকার বাইরে ৫৭-৬২ ঢাকা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। এ বছর ঢাকায় গরুর লবণযুক্ত চামড়ার প্রতি বর্গফুটের দাম গত বছরের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman