Somoy News BD

ব্রেকিং নিউজ

ইসলামের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠা’ই কল্যাণকর আদর্শ সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের উপায়- আমীর, ইসলামী সমাজ।

মঞ্জুর:ইসলামী সমাজ’ এর আমীর সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, যে সমাজ ও রাষ্ট্রে মানুষের মানবিক মূল্যবোধ ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত থাকে, তাদের সকল অধিকার আদায় ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকে, হিংষা, বিদ্বেষ,ও বৈষম্য মুক্ত হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারে সে সমাজ ও রাষ্ট্র’ই কল্যাণকর আদর্শ সমাজ ও রাষ্ট্র। কল্যাণকর আদর্শ সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে প্রয়োজন নিখুত আদর্শ একথার উল্লেখ করে তিনি বলেন, যে নীতিমালা মেনে চললে মানুষে মানুষে হিংষা-বিদ্বেষ দূর হয়ে তাদের মধ্যে মানবতা ও মনুষত্বের বিকাশ ঘটে সেই নীতিমালা’ই মূলতঃ আদর্শ। সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর আইন-বিধান মানুষের মধ্য থেকে হিংষা-বিদ্বেষ দূর করে তাদেরকে নৈতিকতার উন্নত মানে প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানবতার কল্যানে নিঃস্বার্থভাবে দায়িত্ব পালন করার জন্য যোগ্য করে গড়ে তুলে। কাজেই সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ প্রদত্ত আইন-বিধানই নিখুত আদর্শ।
গতকাল ১৩ আগস্ট মঙ্গলবার, সকালে ‘ইসলামী সমাজ’ এর পল্টনস্থ অফিসে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এর সহকারী দায়িত্বশীল আবু জাফর মোঃ সালেহ’র সঞ্চালনায় “কল্যাণকর আদর্শ সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের উপায়” বিষয়ে ইসলামী সমাজের আমীর সাহেবের সাংবাদিকদের সাথে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় ইসলামী সমাজের আমীর বলেন, মানব রচিত ব্যবস্থা আদর্শ নয়! মানব রচিত ব্যবস্থা মানুষকে বস্তুবাদী হিসেবে গড়ে তুলে, যার কারণে মানুষ ব্যক্তিস্বার্থ, দলীয় স্বার্থ ও জাতীয় স্বার্থের সংকীর্ণ গন্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে একথার উল্লেখ করে তিনি বলেন, সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ প্রদত্ত কল্যাণমর জীবন ব্যবস্থা ‘ইসলাম’ই মানুষের সকল অধিকার আদায়  ও সংরক্ষণের সুব্যবস্থা করে, মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্টা করে বিধায়; ইসলাম’ই একমাত্র আদর্শ এবং কল্যাণকর আদর্শ সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের একমাত্র পথ। বর্তমানে বিশ্বের প্রতিটি রাষ্ট্র মানব রচিত ব্যবস্থার ভিত্তিতে গঠিত ও পরিচালিত বিধায়; সবই অকল্যাণকর সমাজ ও রাষ্ট্র।’ইসলামী সমাজ’ কল্যাণকর আদর্শ সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে ইসলাম প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সকলকে তিনি যার যার ধর্ম পালনের সাথে সাথে কল্যাণকর আদর্শ সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে ইসলাম প্রতিষ্ঠায় ইসলামী সমাজে শামিল হওয়ার আহ্বান জানান। মতবিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলে, ইসলামী সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল সর্বজনাব মুহাম্মাদ ইয়াছিন, মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লা, সোলায়মান কবীর, মোঃ নুরুদ্দীন, আমীর হোসাইন, আজমুল হক, আবু বকর সিদ্দিক, আবু শামাহ, মিনহাজ উদ্দিন, ইসমাইল দাড়িয়া, মোঃ সোহেল ও মোস্তফা জামিল সাদ প্রমুখ।

Related Articles

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করতে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল সম্প্রসারণ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, দেশের প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র খামারিদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে বিশুদ্ধ জাতের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল ও

আরও পড়ুন

চীনের অন্যতম বৃহত্তম প্রদর্শনী “The 10th China-South Asia Expo and the 30th China Kunming Import and Export Fair-2026” এর থিম কান্ট্রি হিসেবে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম বৃহত্তম মেলা ও প্রদর্শনী “The 10th China-South Asia Expo and the 30th China Kunming Import and Export Fair-2026” আগামীকাল চীনের

আরও পড়ুন

২০২৭ সালের হজের রোডম্যাপ প্রকাশ,  চলতি বছরের ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে হজযাত্রী নিবন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ২০২৭ সালের (হিজরি ১৪৪৮) হজের রোডম্যাপ প্রকাশ করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। রবিবার (৭ জুন) মন্ত্রণালয়ের হজ-১ শাখা হতে এ রোডম্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

গণমাধ্যম রাষ্ট্রের আয়না, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় এর কোনো বিকল্প নেই: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণমাধ্যম শুধু রাষ্ট্রের আয়নাই নয়, আধুনিক সভ্যতা ও সমাজব্যবস্থার একটি অপরিহার্য উপাদান। রাষ্ট্র, সমাজ ও

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman