Somoy News BD

৫ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , শুক্রবার
ব্রেকিং নিউজ

যে ৬ জন কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছিল

সৈয়দ ওবায়দুর রহমানঃ
১৯ নভেম্বর, ২০২৫ ,

রাজধানীর পল্লবী থানা যুবদলের সদস্যসচিব গোলাম কিবরিয়াকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) বিকেলে নিহত কিবরিয়ার স্ত্রী সাবিহা আক্তার দিনা বাদী হয়ে মামলাটি করেন, এতে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেওয়া ছয়জন চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং অজ্ঞাতনামা আরও সাতজনকে আসামি করা হয়েছে।

ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার সময় জনি নামে একজনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে চিহ্নিত সন্ত্রাসী পাতা সোহেল, ভাগ্নে মাসুম, দর্জি মামুন, বোমা কালু ও রোকনসহ মোট ছয়জনের কিলিং মিশনে অংশগ্রহণের তথ্য উঠে আসে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ব্যবসায়িক, রাজনৈতিক নাকি মাদক-সংক্রান্ত কোনো দ্বন্দ্বের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একইসঙ্গে আন্ডারওয়ার্ল্ডের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, সেই বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।

এর আগে, সকালে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. নাশাত জাবিনের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, কিবরিয়ার শরীরে মোট ১৮টি ক্ষতের চিহ্ন পাওয়া গেছে এবং গুলিতেই তার মৃত্যু হয়েছে।

গত সোমবার (১৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় মিরপুর ১২ নম্বর সেকশনের সি ব্লকে একটি দোকানে ঢুকে যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়াকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। দোকানের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, হেলমেট ও মুখোশ পরা কয়েকজন দুর্বৃত্ত দ্রুত দোকানে প্রবেশ করে কিবরিয়াকে লক্ষ্য করে একাধিক গুলি ছোড়ে। কিবরিয়া মাটিতে লুটিয়ে পড়ার পরও একজন দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে আরও তিনটি গুলি করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

ঢাবির অধিভুক্তি বাতিল, ৭ কলেজ নিয়ে স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা গুলি চালিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় ধাওয়া খেয়ে অটোরিকশায় উঠে পড়ে। এ সময় একজন আটক হলেও অপরজন গুলি করতে করতে পালিয়ে যায় এবং অটোরিকশা চালককেও গুলি করে আহত করে। আহত চালককে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে।

কিবরিয়ার মরদেহ মিরপুরের নিজ বাসভবনে নিয়ে আসার পর স্বজন ও এলাকাবাসী কান্নায় ভেঙে পড়েন। ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জড়িতদের গ্রেপ্তারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

কিবরিয়ার স্বজন ও বন্ধুদের অভিযোগ, এলাকায় তার জনপ্রিয়তা এবং সামনে দলের বড় পদ পাওয়ার ঈর্ষা থেকেই শীর্ষ সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে তাকে হত্যা করানো হয়েছে। 
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মফিজুর রহমান জানিয়েছেন, আটক যুবক জনিকে নিয়ে বাকি জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Related Articles

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার, সুরক্ষা ও উন্নয়নে আমাদের সকলকে একসাথে এগিয়ে আসতে হবে –উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ

মোঃআশরাফুল আলমঃ সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ অনুষ্ঠানের শুরুতেই বিজয়ের এ মাসে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মসর্গকারী এবং সকল শহীদদের প্রতি

আরও পড়ুন

আশুলিয়ায় এক শিক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধ ভাবে ধর্ষণ,গ্রেফতার ৪

আল শাহরিয়ার বাবুল খানঃ ঢাকার আশুলিয়ায় এক শিক্ষার্থীকে পিকনিকের কথা বলে ডেকে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে অর্থ আদায়ের অভিযোগে বেসরকারি গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের

আরও পড়ুন

রাজধানীতে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৮তম বছর পূর্তি উদযাপিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) জনাব সুপ্রদীপ চাকমা পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৮তম বছর পূর্তি উপলক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি শুভেচ্ছা ও

আরও পড়ুন

জলবায়ু ঝুঁকি ও বিপদ থেকে নাগরিকদের রক্ষা করতে বাংলাদেশ ‘সকলের জন্য জাতীয় প্রাথমিক সতর্কতা রোডম্যাপ’ এর যাত্রা শুরু করেছে।

মোঃআশরাফুল আলমঃ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় আজ আনুষ্ঠানিকভাবে সকলের জন্য জাতীয় প্রাথমিক সতর্কতা (EW4All) রোডম্যাপ এর যাত্রা শুরু করেছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman